দ্রুত এইচএসসির ফল দিতে সংসদে ৩ বিল

আগের সংবাদ

পৃথিবীর সব থেকে বড় রোগের নাম হচ্ছে ক্ষুধা রোগ

পরের সংবাদ

সরকারের গ্যাস বিল বাকি ৯ হাজার কোটি টাকার বেশি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৯, ২০২১ , ২:৪৪ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২১ , ২:৪৪ অপরাহ্ণ

বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, দেশের ছয়টি বিতরণ কোম্পানির বর্তমানে বকেয়া গ্যাস বিলের পরিমাণ নয় হাজার ১৯ কোটি ৪ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে সরকারি দলের আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে এতথ্য জানান তিনি। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

সংসদে উপস্থাপিত প্রতিমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, সব চেয়ে বেশি বকেয়া তিতাসের। তাদের বকেয়া বিলের পরিমান ছয় হাজার ৬৭৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এছাড়া বাখরাবাদ গ্যাস কোম্পানির বকেয়া ৬৯৬ কোটি ৮১ লাখ, কর্ণফুলীর ৮৪৪ কোটি ৯৫ লাখ, জালালাবাদের ৪৮৩ কোটি ৩২ লাখ, পঞ্চিমাঞ্চলের ১৯৫ কোটি ১৯ লাখ এবং সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানীর ১২০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।

এই সংসদ সদস্যের অপর এক প্রশ্নের জবাবে জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী গত ১০ বছরে তিতাস গ্যাসের সিস্টেম লসের তথ্য তুলে ধরেন। প্রতিমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, ২০১২-১৩ অর্থ বছরে সিস্টেম প্রায় শূণ্যের কোটায় নেমে এলেও আবার বেড়েছে। ১০বছরের মধ্যে সব চেয়ে বেশি সিস্টেম লজ হয়েছে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে। ওই অর্থ বছরে তিতাসের ৫ দশমিক ৭১ শতাংশ সিস্টেম লস হয়।

প্রতিমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী ২০০৯-১০ অর্থ বছরে ২ দশমিক ১৪ শতাংশ, ২০১০-১১ অর্থ বছরে ১ দশমিক ৮২ শতাংশ, ২০১১-১২ অর্থ বছরে ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ, ২০১২-১৩ অর্থ বছরে শূণ্য দশমিক ০৩ শতাংশ, ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে শূণ্য দশমিক ৩২ শতাংশ, ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে ৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ, ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ২ দশমিক ৮১ শতাংশ, ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ১ দশমিক ৩৫ শতাংশ, ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ১ দশমিক ১৭ শতাংশ, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ৫ দশমিক ৭১ শতাংশ এবং ২০১৯-২০ অর্থ বছরে ২ শতাংশ সিস্টেম লজ হয়েছে।

পিআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়