সিংগাইরে ২৭ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পায়নি বিজয় ফুল উৎসবের অর্থ বরাদ্দ

আগের সংবাদ

বাউফলে ব্রিজ উদ্বোধনের আগেই অ্যাপ্রোচ সড়কে ফাটল

পরের সংবাদ

যারা সমালোচনা করে তারাও আসুক, টিকা নিয়ে বেঁচে থাকুক: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৭, ২০২১ , ৪:৪৬ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ২৭, ২০২১ , ৭:৩২ অপরাহ্ণ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা ভ্যাকসিন নিয়ে নানা কথা বলে, তাদের কাছ থেকে হয়তো মানুষ কোনো উপকার পায় না। কিন্তু তারা সব কিছুতেই সমালোচনা করবে। আমিও চাই তারা আসুক। তারাও ভ্যাকসিন নিয়ে বেঁচে থাকুক। তারা যদি বেঁচে না থাকে তাহলে সমালোচনাটা করবে কে? তাদের সমালোচনা যতো হয়েছে, আমরা ততো বেশি কাজ করার উৎসাহ পেয়েছি।

বুধবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালে ভ্যাকসিন ট্রায়াল ভার্চুয়ালি উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় ফ্রন্টলাইন যোদ্ধা ৫ জনকে টিকা প্রয়োগের মাধ্যমে উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনার ভ্যাকসিন দেশে আসা নিয়েও অনেকে সমালোচনা করবে। পত্র পত্রিকা খুললেই দেখবেন, এক ধরনের মানুষ আছে যাদের কিছুই ভালো লাগে না। এই ‘কিছুই ভালো লাগে না’ রোগের কোনো ভ্যাকসিন আছে কি না তা আমার জানা নেই। ভ্যাকসিন আসবে কি আসবে না। আসলেও কতো দাম হবে। এসব প্রশ্ন নিয়ে তারা ব্যস্ত থাকে।

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বলেন, আমরা সময় মতো ভ্যাকসিন আনতে পেরেছি এবং তা প্রয়োগের মাধ্যমে আজকে দেশের মানুষকে সুরক্ষা দিতে সক্ষম হব। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল দেশের প্রান্তিক মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা। আমরা সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা যখন দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছি। দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। ঠিক এমন সময় করোনার উদ্ভব হলো। কোনো দেশ এর কবল থেকে বাদ যায়নি। এমন একটা সময়ে ভাইরাসটি আক্রমণ করেছ, এর কোনো প্রতিকার নেই। তবুও আমরা চেষ্টা করেছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভ্যাকসিন আসার সঙ্গে সঙ্গে ভ্যাকসিন কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন নিয়ে যখন ভারতীয় সিরাম ইনস্টিটিউট কোম্পানি আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলো, আমরা তখন বললাম যত দ্রুত পারেন আমাদের ভ্যাকসিন দেবার ব্যবস্থা করুন। আরেকটি ব্যাপার হচ্ছে ভ্যাকসিনের জন্য টাকা। আমি ভ্যাকসিনের জন্য আগ থেকেই এক হাজার কোটি টাকা আলাদা করে রেখেছিলাম।

করোনার সময়ের ভয়াবহতার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনার সময়ে ভয়ে নিজের আত্মীয়, নিজের পরিবারের মানুষও এগিয়ে আসেনি। সে সময় ডাক্তাররা এগিয়ে এসেছিল মানুষের পাশে দাঁড়াতে। দেশের জন্য পুলিশ, সেনাবাহিনী, ডাক্তার এরা যেভাবে কাজ করেছে, তেমনই আমি আওয়ামী লীগকে নির্দেশ দিয়েছিলাম মানুষের পাশে দাঁড়াতে। মানুষের জন্য কাজ করতে। তারাও কাজ করেছে। এজন্য আমি সকলকে ধন্যবাদ জানাই।

এমআই

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়