‘অপ্রত্যাশিতভাবে পুরস্কারটা পেয়েছি’

আগের সংবাদ

‘তবুও তরী বাইতে হবে’ জাতীয় নারী সম্মেলন

পরের সংবাদ

নগর কৃষি নীতিমালা প্রণয়নের তাগিদ

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩০, ২০২১ , ৮:৪৯ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২১ , ৮:৪৯ অপরাহ্ণ

প্রতিবছর পর্যাপ্ত পরিমাণ সবজি ও ফল গ্রহণ করানো সম্ভব হলে ২ দশমিক ৭ মিলিয়ন মানুষের জীবন রক্ষা করা সম্ভব হবে। বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম সবজি এবং ফলমুল উৎপাদনকারী দেশ হলেও, এখানে জনগোষ্ঠী প্রয়োজনের তুলনায় কম তাজা-ফল ও শাক সবজি গ্রহণ করছে। তাজা ফল ও শাকসবজি গ্রহণের সাথে প্রাপ্তি ও দামের একটি নিবীড় সম্পর্ক রয়েছে। নগরে তাজা ফল ও শাকসবজির যোগান নিশ্চিতে নগর কৃষি নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি বলে মত প্রকাশ করেন বিশেষজ্ঞরা।

শনিবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধায় ‘নগরে স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য নিশ্চিতে সহায়ক নীতি গ্রহণে করণীয় শীর্ষক শিরোনামে এক ওয়েবিনারে দেশের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এ মত প্রকাশ করেন। আর্ক ফাউন্ডেশন, সেন্টার ফর ল অ্যান্ড পলিসি অ্যাফেয়ার্স (সিএলপিএ), ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও মেয়র এলায়েন্স ফর হেলদি সিটি’র যৌথ উদ্যোগে এ ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ওয়েবিনারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক ও আর্ক ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী অধ্যাপক ড. রুমানা হকের সভাপতিত্বে আলোচক ছিলেন, রংপুর সিটি মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, মানিকগঞ্জ পৌরসভার মেয়র গাজী কামরুল হুদা সেলিম, ধামরাই পৌরসভার মেয়র গোলাম কবির, সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আব্দুর রশিদ ডাবলু, গাইবান্ধা ১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী। ওয়েবিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিএলপিএ এর সেক্রেটারি সৈয়দ মাহবুবুল আলম।

বক্তারা বলেন, অসংক্রামক রোগ সারা বিশ্বে প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যুর অন্যতম কারণ। বাংলাদেশেও এটি ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে। কারণ বর্তমানে দেশে ৬৭ শতাংশ মৃত্যুর কারণ অসংক্রামণজনিত রোগ। এসডিজির লক্ষ্য বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে অসংক্রামক রোগজনিত মৃত্যু ৩০ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে।

তারা আরো বলেন, অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণে উৎসাহী করতে ফল, সবজি গ্রহণে উৎসাহী এবং ট্রান্সফ্যাট, অতিরিক্ত চিনি, লবণ গ্রহণে নিরুৎসাহিত করতে সচেতনতা, পুষ্টি সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক মানদন্ড প্যাকেটে যুক্ত করা, খাদ্যে লবণ গ্রহণে নিরুসাহিত করা, উচ্চ কর আরোপ, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং বিঞ্জাপন বন্ধ করার পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। স্বাস্থ্যকর খাদ্য উৎপাদনের জন্য ভর্তুকি এবং কর হ্রাস একটি কার্যকর উপায়। স্বাস্থ্যকর খাদ্যের ফুড সাপ্লাই চেইনের আইন ও সাহায়ক নীতি প্রণয়ন, সংশোধন, পরিমার্জন করা না হলে জনগণের কাছে সুফল পৌঁছে দেয়া সম্ভব নয়।

বক্তারা, নগরে ছাদ কৃষি কৃষির জন্য নিজের কর্মএলাকায় গাইড লাইন প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন, ছাদ কৃষিতে উৎসাহ করতে নাগরিকদের প্রণোদনা প্রদান, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব জায়গায় ফসল উৎপাদনের উদ্যোগ গ্রহণ, নগরের আশে পাশে হতে সহজে এবং কম খরচে যেন মালামাল নিয়ে আসতে পারে তার জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, নগরে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী (হকার,ফেরিওয়ালা,কৃষকদের) বসার ও বিক্রয়ের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, জাতীয়ভাবে নগর কৃষি নীতিমালার প্রণয়নের জন্য সম্মিল্লিতভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করার সুপারিশ করেন।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়