তিনশ সংসদীয় আসনে তিনশ সিনেপ্লেক্স প্রসঙ্গে

আগের সংবাদ

রাষ্ট্র হবে ধর্মনিরপেক্ষ, সমাজ হবে ইহজাগতিক

পরের সংবাদ

বিশেষ ছাড়ে কাগজে-কলমে কমলো খেলাপি ঋণ

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২১ , ১০:৪৫ অপরাহ্ণ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২১ , ১০:৪৫ অপরাহ্ণ

করোনার কারণে গত বছর ব্যবসা-বাণিজ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব বিবেচনায় ঋণগ্রহীতাদের নানা ছাড় দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই ছাড়ে খেলাপি ঋণ গত তিন মাসে ৫ হাজার ৭০৬ কোটি টাকা কমে গত ডিসেম্বর শেষে ৮৮ হাজার ৭৩৪ কোটি ৬ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। যা মোট বিতরণ করা ঋণের ৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে ২১ হাজার ৮৪৮ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, নতুন করে কাউকে খেলাপি না করার পাশাপাশি করোনার ক্ষতি পোষাতে ব্যবসায়ী, কৃষকসহ বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি সুদে প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা বিতরণ করছে ব্যাংকগুলো। আবার লকডাউনের সময় তথা এপ্রিল ও মে মাসে সব ধরনের ঋণের সুদে ব্যাংকগুলোকে ২ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়েছে সরকার। এর আগে গত বছর মাত্র ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিয়ে ১০ বছরের জন্য খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তিন মাস আগে গত সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৯৪ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা। ওই সময় পর্যন্ত বিতরণ করা ১০ লাখ ৪৯ হাজার ৭২৪ কোটি টাকা ঋণের যা ছিল ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ। ২০২০ শেষে ব্যাংকিং খাতের মোট বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১ লাখ ৫৮ হাজার ৭৭৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।

এর মধ্যে খেলাপিতে পরিণত হয়েছে ৮৮ হাজার ৭৩৪ কোটি ৬ লাখ টাকা। যা বিতরণ করা মোট ঋণের ৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ। কিন্তু তিন মাস আগেও খেলাপি ঋণের হার ছিল ৮ দশমিক ৮৮ শতাংশ। মূলত করোনার আগ থেকেই বিশেষ উপায়ে পুনঃতফসিল, পুনর্গঠনসহ নানা ছাড় দিয়ে খেলাপি ঋণ কমাতে চাইছিল সরকার। আগের অভিজ্ঞতা থেকে ব্যাংকাররা আশঙ্কা করছিলেন, বিশেষ সুবিধায় নিয়মিত করা ঋণের বেশিরভাগই আবার খেলাপি হবে। তবে করোনার এ সময়ে কিস্তি না দিলেও খেলাপি না করার সুযোগে তা হয়নি।

পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ হালিম চৌধুরী ভোরের কাগজকে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার কারণে ২০২০ সালে কোনো ঋণ খেলাপি করা হয়নি। আবার ব্যাংকগুলো নানা উপায়ে গ্রাহকদের বুঝিয়ে ঋণ আদায় ও মামলা নিষ্পত্তি করছে। এসব কারণে খেলাপি ঋণ কমেছে। তিনি বলেন, ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণের প্রকৃত অবস্থা আপাতত বোঝা যাবে না। নতুন করে কোনো নীতি সহায়তা না দিলে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের আংশিক অবস্থা বোঝা যাবে আগামী মার্চ প্রান্তিকে। এরমধ্যে প্রকৃত অবস্থা বেশি পরিস্কার হবে জুন প্রান্তিকের প্রতিবেদন হাতে পেলে।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়