শরীয়তপুর পৌরসভায় নৌকার প্রার্থীর জয়

আগের সংবাদ

ধর্ষণ মহামারির ভ্যাকসিন কবে আসবে?

পরের সংবাদ

গাইবান্ধায় নির্বাচনী সংঘর্ষে পুলিশ, র‌্যাবসহ আহত ২০

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৬, ২০২১ , ১০:৩২ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২১ , ১০:৩২ অপরাহ্ণ

গাইবান্ধায় ফলাফল না দিয়ে ব্যালট পেপার নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এমন খবরে উত্তেজিত এলাকাবাসীর সাথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৫ সদস্য আহত হয়েছে কমপক্ষে ২০ জন।

জানা যায়, গাইবান্ধা পৌরসভার পূর্ব কোমরনই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের ব্যালট গননা না করে ব্যালট বাক্স র‌্যাবের একটি দল গাড়িতে উঠানোর চেষ্টায় উত্তেজিত জনতা নির্বাচনী সরঞ্জাম আটকে দেয়। এক পর্যায়ে আইন শৃংখলা বাহিনীর সাথে উত্তেজিত জনতার সাথে সন্ধ্যা ৬টা থেকে ২ ঘন্টাব্যাপী ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইন শৃংখলা বাহিনী অন্তত ৫০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে ও বেশ কিছু রাবার বুলেট এবং টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। এসময় একজন মেয়র প্রার্থীর স্ত্রী, তিনজন মহিলা, একজন পুলিশ সদস্য, একজন ফায়াঁর সার্ভিস কর্মি ও দুইজন র‌্যাব সদস্য, ফায়ার সার্ভিসের দুই সদস্যসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়। ভয়ে আশপাশের লোকজন বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়। উত্তেজিত জনতা নির্বাচনী সরঞ্জাম পরিবহন কাজের একাধিক গাড়িতে আগুন দেয়। এছাড়া র‌্যাবের দুটি, পুলিশের একটি ও জুডিশিয়াল মেজিষ্ট্রেটের একটি গাড়ি ভাংচুর করে তারা।

একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত ছিল সকল ভোট কেন্দ্রে ভোট গননা শেষে স্ব স্ব প্রার্থী বা তার এজেন্টের কাছে ফলাফল বুঝে দিয়ে আসতে হবে। স্থানীয়দের অভিযোগ পূর্ব কোমরনই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে নিরাপত্তা নেই এমন অযুহাতে ভোট গননা না করে র‌্যাবের একটি দল ব্যালট বাক্স নিয়ে আসার জন্য প্রিজাইডিং অফিসারসহ সংশ্লিষ্টদের চাপ দেয়। তারা ব্যালট বাক্স গাড়িতে উঠালে জনতা তাতে বাধা দেয়। উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে র‌্যাব লাটিচার্জ করে। পরে পুলিশ টিয়ারসেল ও রাবার বুলেট ছুড়লে উত্তেজিত জনগণের সাথে র‌্যাব, পুলিশসহ আইন শৃংখলা বাহিনীর সংঘর্ষ বাধে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ও আইন শৃংখলা বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে তারা ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম ও কর্মকর্তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

পুলিশ সুপার মোঃ তৌহিদুল ইসলাম সংঘর্ষের কথা স্বীকার করে বলেন, পরিকল্পিতভাবে উশৃঙ্খল জনতা পরিকল্পিতভাবে র‌্যাবের গাড়ি ভাংচুর করার চেষ্টা করে। এতে র‌্যাব ও পুলিশ সদস্যরা বাধা দেয়। পরবর্তীতে উশৃঙ্খল জনতা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের একটি গাড়ি ভাংচুর করে এবং পুলিশের রিকুইজিশন করা একটি লেগুনাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পুলিশ সুপার আরও বলেন, এই ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়