বাংলাদেশের চেয়ে কম বয়সী ৫৯টি রাষ্ট্র

আগের সংবাদ

রাত পোহালেই ৭০ হাজার পরিবারকে ঘর দেবেন প্রধানমন্ত্রী

পরের সংবাদ

টিকার সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা হোক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২২, ২০২১ , ১০:৩৪ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২১ , ১০:৩৬ অপরাহ্ণ

আশার খবর হলো ভারত সরকারের উপহার হিসেবে পাঠানো অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার ২০ লাখ ডোজ বাংলাদেশে এসেছে। এ ছাড়া আগামী সোমবার ভারত থেকে কেনা টিকার প্রথম চালানের ৫০ লাখ ডোজ আসার কথা রয়েছে। এরপর ২৭ অথবা ২৮ জানুয়ারি রাজধানী ঢাকার একটি করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে আনুষ্ঠানিকভাবে পর্যবেক্ষণমূলক টিকাদান শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। টিকার পাওয়ার মধ্য দিয়ে আমরা একধাপ অতিক্রম করেছি। সঠিক ব্যবস্থাপনায় টিকা বণ্টন নিশ্চিত করতে হবে। এ মুহূর্তে যেহেতু পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ একটাই সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, ফলে ভ্যাকসিনের সুষম বণ্টনের দিকে নজর রাখা জরুরি। কারণ করোনার ভ্যাকসিন প্রস্তুত, এর কার্যকারিতা এবং সুষ্ঠু বণ্টনের ওপর নির্ভর করছে করোনার ভবিষ্যৎ। পুরো পৃথিবীর মানুষ একটি টিকার জন্য অধীর আগ্রহে আছে। আমরাও এর বাইরে নই। টিকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নিয়ে নেতিবাচক খবর দেখছি। এসব নিয়ে শঙ্কাও তৈরি হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলছেন, কারা টিকা পাবে তার একটি গাইডলাইন প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের নেতৃত্বে একটি জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। ১৮ বছরের নিচের কাউকে টিকা দেয়া হবে না। এ ছাড়া গর্ভবতী মহিলা ও হাইরিস্কেরি রোগীদের টিকা দেয়া হবে না। এ হিসাবে ৪০ শতাংশ মানুষ টিকার আওতায় আসবে। বড় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত থেকে সরকারের প্রটোকল মেনে টিকাদান কার্যক্রম চালাতে পারবে। সর্বপ্রথম বাছাই করা স্বাস্থ্যকর্মী, সাংবাদিকসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মোট ২০ থেকে ২৫ সদস্যকে এ টিকা দেয়া হবে। ব্যাপক হারে টিকাদান কার্যক্রম শুরুর আগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল এবং বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে টিকা দিয়ে সাত দিন পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। এরপর গণটিকাদান শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ টিকাদান কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। করোনা ভাইরাস হলো বৈশ্বিক অতিমারি। এটি একটি বৈশ্বিক সমস্যা। তাই বিশ্বকে এর সমাধানে একসঙ্গেই কাজ করতে হবে। ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রেও তাই। সব দেশ যেন ভ্যাকসিন পায় এবং জনগণকে করোনা ভাইরাসের হাত থেকে মুক্ত করতে পারে। আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যায় বাংলাদেশ অনেকটা স্টেডি অবস্থানে রয়েছে। ধনী ও গরিব রাষ্ট্রের পরিসংখ্যান না দেখে ভ্যাকসিনের সুষম বণ্টনের ব্যবস্থা করতে পারলে হয়তো পরিত্রাণ পাওয়া যাবে। আর যদি এই ভ্যাকসিন পাওয়ার ক্ষেত্রে ভ‚রাজনীতি জড়িয়ে পড়ে তাহলে তো ভ্যাকসিনের প্রাপ্যতা নিয়ে অনেক দেশকেই ভুগতে হবে। পৃথিবীর এ সংকটময় পরিস্থিতিতে বিশ্ব রাজনীতির শিকার হোক মানুষ- এমন অবস্থা যেন দেখতে না হয়। মানবিক এ বিপর্যয়ে কোভিড-১৯ টিকা যেন সবাই পায় তা নিশ্চিত করতে হবে।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়