ভালোবাসা দিবসে বিয়ের পিঁড়িতে নাসির

আগের সংবাদ

ভোরের কাগজের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নজরুল ইসলাম খানের শুভেচ্ছা

পরের সংবাদ

বাংলাদেশের পাঁচ দশক

পাকিস্তানি আমলা ও বুদ্ধিজীবীর বিশ্লেষণ: ড. এম এ মোমেন

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২১ , ৯:৫৩ পূর্বাহ্ণ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২১ , ১০:০১ পূর্বাহ্ণ

আমলাতন্ত্রের ইস্পাত কাঠামোর ভেতরে থেকেও কাঠামো ডিঙ্গানো একজন আমলা তাসনিম আহমদের সিদ্দিকী ১৯৬৫ ব্যাচের সিএসপি। তিনি সিন্ধুর চিফ সেক্রেটারি ছিলেন। কর্মজীবনের বড় সময় কাটিয়েছেন বস্তির মানুষের জীবনমান উন্নয়নে। ১৯৯৯ সালে জনসেবার জন্য র‌্যামন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। ১৯৯৫-তে আগা খান অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচারও তিনি পেয়েছেন। তিনি লিখেছেন, এ পাকিস্তানি ইন্ট্রোসপেক্টস অন বার্থ অব বাংলাদেশ। পারভেজ আমিরালি হুদবয় পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবী এবং একাডেমিক সার্কেলে শীর্ষ ব্যক্তিত্বের একজন। ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে পিএইচডি, পাকিস্তানের প্রথম কাতারের নিউক্লিয়ার ফিজিসিস্ট, অধ্যাপক, বাকস্বাধীনতা, ধর্মনিরপেক্ষতা, শিক্ষা ও বিজ্ঞান প্রচারের অন্যতম পথিকৃৎ তিনি। বিজ্ঞান শিক্ষা প্রচারের জন্য পেয়েছেন ইউনেস্কোর কলিঙ্গ পুরস্কার, বিজ্ঞানী আবদুস সালাম পুরস্কার, কবি ফয়েজ আহমেদ ফয়েজ পুরস্কার। কিন্তু ১৯৯৯-তে যখন তাকে সিতারা-ই-ইমতিয়াজ খেতাব দেয়ার ঘোষণা করা কলো, তিনি বললেন, যে খেতাবের কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা ও মর্যাদা নেই তিনি তা প্রত্যাখ্যান করতে চান। তিনি লিখেছেন, হোয়াই বাংলাদেশ ওভারটুক পাকিস্তান।
এই দু’জন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্বের বাংলাদেশ নিয়ে নৈব্যক্তিক আলোচনার সারাংশ তুলে ধরছি।

তাসনিম আহমেদ সিদ্দিকী
হিন্দু শিক্ষকরা বাঙালি তরুণদের ব্রেনওয়াশ করার কারণে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের মহাবিপর্যয়ের ঘটেছে এমন একটি কুৎসিত প্রচারণা এখনো আছে। এটা খুব দুর্ভাগ্যজনক, দু-একটি ব্যতিক্রম বাদে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হত্যাকান্ড ও ধ্বংসযজ্ঞ নিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনৈতিক নেতৃত্ব কিংবা বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায় মুখ খোলেননি। ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানের ইতিহাসের সবচেয়ে কালো দিন। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এই লজ্জাজনক ইতিহাস নিয়ে কোনো উচ্চারণ নেই। পাকিস্তানের লজ্জাজনক আত্মসমর্পণের কথা নেই, সেনাবাহিনীর গণহত্যার জন্য নিন্দাবাদও নেই। তারা সবকিছুতেই ভারতের শত্রুতার দোহাই দেয়।
তাদের এ কথা বলার সাহস নেই যে, ১৯৪০ সালে যদি বাঙালিদের প্রতিনিধি মৌলবি ফজলুল হক লাহোর প্রস্তাব পাস না করাতেন তাহলে পাকিস্তানই হতো না। যদি মুদ্রণ প্রমাদের ‘স্টেটস’-এর বদলে ‘স্টেট’ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেনে না নিতেন তাহলে অচলাবস্থার সৃষ্টি হতো। তারা এ কথা কখনো বলে না ১৯৪৭-এর ১৪ আগস্ট পর্যন্ত যিনি বাংলার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তুচ্ছ কারণ দেখিয়ে পাকিস্তান গণপরিষদ থেকে তাকে বাদ দেয়া এমন কী তাকে প্রায় অবাঞ্ছিত ব্যক্তি ঘোষণার পর্যায়ে নিয়ে যায়।
মোহাজির ও পাঞ্জাবিদের সামরিক ও আমলাতান্ত্রিক জোট পূর্ব পাকিস্তানিদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক বিবেচনা করে। রাজনৈতিক ক্ষমতা ও সম্পদের বণ্টনে তাদের বঞ্চিত রাখা হয়। অথচ পাকিস্তান সৃষ্টিতে তারাই মুখ্য ভ‚মিকা পালন করেছে। পশ্চিম পাকিস্তানিরা মনে করত এবং প্রচার করত পূর্ব পাকিস্তানিদের মধ্যে মুসলমানিত্বের ঘাটতি রয়েছে। তারা ‘লেসার মুসলিম’। হিন্দুর ভাষা ও সংস্কৃতি গ্রহণ করায় তারা ঘাটতিযুক্ত মুসলমান। অথচ এটা কি মিথ্যা যে তারা পূর্ব পাকিস্তানের পাট রপ্তানি বৈদেশিক মুদ্রার সিংহভাগ নিয়ে নিত? এটা কি মিথ্যা যে তারা ৫০-এর দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে এই প্রদেশকে একই সঙ্গে তাদের দায় এবং তাদের জন্য হুমকি মনে করেছে?
তারা জানত কখনো না কখনো সংবিধান প্রণয়ন করতে হবে, সাধারণত নির্বাচন দিতে হবে। আর ৫৫ ভাগ জনশক্তির বাঙালিরা প্রদেশে এবং ফেডারেল সরকারে সংখ্যাগরিষ্ঠ হবে। ১৯৪৭-এর আগস্ট থেকে ১৯৭১-এর ডিসেম্বর পর্যন্ত পুরোটাই ছিল ক্ষমতার অন্যায় খেলা, ষড়যন্ত্র ও বিশ্বসঘাতকতায় পরিপূর্ণ উদ্দেশ্য পূর্ব পাকিস্তানিদের উত্থান ঠেকিয়ে রাখা।
আইয়ুব খানের শাসনকালকে অনেক পাকিস্তানি শাসনের সোনালি যুগ বলে থাকেন বিখ্যাত অর্থনীতিবিদরা এই দেশকে বলেছেন তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নের মডেল।
কিন্তু পরিহাস হচ্ছে, সেই দেশের একাংশের মানুষকে ১৯৭১-এ ‘বাস্কেট কেইস’ হিসেবে শুরু করে, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা, সামরিক হস্তক্ষেপ, অপশাসন, দুর্নীতি, প্রাতিষ্ঠানিক শূন্যতা সবকিছুর পরও প্রায় সকল সূচকে পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছে। ১৯৮০-এর দশক থেকে বাংলাদেশ যে প্রবৃদ্ধির পথ ধরেছে সে পথ থেকে আর নামেনি, আর পেছন ফিরে তাকাতেও হয়নি। নতুন সহস্রাব্দে প্রবৃদ্ধির গতি ‘গ্রোথ মোমেন্টাম’ এমনকি ভারত ও চীনকেও ছাড়িয়ে গেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রায় স্থিতি ৪০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। কেবল মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতেই নয়, সামাজিক খাতেও লক্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১-এ স্থিত হয়েছে; গড় আয়ু ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে যথাক্রমে ৪ ও ৬ বছর বেড়েছে। আর এ বছর (২০২০) পাকিস্তান যদি দেড় থেকে দু’ভাগ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারে সেটাই হবে বিস্ময়কর। টিকাদান থেকে শিশুমৃত্যুর হার, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলে ভর্তি, নারীর অংশগ্রহণ সব কিছুতে পাকিস্তান তলানিতে পড়ে আছে।
তাসনিম আহমেদ সিদ্দিকী তার লেখার উপসংহারে এসে প্রশ্ন রেখেছেন : বাংলাদেশ যদি আগের মতো পাকিস্তানের অংশই থাকত তাহলে কি এক প্রজন্মে উন্নয়নের এই বিস্ময় দেখাতে পারত? নাকি স্বাধীনতার ৭৩ বছর পর পাকিস্তানের যে কোনো অনুন্নত অংশের মতো অনুন্নতই রয়ে যেত?
‘পাকিস্তান আমলে কি ভালো ছিলেন?’ নামের একটি রচনায় আমি ক্রিকেট সূচকের কথা বলেছিলাম পাকিস্তান জাতীয় দলে হয়তো দ্বাদশ খেলোয়াড় হিসেবে একজন বাঙালির ঠাঁই হতো। এখন পাকিস্তান জাতীয় দলকে হারাতেই বাংলাদেশ অভ্যস্ত হয়ে উঠছে।

পারভেজ হুদবয়
বাংলাদেশ কোনো স্ক্যান্ডিনেভিয় রাষ্ট্র নয়। দরিদ্র জনসংখ্যার ভারে জর্জরিত, দুর্নীতিগ্রস্ত, প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ, সন্ত্রাস, সামরিক হস্তক্ষেপ, গণতান্ত্রিক প্রহসন ইত্যাদি সবই আছে কিন্তু বাংলাদেশ লাইফ সাপোর্টে থাকা একটি দেশ ক’বছর আগের এই ক্যারিকেচারটি আর নেই।
অর্থনীতিবিদের কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ হচ্ছে পরবর্তী এশিয়ান টাইগার। ২০১৮ সালের প্রবৃদ্ধি (লেখাটি ৯ ফেব্রæয়ারি ২০১৯ প্রকাশিত) ৭.৮ ভারতের প্রবৃদ্ধির (৮.০) সময় সমান এর পাকিস্তানের প্রবৃদ্ধির (৫.৮) অনেক উপরে। মাথাপিছু ঋণ বাংলাদেশে ৪৩৪ ডলার আর পাকিস্তানে ৯৭৪ ডলার, পাকিস্তানে দ্বিগুণেরও বেশি; আর বৈদেশিক তহবিলের স্থিতি বাংলাদেশে পাকিস্তানের সরাসরি ৪ গুণ।
১৯৭১-এর শূন্য থেকে ২০১৮ সালে রপ্তানি আয় ৩৫.৮ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে আর পাকিস্তানে ২৪.৮ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ তুলা উৎপাদনশীল দেশ নয়, কিন্তু পাকিস্তানের জন্য তিতকুটে অভিজ্ঞতা হচ্ছে, বাংলাদেশ তাদের টেক্সটাইল মার্কেটের একটি বড় অংশ খেয়ে ফেলেছে। আইএমএফ হিসাব দিয়েছে, ১৮০ বিলিয়ন ডলার আকারের অর্থনীতি ২০২১ সালে ৩২২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছবে। তার মানে গড়পড়তা বাংলাদেশি এখন গড়পড়তা পাকিস্তানির সমান, আর পাকিস্তানি মুদ্রার যদি আরও অবমূল্যায়ন হয় তাহলে ২০২০ সালেই পড়পড়তা বাংলাদেশি আমাদের চেয়ে ধনী বলে বিবেচিত হবে। অন্যান্য সূচকও মাথা ঘুরিয়ে দেবার মতো।
১৯৫১ সালের পাকিস্তান আদমশুমারিতে পূর্ব পাকিস্তানের লোকসংখ্যা ৪ কোটি ২০ লাখ আর পশ্চিম পাকিস্তানের ৩ কোটি ৩৭ লাখ। এখন বাংলাদেশ আর পাকিস্তানের জনসংখ্যা সাড়ে ১৬ কোটি বনাম ২০ কোটি। একটি টেকসই পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম বাংলাদেশে জন্মহার কমিয়ে এনেছে আর এমন কি এখন পর্যন্ত পাকিস্তানে এ ধরনের উদ্যোগের আলামত দেখা যায়নি। স্বাস্থ্য খাতের প্রতিটি বিষয়ে বাংলাদেশ পাকিস্তানের চেয়ে ভালো করেছে। পশ্চিম পাকিস্তানের উপেক্ষিত এই গরিব ‘কাজিন’ কেমন করে এত দ্রæত ধনী পাকিস্তানকে ডিঙিয়ে গেল? এটা ধাঁধার মতোই কারণ আমেরিকা চীন কিংবা সৌদি আরবের কাছে বিক্রি করার মতো এ দেশের কোনো ‘জিওস্ট্র্যাটেজিক অ্যাসেট’ ভূকৌশলগত সম্পদ নেই কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নেই, বড় কোনো সেনাবাহিনী নেই, ছায়া থেকে দেশ পরিচালনার উর্দিপরা জ্ঞানীজনও নেই, পেশাজীবী বিশেষজ্ঞের বড় সমাবেশও নেই। জন্মকালীন সময়ে প্রশিক্ষিত আমলা বাহিনীও ছিল না। আমার মতো যারা ৫০ ও ৬০-এর দশকে জন্ম নিয়েছেন, খাটো ও কালো বাঙালিরা মাছ ধরতে, আর পাট ছাড়া অন্য কিছু উৎপাদন করতে জানে না বলে শুনেছেন তাদের বিরুদ্ধে আমাদের বর্ণবাদী দৃষ্টিভঙ্গি লুকানো কিছু ছিল না। তারা মুসলমান এবং পাকিস্তানি, কিন্তু আমাদের কল্পনা করতে শেখানো হয়েছে ভালো মুসলমান এবং সত্যিকারের পাকিস্তানি হবে লম্বা, ফর্সা এবং কথা বলবে উর্দু ভাষায়। রেডিও পাকিস্তানে অদ্ভুত ধ্বনির বাংলা খবর শুনে আমরা হাসাহাসি করেছি। আমাদের নির্বোধ পৌরুষের কাছে তাদের মনে হয়েছে নারীসুলভ-ফেমেনিন।
১৯৭১-এর মেগা সারেন্ডার পাকিস্তানকে চরম শিক্ষা দিয়েছে
বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান এখন দুই ভিন্ন দেশ প্রত্যেকে জাতীয় স্বার্থ ভিন্নভাবে চিন্তা করে। বাংলাদেশ তার ভবিষ্যৎ দেখতে পায় মানব উন্নয়ন আর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে। যেখানে তারা গোলপোস্ট স্থাপন করে সেখানে পৌঁছতে রপ্তানি বাড়াতে হয়, বেকারত্ব কমাতে হয়, স্বাস্থ্য পরিস্থিতির উন্নতি করতে হয় নির্ভরশীলতা অনুদান ও ঋণ কমাতে হয়। পাকিস্তানের বেলায় মানব উন্নয়ন দূরের ব্যাপার। বাড়ির ছাদে উঠে ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ চেঁচালে আর আমেরিকা, চীন কিংবা সৌদি আরবের হুকুম শুনলে পাকিস্তান কোথাও পৌঁছতে পারবে না। উপেক্ষিত পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন বাংলাদেশ হয়ে পাকিস্তানকে দেখিয়ে দিয়েছে।
স্টিফেন কোহেন প্রশ্ন রেখেছেন, বাংলাদেশের এই আর্থিক সাফল্য কি দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে?
তিনিই জবাব দিয়েছেন কেন নয় যদি নীতিনির্ধারকরা ঝুঁকি মোকাবিলায় দক্ষতার পরিচয় দেন, যদি দুর্নীতি, গোষ্ঠীপ্রীতি ঠেকানো যায়, যদি সুশাসন থাকে, দীর্ঘমেয়াদে এই ধারাটাই থেকে যাবে।

পাদটীকা :
২০২০ সালে প্রকাশিত ইউএনডিপির হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্সে ১৮৯ দেশের মধ্যে পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে, ভারত ছুঁই ছুঁই, কিন্তু শ্রীলঙ্কা থেকে অনেক পিছিয়ে। স্বাধীনতার পাঁচ দশক পেরিয়ে পাকিস্তান বা ভারতের সঙ্গে তুলনা করে তৃপ্তি পেলে পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়ে যাবে প্রতিযোগিতা কেন শ্রীলঙ্কার সঙ্গে নয়? হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্সে শ্রীলঙ্কা ৭২তম অবস্থানে, বাংলাদেশ ১৩৩তম। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্সে বাংলাদেশ আরো ভালো অবস্থানে রয়েছে।
এখনই ভাবা দরকার ২০৭১ সালের বাংলাদেশকে আপনি কোথায় দেখতে চান।

ডিসি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়