রাষ্ট্রপতির ভাষণের মধ্যদিয়ে শীতকালীন অধিবেশন শুরু সোমবার

আগের সংবাদ

বর্জনের হিড়িকে পিঁছু হটল হোয়াটসঅ্যাপ

পরের সংবাদ

ছিন্নমূলদের পাশে কম্বল নিয়ে পঞ্চগড়ের ডিসি সাবিনা ইয়াসমিন

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৭, ২০২১ , ৩:৪৪ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২১ , ৩:৪৪ অপরাহ্ণ

পঞ্চগড়ে মাঘের শুরুতেই শুরু হয়েছে হাড় কাঁপানো শীত। কনকনে শীতে শীতবস্ত্রের অভাবে দুর্ভোগে পড়েছেন ছিন্নমূল ও দুস্থ শীতার্ত মানুষেরা। এসব অসহায় মানুষদের শীতের প্রকোপ লাঘবে গভীর রাতে কম্বল নিয়ে তাদের পাশে গিয়ে দাড়ালেন পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক ড. সাবিনা ইয়াসমিন। গত শনিবার রাতের আধাঁরে পঞ্চগড় বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম রেল স্টেশনের ছিন্নমূল মানুষ সহ বিভিন্ন এলাকার শীতার্তদের কাছে গিয়ে কম্বল পরিয়ে দেন তিনি। এসময় জেলা প্রশাসকের সাথে যোগ দেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার সাদাত সম্রাট ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আব্দুল মান্নান, পঞ্চগড় প্রেস ক্লাবের সভাপতি সফিকুল আলম প্রমুখ।

গত শনিবার রাত ১০ টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে কয়েকশ শীতের কম্বল নিয়ে প্রথমে পঞ্চগড় সিরাজুল ইসলাম রেলস্টেশনে যান জেলা প্রশাসক ড. সাবিনা ইয়াসমিন। স্টেশনের প্লাটফর্মে অবস্থানকারী শীতার্তদের গায়ে তিনি নিজে কম্বল জড়িয়ে দেন। পরে রেল স্টেশনের প্রধান ফটকের সামনে দেখা রিক্সাভ্যান ও অটোবাইক চালকসহ স্থানীয় দুস্থদের মাঝে তিনি কম্বল বিতিরণ করেন। এরপর তিনি জেলা শহর হয়ে তুলারডাংগা মহল্লা এবং পাশের আশ্রয়ন প্রকল্প মুজিবনগরের শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন।

পঞ্চগড় সিরাজুল ইসলাম রেলস্টেশনের শীতকাতর আমেনা বেগম (৫০) বলেন, ‘আমি সকালের ট্রেনে মৌলভীবাজার যাব। স্টেশনেই ঘুমানোর চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু প্রচন্ড শীতে ঘুম ধরছিল না। জেলা প্রশাসক আপা আমার গায়ে কম্বল জড়িয়ে দিল। এখন মনে হচ্ছে ঘুমাতে পারবো।

জেলা প্রশাসক ড. সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, পঞ্চগড় শীতপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। প্রায় দশ লাখ জনগোষ্টির এই জনপদে এখন পর্যন্ত সরকারি বেসরকারিভাবে ৪০ হাজারের মত শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া শীতের কম্বলের জন্য বরাদ্দ পাওয়া ৩০ লাখ টাকার মধ্যে পাঁচ উপজেলায় ৬ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই টাকা দিয়ে কম্বল ক্রয় করে উপজেলা পর্যায়ে ইতিমধ্যে বিতরণ সম্পন্ন করা হয়েছে। এর বাইরেও বিভিন্ন ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন স্থানে প্রতিদিন কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে। এলাকার কেউ যেন শীতে কষ্ট না পায় সেই চেষ্টা আমাদের অব্যাহত রয়েছে।

পিআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়