মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে নিহত

আগের সংবাদ

বিশেষ ছাড়ে কাগজে-কলমে কমলো খেলাপি ঋণ

পরের সংবাদ

তিনশ সংসদীয় আসনে তিনশ সিনেপ্লেক্স প্রসঙ্গে

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২১ , ১০:৪৩ অপরাহ্ণ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২১ , ১০:৪৩ অপরাহ্ণ

১৬ কোটি মানুষের দেশে সিনেমা হল সচল রয়েছে ৬২টি। দুই বছর আগে এই সংখ্যা ছিল ২৬০টি। দেশের ২৫টি জেলায় এখন সিনেমা হলের অস্তিত্বই নেই। এ থেকেই সংকটটির ভয়াবহতা অনুমান করা যায়। চলচ্চিত্রের সঙ্গে জড়িত সব পক্ষের কাছে আহ্বান রাখতে চাই- হাজার মানুষের রুজির ব্যবস্থা করছে চলচ্চিত্র, এই চলচ্চিত্র শিল্প বন্ধ হয়ে গেলে বেকারত্বের সঙ্গে সঙ্গে বাংলা ও বাঙালি সংস্কৃতির চর্চার শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

সিনেমার সবচেয়ে বড় দুঃসময় চলছে, সিনেমা বা চলচ্চিত্রের সঙ্গে জড়িত সবাই এটা স্বীকার করবেন। তাহলে কি চলচ্চিত্র শিল্প ইতিহাস হয়ে থাকবে অদূর ভবিষ্যতে। এই প্রশ্নটাই বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। করোনা মহামারি এসে এই প্রশ্নটাকে আরো বাস্তব করে তুলছে। মানব সভ্যতার ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় কোনো মহামারি দুর্যোগ মানব সভ্যতাকে থামিয়ে দিতে পারেনি, করোনা দুর্যোগকেও জয় করবে, এটাই সত্য চিরন্তন। করোনা থিতু হলে সিনেমা কি রমরমিয়ে চলবে? কীভাবে চলবে, যেখানে নব্বই দশকের শুরুতে বাংলাদেশে সিনেমা হলের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৪৩৫টি। দুই দশকে কমতে কমতে সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে একশর কাছাকাছি (মাঝেমধ্যে নানান উৎসব উপলক্ষে হাটে-বাজারে, কালেভদ্রে ৪০-৫০টি ভাঙাচোরা অস্বাস্থ্যসম্মত সিনেমা হল যুক্ত হয়ে থাকে)। গত দুই দশকে বাংলাদেশের কোথাও নতুন সিনেমা হল নির্মাণ হয়নি। সিনেমা হলই যদি না থাকে তাহলে দর্শকরা সিনেমা দেখবে কোথায়। হাটে, মাঠে, ময়দানে নিশ্চয় সিনেমা দেখানো হবে না। সিনেমা বা চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে বাণিজ্যিক দৃষ্টিতে সিনেমা হলের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।

ঢাকা শহরে সিনেপ্লেক্সের সংখ্যা সাকল্যে দশটির বেশি নয়। সিনেপ্লেক্সের সংখ্যা যখন বাড়বে তখন প্রতিযোগিতা চলবে। দর্শক ধরে রাখতে টিকেটের মূল্যও কিছুটা কমবে। টিকেট সহজলভ্য করে দর্শক টানাটাও একটি বিষয় হয়ে দাঁড়াবে। ঢাকার বাইরে আর কোথাও সিনেপ্লেক্স গড়ে উঠেছে বলে জানা নেই। হয়তো বন্দরনগরী চট্টগ্রামে একটি-দুটি গড়ে উঠেছে। তাহলে এত মানুষ কোথায় সিনেমা দেখবে। হল মালিকরা সিনেপ্লেক্স ধারণাটি বাস্তবায়ন করতে পারবে না, তাদের কাছে বিনিয়োগ করার মতো অর্থ নেই। এখানেই সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। বাস্তবমুখী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে সিনেপ্লেক্স গড়ায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। অনেকেই স্বীকার করছেন সিনেপ্লেক্স ছাড়া চলচ্চিত্র ব্যবসা ধরে রাখা যাবে না। বর্তমানে এটা উচ্চাভিলাষ নয়, এটি এখন বাস্তবতা। অনেক আগেই চলচ্চিত্রের উন্নয়নে এই বাস্তবতাটি বাস্তবায়ন করার উদ্যোগ নেয়ার দরকার ছিল, তাহলে বাংলা সিনেমার এমন ধস নামত না। অতি দ্রুত সিনেপ্লেক্স বৃদ্ধির পরিকল্পনা নিতে হবে। যুগ ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মেলাতে হবে। এক্ষেত্রে আমরা অনেক পিছিয়ে আছি, তাই আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পের বেহাল দশা। এবার কল্পনায় দৃশ্য আঁকি কেমন হবে তিনশ সংসদীয় আসনে তিনশ সিনেপ্লেক্স।

যেহেতু সিনেপ্লেক্স একের ভেতর বহু, তাই সিনেপ্লেক্স হবে শপিং কমপ্লেক্স। বহুতল শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত শপিং কমপ্লেক্সের টপ ফ্লোরে হবে এক বা একাধিক সিনেপ্লেক্স। আলাদা আলাদা সিনেমা প্রদর্শিত হবে, যাতে দর্শকদের পছন্দকে প্রাধান্য দেয়া যায়। সিনেপ্লেক্সে থাকবে প্রশস্ত লাউঞ্জ, সেখানে সাজানো থাকবে আরামদায়ক সোফা। এমনভাবে সাজানো হবে বহু মানুষের ভিড় ভারাক্রান্ত মনে হয়। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকবে ফুডকোর্ট, নানা রকম হালকা খাবারের সমাবেশ থাকবে ফুডকোর্টগুলোতে। অন্য তলাগুলোতে অবস্থান নেবে এক বা একাধিক রেস্তোরাঁ। দৃষ্টিনন্দন অভ্যন্তরীণ সজ্জার রেস্তোরাঁগুলো হবে বিশেষায়িত। কোনোটা হবে চায়নিজ থাই, কোনোটি হবে ওরিয়েন্টাল, থাকতে পারে কাবাব, চাপ, গ্রিলিপোলি ইত্যাদি নিয়ে রেস্তোরাঁ। অন্য তলায় জিম, রূপচর্চার জন্য বিউটি পার্লার। শপিং কমপ্লেক্স যেহেতু সেখানে নানা ব্র্যান্ডের আউটলেট থাকছেই। এ রকমও হতে পারে শুধু সিনেপ্লেক্স, একাধিক প্রেক্ষাগৃহ থাকবে। শ্রেণি থাকবে দুটি- রেগুলার আর ডিলাক্স। শ্রেণিগুলোতে আসনের তারতম্য থাকবে না, শ্রেণিতে শ্রেণিতে তফাত তো থাকবেই। সিনেপ্লেক্সকে ঘিরে থাকবে দৃষ্টিনন্দন ফুল বাগান, ওপেন স্কাই ফুডকোর্ট। স্বাভাবিক কারণেই গড়ে উঠবে রেস্তোরাঁ ব্র্যান্ড শপ। এ এক বিশাল কর্মযজ্ঞ। পুরো কমপ্লেক্সে থাকবে ওয়াইফাই জোন। থাকতে হবে প্রশস্ত পার্কিং জোন। নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা থাকতে হবে। এসব কোনোটাই পরিকল্পনাহীন যাচ্ছেতাইভাবে গড়ে তোলা যাবে না। পৌরসভাগুলো এই কমপ্লেক্স গড়ে তোলায় কোনো আপস করবে না, পরিকল্পনার এক তিলও অদল-বদল করা যাবে না। এই বিশাল কর্মযজ্ঞে অর্থের জোগান দেবে কে সরকার? না সরকার পরিকল্পনা অনুমোদন দেবে, ঋণের ব্যবস্থা করবে, প্রয়োজনে জমি দেবে। ব্যবস্থাপনা হবে বেসরকারি। কোনোভাবেই যেন আর একটি বিআরটিসি হতে না পারে। ভাবা যেতে পারে পিপিপি পাবলিক প্রাইভেট প্রজেক্ট হিসেবেও। যদি সূচনা ঘটানো যায় তাহলে নিশ্চিতভাবে বলা যায় নাগরিকদের জন্য কমপ্লেক্স হবে একটি জনপ্রিয় ডেস্টিনেশন। জননেত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নও প্রতিটি গ্রাম হবে শহর, গ্রামীণ অবকাঠামো থাকবে, নাগরিকদের নাগালের মধ্যে থাকবে সব আধুনিক নাগরিক সুবিধা। তিনশ সংসদীয় আসনে তিনশ সিনেপ্লেক্স উল্লিখিত ভাবনা বাস্তবায়নকে ত্বরান্বিত করবে। সিনেকমপ্লেক্স তৈরি হলে সেখানে কি বিদেশি সিনেমা দেখানো হবে। বিদেশি আমদানিনির্ভর সিনেমার পৃষ্ঠপোষকতার জন্য এই আন্দোলন নয়। দেশীয় চলচ্চিত্র শিল্পকে বাঁচাতে, জগৎসভায় আসন নিতে এই সিনেপ্লেক্স ভাবনা। এবার বাংলা সিনেমা কেমন হবে সেদিকে দৃষ্টি দেয়া যাক। অবশ্যই বাংলা সিনেমা বাংলা সংস্কৃতি, বাঙালিয়ানা নিয়েই আন্তর্জাতিক হয়ে উঠতে হবে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধুনিক হয়ে উঠতে হবে।

কাক্সিক্ষত সিনেপ্লেক্স সারাদেশে গড়ে উঠলে সেসব সিনেপ্লেক্সে কি বিদেশি সিনেমা জাঁকিয়ে বসবে? এই আশঙ্কা অনেকেই করেন হালফিলে বাংলা সিনেমার অবস্থা দেখে। আশঙ্কাটি অমূলক নয়। সিনেপ্লেক্সে যারা বিনিয়োগ করবেন তারা নিশ্চয়ই লোকসানের বোঝা বইবেন না। দর্শকশূন্য সিনেপ্লেক্স উদ্যোক্তারা চাইবেন না। এখানে সচেতন হতে হবে চলচ্চিত্রের সঙ্গে জড়িতদের। মেধাবী মননশীল নির্মাতাদের সুযোগ করে দিতে হবে প্রযোজকদের। শিল্পীদের বেলায় একই কথা। সম্পূর্ণ পেশাদারদের স্বাছন্দ্যে বিচরণের সুযোগ করে দিতে হবে। তাহলেই বাংলা সিনেমা আবার ঘুরে দাঁড়াবে। গল্পে, নির্মাণে, চিত্রনাট্য, সংগীত সব বিভাগে মেধাবীদের মিলন ঘটলেই সেই সিনেমাটি হয়ে উঠবে দর্শকনন্দিত সিনেমা। কারিগরি প্রযুক্তির দিকেও নজর দিতে হবে। আধুনিক সর্বশেষ প্রযুক্তি আমদানি, প্রশিক্ষণ আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। সেন্সর বোর্ডকেও আধুনিক সংস্কৃতিমনা নীতি দিয়ে সিনেমার ছাড়পত্র প্রদানকে বিচারে আনতে হবে। সর্বোপরি সরকারের প্রশাসনের হস্তক্ষেপ মুক্ত হতে হবে। সমাজের নানা অসঙ্গতি সিনেমার গল্পে উঠে আসাটা স্বাভাবিক। অপরাধীরা নিজেদের শাসক দলের লেবেল লাগায় অপরাধকে জায়েজ করতে। নানাভাবে ম্যানেজ করার প্রতিভাবান তারা। সিনেমায় এসব চিত্র উঠে এলে রাজনৈতিক দলগুলো সিনেমাটির বিপক্ষে অবস্থান নিতে পারে। এখানেই সরকার নিরপেক্ষ অবস্থানে থেকে গণতান্ত্রিক চর্চাকে উৎসাহিত করলে সিনেমার যেমন লাভ তেমনি সমাজ নির্মাণে রাখবে ভূমিকা। তাই বলে অশ্লীলতা, নগ্নতাকে প্রশ্রয় দেয়া যাবে না গণতান্ত্রিক স্বাধীনতার দোহাই দিয়ে। বাঙালিয়ানা নগ্নতা অশ্লীলতাকে স্বীকার করে না। বাংলা সিনেমা আধুনিক হবে, সর্বশেষ প্রযুক্তি সমৃদ্ধ হবে কিন্তু বাঙালিয়ানার মূল চরিত্র ধরে রেখে। বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে আছে বাঙালিরা, সেই বাজারটিকে ধরতে হবে, তাহলেই বাংলা সিনেমার নতুন দিনের শুরু হবে, বিশ্বব্যাপী বাজবে বাংলা সিনেমার জয় ডঙ্কা। টেলিভিশন, অনলাইন বাংলা সিনেমার জন্য হুমকি মনে করেন অনেকেই। অনেকে ভাবেন সিনেমা হয়ে যাবে অ্যাপসনির্ভর। আমাজান, নেটফ্লিক্স, হইচই, বায়োস্কোপ- এসব হবে সিনেমার প্লাটফর্ম। সিনেমার চরিত্র এ ধারণাকে সমর্থন করে না। বড় পর্দা, প্রেক্ষাগৃহ ছাড়া একা সিনেমা দেখা সিনেমার আসল স্বাদটিই আসে না। করোনা মহামারিতে প্রেক্ষাগৃহ বন্ধ, সেখানে বিকল্প অনলাইনের ভাবনাটা গেঁড়ে বসেছে। কিন্তু এই ব্যবস্থা সাময়িক। করোনা জয় করে মানব সভ্যতা স্বরূপেই অবস্থান নেবে। টেলিভিশন কখনো সিনেমার বিকল্প নয়। বিশ্বের সর্বাধিক সিনেমার নির্মাতা দেশ ভারত। সেখানে টেলিভিশন দর্শক কমাতে ভূমিকা রাখেনি বরং টেলিভিশন ভারতের সিনেমাকে নানাভাবে সহায়তা করছে। একটি সিনেমার প্রমোশনে টেলিভিশন বড় ধরনের ভূমিকা রাখছে। ট্রেলার, সাক্ষাৎকার, সিনেমাটির বিহাইন্ড দ্য সিন, গানের ছায়া দৃশ্য নানাভাবে দর্শকদের আগ্রহ সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখছে। একটি সদ্য রিলিজ করা সিনেমার টিভি রাইট দেয়া হয় দুই বছর বয়সী হলেই। ভারতের প্রযোজক গিল্ডের এই সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে পালন করা হয়।

একটি পরিপূর্ণ পরিকল্পনা নেয়ার সময় হয়ে গেছে চলচ্চিত্র নিয়ে। একদিকে তিনশ সংসদীয় আসনে তিনশ সিনেপ্লেক্স তৈরি করা অন্যদিকে ভালো সিনেমা তৈরির উদ্যোগ। সরকারের কাছে বিশেষ করে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলচ্চিত্র নিয়ে বিশেষ নজরের আকাক্সক্ষা রয়েছে চলচ্চিত্র শিল্পের সবার। তিনি ইতোমধ্যে সিনেমা হল উন্নয়নের জন্য চলচ্চিত্রের জন্য কয়েকশ কোটি টাকার তহবিল গঠন করে দিয়েছেন। তাতে আশা জেগেছে আমাদের নেত্রী আমাদের ঘুরে দাঁড়াতে পথ দেখাবেন। চলচ্চিত্রের আঁতুড়ঘর এফডিসি বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া। চলচ্চিত্রের যে কোনো সংকটে জননেত্রী হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, এর নজির রয়েছে অসংখ্য। নানা কারণে ভালো প্রযোজকরা সিনেমা থেকে দূরে সরে গেছেন। সব পক্ষের মধ্যেই সংকট নাড়া দিয়েছে, সব পক্ষই নিজেদের মধ্যে মতবিনিময় করছেন। সবাই একটি ঐকমত্য পোষণ করেন যে সিনেমা দেখার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে, সময়ের ব্যবধানে সিনেপ্লেক্সই হতে পারে পরিবেশ ফিরিয়ে আনার একমাত্র মাধ্যম।

প্রদর্শক সমিতির হিসাবে ১৬ কোটি মানুষের দেশে সিনেমা হল সচল রয়েছে ৬২টি। দুই বছর আগে এই সংখ্যা ছিল ২৬০টি। দেশের ২৫টি জেলায় এখন সিনেমা হলের অস্তিত্বই নেই। এ থেকেই সংকটটির ভয়াবহতা অনুমান করা যায়। চলচ্চিত্রের সঙ্গে জড়িত সব পক্ষের কাছে আহ্বান রাখতে চাই- হাজার মানুষের রুজির ব্যবস্থা করছে চলচ্চিত্র, এই চলচ্চিত্র শিল্প বন্ধ হয়ে গেলে বেকারত্বের সঙ্গে সঙ্গে বাংলা ও বাঙালি সংস্কৃতির চর্চার শূন্যতা সৃষ্টি হবে। আসুন সবাইকে নিয়ে চলচ্চিত্র বাঁচানোর পথ খুঁজি, সরকারের কাছে দাবি তুলি ন্যূনতম তিনশ সংসদীয় আসনে তিনশ সিনেপ্লেক্স গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়ে প্রায় কোমায় যাওয়া বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জন্য অক্সিজেন জোগান।

হাবিবুল ইসলাম হাবিব : চলচ্চিত্র পরিচালক-প্রযোজক; সভাপতি, বাংলাদেশ ফিল্ম এন্ড মিডিয়া সোসাইটি।

এমআই

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়