টোটার পরিবর্তে ফেলুদা হয়ে মঞ্চে ইন্দ্রাশিস

আগের সংবাদ

‘একজন কৃষ্ণাঙ্গ নারী ভাইস প্রেসিডেন্ট, এটাই যুক্তরাষ্ট্র’

পরের সংবাদ

মতি মধুর টিম শ্রীনগরের সরিষা ক্ষেতে

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২০, ২০২১ , ১:০০ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২১ , ১:০০ অপরাহ্ণ

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে সরিষা ক্ষেতে মৌ চাষীর আগমন ঘটছে। অন্যান্য বছর এই অঞ্চলে একাধিক মধু চাষীর আগমন ঘটলেও এবছর অন্য কোনও মধু চাষীকে আসতে দেখা যায়নি। কারণ হিসেবে জানা যায়, আগাম সরিষার চাষাবাদ অনেকাংশে কমে যাওয়ায় এখানে আসতে মৌ চাষীর আগ্রহ নেই। তবে কিছুটা বিলম্ব হলেও প্রতিবছরের ন্যায় ঢাকার মতি মধু নামে মধু উৎপাদনকারী ৫/৬ জনের একটি টিম আসতে দেখা গেছে। উপজেলার কেসি রোডের বীরতারা এলাকার সাতগাঁও বিস্তীর্ণ সরিষা ক্ষেতে তারা খাঁটি মধু সংগ্রহ করতে তাঁবু টাঙিয়েছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সরিষা ক্ষেতে পাশে একটি খালি জমিতে সাঁড়িবদ্ধভাবে মৌ মাছির বাক্সগুলো বসানো হয়েছে। বাক্সের আশপাশে মৌমাছির দল মধু আহরণে ছুটাছুটি করছে। পুরো বিলটি হলুদের সমারহ। মধু সংগ্রহকারী কর্মীরা বাক্স ও মৌ মাছির পরিচর্যা করছেন। ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। অনেকেই আসছেন খাঁটি মধু সংগ্রহ করতে। কেউ কেউ ঘুরে মৌ মাছির মধু আহরণের দৃশ্য। আবার শীতের বিকালে বিস্তীর্ণ হলুদের সমারহ উপভোগ করতে অনেকেই আসছেন এখানে।

মতি মধু সংগ্রহকারী টিমের মো. মাসুদ বলেন, প্রায় এক মাস যাবত এখনে আসছেন। তিনি এই কাজে ৯ বছর যাবত কর্মরত। পুরান ঢাকায় মতি মধুর সংরক্ষণাগার (অফিস) রয়েছে। মধু সংগ্রহে সুপার মৌ বাক্স ও সিঙ্গেল ব্রট মৌ বাক্স নামে মোট ৩৮টি মৌ মাছির বাক্স এখানে পাতা হয়েছে। প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার এসব বাক্স থেকে মধু কালেশন করেন। প্রতি সপ্তাহে ৬/৭ মন মধু উৎপাদন হচ্ছে। সরিষার খাঁটি মধুর চাহিদা থাকায় ক্ষেত থেকেই বেশিরভাগ মধু বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। প্রতি কেজি মধু খুচরাভাবে বিক্রি করা হচ্ছে ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকায়। এছাড়াও অতিরিক্ত মধু তাদের ঢাকার অফিসেও পাঠানো হচ্ছে।

খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, সরিষার আবাদ কম হওয়ায় অন্যান্য বিলে মৌ চাষীরা মধু উৎপাদণ করতে আসেননি। মতি মধু ছাড়াও গত বছর আরো কয়েকজন মধু চাষীর আগম ঘটেছিল। জানা যায়, এই অঞ্চলে অসময়ে বৃষ্টি ও জমিতে জলাবদ্ধতার কারণে আগাম সরিষা চাষাবাদে কৃষক বিলম্বনায় পরার পাশাপাশি নানা প্রতিকূলতার কারণে কৃষক এ চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় এ বছর সরিষার চাষ করা হচ্ছে ২৭০ হেক্টর জমিতে। গত বছরের তুলনায় প্রায় ১০০ হেক্টর কম জমিতে। এ বছর সরিষা চাষে উপজেলায় সরকারিভাবে প্রর্দশনী রয়েছে ৫০টি। এখানে মৌ চাষীদের সরকারিভাবে আর্থিক সহযোগিতা করা না হলেও তাদেরকে পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে মতি মধু সংগ্রহকারী টিমকে পরীক্ষামূলক ২টি সুপার মৌ বাক্স দেওয়া হয়েছে।

পিআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়