টানা তৃতীয় সিরিজ জয়ের হাতছানি তামিমদের

আগের সংবাদ

টিকা পাঠানোয় মোদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধন্যবাদ

পরের সংবাদ

পারমিতা

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২১, ২০২১ , ১০:১৮ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২১ , ১০:১৮ অপরাহ্ণ

আমার বন্ধু পারভিনকে বলে গেছি, ও তোমার খোঁজ রাখবে। তোমাকে এ অবস্থায় রেখে যেতে আমার খুবই কষ্ট হচ্ছে, কিন্তু তবুও যাচ্ছি।” সবুজের কপালে মৃদু একটা চুম্বন করে বেরিয়ে আসলাম কেবিন থেকে। দায়িত্বরত সিস্টারদের সাথে কথা বলে আমি হোস্টেল হয়ে মেজ’পার বাসায় চলে আসলাম।
ঘরে ঢুকেই আমি হোঁচট খেলাম। মেজ’পা আর ভাইয়া গম্ভীর মুখে বসে আছে। মাসুম ওখানেই ছিলো, আমি ঢোকার পর মাসুম ঘর থেকে বেরিয়ে গেলো। মেজো দুলাভাই ঘরে ঢুকে বললেন, “তোমরা ভাই-বোন নিজেরা মিলে কথা বলে সিদ্ধান্ত নাও। আমি আসছি।” আমি বসলাম। ভাইয়াই প্রথম কথা বললেন, “পারমিতা আমরা তোমার উপর অনেক বিশ্বাস আর আস্থা নিয়ে এখানে পড়তে পাঠিয়েছিলাম; আমাদের প্রত্যাশা ছিলো তুমি মনোযোগ দিয়ে পড়ালেখা করবে এবং ডাক্তার হয়ে আমাদের কাছে ফিরবে।” আমি ভাইয়ার কথায় সংশয়ে পড়লাম, ভেতরে ভেতরে নিজেকে সামলে নিয়ে বললাম, “কিন্তু আমাকে কেনো ডেকে আনা হলো কলেজ থেকে?” ভাইয়ার চেহারায় সামান্য পরিবর্তন হলো না, ও দৃঢ়কণ্ঠে বললো, “ডেকে আনতে বাধ্য করেছো তুমি নিজে। কলেজে গেছো পড়তে, তা না করে তুমি দুস্থ মানুষের সেবায় ব্রতী হয়েছো!” আমি এবার কথা বলার সুযোগ পেয়েই বললাম, “দুস্থ মানুষের সেবায় ব্রতী হওয়া কি অপরাধ? আমরা তো মানুষের সেবার ব্রত নিয়েই ডাক্তারিবিদ্যা পড়তে শুরু করেছি।” এবার ভাইয়ার কণ্ঠে কঠোরতা স্পষ্ট হলো, “সেবার ব্রত খারাপ নয়, কিন্তু তাই বলে প্রকাশ্য দিবালোকে তুমি অসভ্যতা করতে পারো না!” মনে হলো ভাইয়া সবুজকে করা আমার চুম্বনকেই ইঙ্গিত করছে, আমিও কিঞ্চিত গলা চড়ালাম, “অসভ্যতা মানে কী? মানবসেবার নামে আমি কোনো অসভ্যতা করিনি!” ভাইয়া আরো কঠিন হলো, “এখান থেকে তোমার নামে অসভ্যতার বার্তা দিয়ে জামালপুরে কেনো ফোন যাবে?” আমি এবার চমকে উঠলাম, “কে ফোন করেছে জামালপুরে? কী বলেছে সে আমার নামে? কী অন্যায় করেছি আমি?” এবার ভাইয়া কিছুটা সরাসরি কথা বললো, “তুমি কি অস্বীকার করতে পারো, হাসপাতালে তুমি সবুজকে নিয়ে বাড়াবাড়ি কিছু করোনি?”
: বাড়াবাড়ি! একজন পরিচিত প্রিয় মানুষ, তার উপর মেজ’পার নিকট পড়শি, অসুস্থ হয়ে হাসপাতাল এ্যাডমিশান নিলো, তার জন্য কিছুটা সিরিয়াস হওয়া কি অন্যায়? সবুজ ভাইকে আমি পছন্দ করি, যখন তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন, তখন তার ব্যাপারে সিরিয়াস হওয়াটা অপরাধ কেন হবে?” এবার ভাইয়া আরও সিরিয়াস হলো, “তুমি এখন বড় হয়েছো; কোন্ কাজ করলে তোমার-আমার-আমাদের পরিবারের সম্মান নষ্ট হবে, কী করলে সম্মান বাড়বে, তা বোঝার বয়স হয়েছে; এমন কাজ কেনো তুমি করবে যা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে? যা নিয়ে সমাজের মানুষ তোমাকে নোংরা ভাববে?” আমিও দৃঢ়তার সাথে বললাম, “আমি এমন কোন কাজ করিনি, যা আমার বা আমার পরিবারের সম্মান নষ্ট করবে। ফোন করে যারা নালিশ করেছে, এটা তাদের সীমাবদ্ধতা! সবুজ ভাইকে যতœ দেয়া কখনোই অসম্মানজনক কাজ হতে পারে না! কিন্তু আমার কথা হলো, কে আমার নামে তোমার কাছে এ ধরনের কথা বলেছে? কী উদ্দেশ্য তার?” ভাইয়া কথা শেষ করতে চাইলো যেনো, “যে-ই বলুক, সে তোমার ভালোর জন্যই বলেছে। বিকালের জিএম ট্রেনে জামালপুর যাবো, তুমিও যাবে আমার সাথে।” আমি আপত্তি করলাম, “আমি কী-ভাবে যাবো? এখন আমার ক্লাস চলছে। আজও দু’টি ক্লাস মিস করলাম; যেতে হয় শনিবার ক্লাস শেষ করে যাই, রবিবার বিকেলে ফিরে আসবো। এখন প্রতিটি ক্লাস গুরুত্বপূর্ণ।” ভাইয়া আমাকে থামিয়ে দিল, “না! আজই যেতে হবে। আব্বা বলে দিয়েছেন, অবশ্যই যেনো তোমাকে সাথে নিয়ে যাই!” আমি আবার আপত্তি করলাম, “তা কী-করে সম্ভব ভাইয়া? আমি তো বাড়ি যাবার প্রস্তুতি নিয়ে আসিনি।” ভাইয়া এবার ধমকের সুরে বললো, “কোনো প্রস্তুতি লাগবে না! যে অবস্থায় আছো, সে অবস্থায়ই চলো!” মেজ’পা এতক্ষণ পুতুলের মতো গোল গোল চোখে তাকিয়ে বোবার মতো বসে ছিলো, এবার উঠে আমায় বললো, “আমার সাথে ভেতরে আয়।” আমি আর মেজ’পা ভেতরে চলে গেলাম। ভেতরে গিয়ে মেজ’পা আমায় ফিসফিস করে বললো, “তুই দিনের বেলায় সবার সামনে না-কি সবুজকে জড়িয়ে ধরেছিস?” আমি তর্ক জুড়ে দিয়ে বললাম, “সবার চোখের আড়ালে রাতের বেলা চুমা দিলে কি ঠিক হতো? আশ্চর্য, বেচারার অপারেশন হবে, কী-না কী হয়, আমি তাকে সাহস যোগাতে একটু জড়িয়ে ধরেছি, সেটা বড় অপরাধ হয়ে গেলো? আমার মনে যদি কোন অপরাধবোধ থাকতো, তাহলে নিশ্চয়ই কাজটা লোকচক্ষুর সমুখে করতাম না? যা হোক, বড় কথা হচ্ছে, সবুজকে আমি ভালোবাসি, তাই আমি ওকে প্রকাশ্যে জড়িয়ে ধরে শুভকামনা জানিয়েছি! ব্যস এরচেয়ে বেশিকিছু নয়।”

\৫\
বিকাল ৫.১০-এর জিএম ট্রেনে ভাইয়ার সাথে রওনা হলাম জামালপুরের দিকে। ট্রেনে দু’জনার মধ্যে একটা কথাও হলো না। আমি অবাক হচ্ছিলাম ভাইয়ার আচরণে, বিস্মিত হচ্ছিলাম আমার নিজের আচরণেও। কী-করে আমরা দু’জন দু’জনের সাথে কথা না বলে থাকছিলাম। আমাদের দু’জনের মধ্যে এতো মুখর এক সম্পর্ক ছিলো, যে কথা সবাই জানতো, আমাদের আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব সবাই আমাদের দুই ভাই-বোনের মুখর সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতো; অথচ আজ দু’জন একসাথে যাচ্ছি চুপচাপ ভাষাহীন নীরবতায়। গাড়িতে বসে সমস্ত পথ আমি সবুজকে নিয়ে ভাবলাম। সবুজ আমার কানে কোন মন্ত্র পড়েছিলো, কেনো আমি সবুজের জন্য অতটা আকুল হয়ে উঠলাম? এখন এই যে সবুজকে ছেড়ে এসেছি, সেজন্যে নিজেকে কেনো অতটা নিঃস্ব মনে হচ্ছে; কেনো নিজেকেই অপরাধী মনে হচ্ছে? আমি কি কোন ভুল করলাম সবুজকে একা ফেলে এসে? একাই বা ফেলে আসলাম কোথায়? ওর ভাই-বোন-আত্মীয়-স্বজন আছে, বন্ধুরা আছে, পারভিনকেও বলে এসেছি। তাহলে? কেন আমি অতটা দুঃশ্চিন্তা করছি? জ্ঞান ফিরে যখন সবুজ আমাকে খুঁজবে, তখন আমাকে না পেয়ে কী হবে ওর মনের অবস্থা? ভাবনার গভীরে আমি এতটাই ডুবে গিয়েছিলাম, যে গাড়ি কী গতিতে চলছিলো, অথবা ট্রেনের গতি পেছনের দিকে কী কী ফেলে এগোচ্ছিলো, কোনকিছুই খেয়াল করছিলাম না। ট্রেন-ভ্রমণে আমি সবসময়ই জানালায় পিছনের দিকে দৌড়ে চলা দৃশ্যাবলী দেখে আহ্লাদিত হই; কিন্তু আমাকে কোন দৃশ্যই আজ আকর্ষণ করছে না। আমি আজ সবুজের চিন্তায় মগ্ন হয়েই ছিলাম।
জিএম লোকাল ট্রেন প্রত্যেক স্টেশনেই থামবে আর যাত্রী ওঠা-নামা করবে, কিন্তু কিছুই লক্ষ করিনি আমি আজ, তবে এটা ঠিক বুঝতে পারছিলাম বিভিন্ন স্টেশনে যাত্রী নামছিলো বেশি, উঠছিলো কম; নান্দিনা পর্যন্ত যেতে আমাদের কামড়া প্রায় ফাঁকাই হয়ে গেল। ট্রেনের কামড়ায় কখন একটা থুত্থুরে বাতি জ্বলেছে আমি লক্ষ করিনি। সন্ধ্যা হবার পর খেয়াল করলাম কামড়ার মাঝামাঝি একটা বাতি নগ্ন তারে ঝুলে থেকে মৃদু আলো ছড়াচ্ছে; যেনো বৈদ্যুতিক তারে আটকে পড়া বাদুড়টি বাঁচার শেষ চেষ্টা করে যাচ্ছে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়েও। গাড়ির চলার গতির সাথে তাল মিলিয়ে বাতিটা দুলছিলো ক্রমাগত, একবার ভাবলাম, তার ছিঁড়ে পড়ে যাবে না-তো বাতিটা? ট্রেন প্রায় ফাঁকা হয়ে যাবার পর হঠাৎ তারে ঝুলন্ত বাতির দুলোনি খাওয়া মৃদু আলোয় লক্ষ করলাম আমাদের বিপরীত দিকে এক কোণায় দু’জন বসে বাদাম খাচ্ছে, তাদের দেখেই বোঝা যাচ্ছে, তারা নববিবাহিত স্বামী-স্ত্রী, যুগল ভ্রমণের ব্রীড়া এখনো কাটেনি মহিলার। ঘোমটার কারণে মহিলার মুখটা ভালো দেখা যাচ্ছে না, সঙ্গী লোকটির মুখ দেখা যাচ্ছে। আমি কয়েকবার তার মুখটি দেখতে চেষ্টা করলাম; কেনো যেনো লোকটিকে আমার খুব চেনা চেনা মনে হচ্ছিলো, কয়েকবার দেখার পরও তাকে মনে করতে পারলাম না। ঝুলন্ত বাতির কম্পমান মৃদু আলোয় কাউকে আবিষ্কার করা সহজও নয়। কী কারণে স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে হঠাৎ লোকটা দাঁত বের করে হাসলো, মুহূর্তে আমার মনে পড়ে গেল, এ তো সেই মানুষ, যে আমায় কিশোর বয়সে একটা চিঠি দিয়ে স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলো, আমি পৃথিবীর বাগানে এক বিকাশমান ফুলকুঁড়ি, হাসিটা আমার না-কি সুচিত্রা সেনের মতো? পাথালিয়ার সেই যুবকটি, যে আমায় ‘ইন্দ্রাণী’ নামে একদিন ডেকেছিলো। মনে পড়ছে চিঠিটা আমি দীর্ঘদিন নিজের কাছে সংরক্ষণ করেছিলাম, হয়তো আজও খুঁজলে কোথাও পেয়ে যাব। কী লেখা ছিলো সেই চিঠিতে? মনে করতে চেষ্টা করলাম, “ইন্দ্রাণী, তুমি যেনো এক দূরতর দ্বীপের আলো; মুগ্ধতা-বিস্ময় নিয়ে তোমাকে আমি বেসেছি ভালো; তুমিও কি আমায় ভালোবেসে ডেকে নেবে কাছে…” এমনি কী-সব। আমি কিছু বুঝেছিলাম, কিছু বুঝিনি; আজ মনে হচ্ছে, চিঠিটা বোধকরি জীবনানন্দ দাশের কবিতা থেকে চুরি করে লেখা। জীবনানন্দ দাশ-এর কথা মনে হতেই আমার ফের সবুজের কথা মনে পড়ে গেলো। সবুজ কথা বলার ফাঁকে কী চমৎকার করে কবিতা জুড়ে দেয়, “হায় চিল, সোনালি ডানার চিল, এই ভিজে মেঘের দুপুরে/ তুমি আর কেঁদো নাকো উড়ে-উড়ে ধানসিড়ি নদীটির পাশে……!” বুক ভেঙে আমার কান্না এলো, ওড়নার আঁচলে মুখ ঢেকে আমি নিঃশব্দে কাঁদছিলাম ভাইয়ার চোখ ফাঁকি দিয়ে। হঠাৎ লক্ষ করলাম, লোকটা যেনো আমাকে দেখিয়ে তার স্ত্রীকে কিছু বলছে! এক মুহূর্ত আমি বিচলিত হলাম, সামান্য অস্বস্তি বোধ হলো, পরক্ষণেই সামলে নিলাম নিজেকে। সবুজের কবিতার লাইন গুলো মনে পড়লো-
প্রখর রোদ্দুরে একখণ্ড মেঘ যেনো ছায়া দিয়ে গেল
কানে কানে প্রশ্ন করে গেল “এতোদিন কোথায় ছিলেন?”
তবে কি মেঘের ভিন্ননাম বনলতা সেন ছিলো একদিন?
ভেতরে যন্ত্রণা ছিলো যতো এতোদিন
মেঘবালিকার স্পর্শে হয়ে গেলো পলকে বিলীন!…..
আবার আমার বুক ভেঙে কান্না এলো। আমি নিজেকে সামলানোর চেষ্টা করছিলাম। ভাইয়া হয়তো আমার কান্নার শব্দ শুনে ফেললো। আমার কাঁধে হাত রেখে বললো, “কী হয়েছে তোমার?” আমি চোখ মুছে বললাম, “কিছু না।” “কিছু হয়নি তাহলে কাঁদছিস কেনো” ভাইয়ার কণ্ঠে স্নেহ শোনা গেল। এবার আমি সশব্দে কেঁদে ফেললাম।
আজ দুপুরে দেখা হবার পর থেকে ভাইয়া আমাকে ‘তুমি’ সম্বোধনে ডাকছিলো। কিন্তু কখনোই ও আমাকে ‘তুমি’ সম্বোধনে ডাকেনি। এখন আবার ‘তুই’ সম্বোধনে ডাকায় আমার কান্না ভারি হলো আরও।
গাড়ি যখন জামালপুর স্টেশনে তখন সাড়ে সাতটা বাজে। আমরা গাড়ি থেকে নেমে বাইরে যাবার জন্য পা বাড়ালাম, তখন পাথালিয়ার লোকটি এগিয়ে এসে, ভাইয়াকে বললো, “রুহুল ভাই আমাকে চিনতে পারছেন?” ভাইয়া একটু অবাক হয়ে বললো, “না, আমি তো আপনাকে চিনতে পারছি না?” লোকটি বললো, “আমার নাম সুমন, আমি পাথালিয়ায় থাকি। অনেক বছর আগে আমি আপনার সাথে দেখা করেছিলাম, আমি তখন রিফ্রিজেটর-এর মেকানিক ছিলাম। আমি মেকানিক ছিলাম বলে আপনি আমায় আমলে আনেননি। এখন আমি জামালপুরের সবচেয়ে বড় ইলেক্ট্রনিক্স দোকানের মালিক।” সুমনের কথায় ভাইয়া একটু বিরক্ত হলো, “এসব কথা আমাকে বলছেন কেনো?” সুমন নাছোড়, “বলছি, কারণ গরীব বলে সেদিন আপনি আমাকে আমলে আনেননি। কিছু মনে করবেন না রুহুল ভাই, অনেকদিন পর আপনাকে কাছাকাছি পেলাম বলে একবার নিমন্ত্রণ জানাতে চাই। গতমাসে আমি বিয়ে করেছি, এই আমার স্ত্রী রিজিয়া; আপনি যদি একদিন আমার বাসায় আসতেন, একবেলা চারটে ডালভাত খেতেন, খুশি হতাম। এই আমার কার্ড।” সুমন, ভাইয়ার হাতে একটা ভিজিটিং কার্ড ধরিয়ে দিলেন। একটা কার্ড আমাকেও দিলেন, “আপনিও আসবেন প্লিজ। আপনারা এলে জীবনের একটা নতুন গল্পের সন্ধান পেতেও পারেন। হয়তো জীবন সম্পর্কে নতুন একটা সিদ্ধান্তও নিতে পারেন।” আমরা অবাক বিস্ময়ে দেখছিলাম সুমনকে। সুমন আবার বললেন, “আসলে আমার আপনাদের কাছে একটু কৃতজ্ঞতা জানাবার আছে।” সুমন আর দাঁড়ালো না, স্ত্রীকে নিয়ে বেরিয়ে গেল স্টেশান থেকে।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়