সিংগাইরে অগ্নিকাণ্ডে কোটি টাকার ক্ষতি, দগ্ধ ২

আগের সংবাদ

কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন করেছে ইমো

পরের সংবাদ

একুশে গ্রন্থমেলা ভার্চুয়ালি নয়, সরাসরি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৭, ২০২১ , ৬:৩৬ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২১ , ৬:৫৯ অপরাহ্ণ

মহামারীর কারণে পিছিয়ে যাওয়া চলতি বছরের অমর একুশে গ্রন্থমেলা ভার্চুয়ালি নয়, সরাসরিই হবে; তবে সেই তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি, ৭ মার্চ অথবা ১৭ মার্চ থেকে থেকে বইমেলা শুরু করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি প্রস্তাব পাঠানো হবে বলে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ জানিয়েছন।

রবিবার (১৭ জানুয়ারি) গ্রন্থমেলার আয়োজক বাংলা একাডেমি এবং বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে বা টিকা দেওয়া শুরু হলে আমরা কীভাবে দ্রুত সময়ে বইমেলা শুরু করতে পারি, সেই প্রস্তুতি নেওয়া জন্য আমাদের আজকের এই বৈঠক ছিল। “বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, বইমেলা সরাসরি হবে, ভার্চুয়াল বইমেলা নয়। তবে সময়টা আমরা এখনও নির্ধারণ করতে পারিনি।” কে এম খালিদ বলেন, পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকেই বইমেলা শুরু করার ভাবনা তাদের ছিল, কিন্তু বাস্তবতা বিবেচনায় তা সম্ভব হচ্ছে না।

“আমরা প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি ওপেন প্রস্তাব পাঠাব; ২০ ফেব্রুয়ারি , ৭মার্চ , ১৭ মার্চ থেকে বইমেলা শুরু করা যায় কিনা। কেননা ১২ এপ্রিল থেকে রোজা শুরু হয়ে যাবে। রোজার আগেই আমরা বইমেলা শেষ করতে চাই।”

২০ ফেব্রুয়ারি থেকে বইমেলা শুরু করা সম্ভব কি না- এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “কোভিড নিয়ন্ত্রণে এলে বা ভ্যাকসিন চলে এলে ওই সময়ে বইমেলা শুরু করা সম্ভব। যদিও একটু কঠিন হবে। কোভিড নিয়ন্ত্রণে না এলে মেলা নিয়ে অনিশ্চয়তাও রয়েছে।

“এখনও অনিশ্চয়তার মধ্যেই আছি আমরা। তবে কোভিড খানিকটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আমরা আশাবাদী, শিগগিরই এটা আরও নিয়ন্ত্রণে আসবে। তখন আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে বই মেলার আয়োজনের চেষ্টা করব।” প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রকাশরা মার্চের মধ্যেই বইমেলা সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন, তা না হলে বৈরি আবহাওয়া এবং রোজা শুরু হয়ে যাওয়ার বিষয় থাকে।

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী বলেন, “সম্ভাব্য তিনটি তারিখের সাথে আমরা একমত। এখন ২০ ফেব্রুয়ারি শুরু করা যায় কিনা, সেটা নির্ভর করে প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার বা সম্মতির উপরে। “বইমেলার সাথে বাংলা একাডেমি, সংস্কৃতির মন্ত্রণালয় ও প্রকাশকরা জড়িত থাকলেও এবছর অন্যান্য মন্ত্রণালয়গুলোও বিশেষভাবে যুক্ত হয়ে আছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিলে আমরা বিশেষ ব্যবস্থাপনায় চেষ্টা করব একুশের চেতনাকে ধরে ২০ ফেব্রুয়ারিতে মেলাটা শুরু করার। এটি আমাদের জন্য কষ্টকর হলেও সার্বিক বিবেচনায় আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। সবকিছুই নির্ভর করবে পারস্পারিক সমঝোতার উপরে।”

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়