সময় এসেছে যুক্তিবাদী সিদ্ধান্ত নেয়া এবং প্রয়োগের

আগের সংবাদ

প্রশাসনকে দায়িত্বশীল হতে হবে

পরের সংবাদ

নির্বাচন নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত চলছে: কাদের মির্জা

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৪, ২০২১ , ১০:০৫ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০২১ , ১০:০৫ অপরাহ্ণ

নির্বাচন নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত ও রং লাগানোর অপচেষ্টা চলছে মন্তব্য করে নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ভাই আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, আমাদের প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের জন্য নোয়াখালীর এমপি, ফেনীর এমপি এক কোটি টাকা পাঠিয়েছেন। এখানে শুধু আমার বিরুদ্ধে নয়, আমার কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধেও চক্রান্ত চলছে। ভোটারদের টাকা দিচ্ছে কাউন্সিলরদের মাধ্যমে।

বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট রুপালি চত্বরে আয়োজিত নির্বাচনী শেষ সমাবেশে কাদের মির্জা এসব কথা বলেন।

সমাবেশে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খানসহ আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আবদুল কাদের মির্জা বলেন, আমার স্পষ্ট কথা, আমি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবো। ভোট জালিয়াতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবো। আমি শপথ করলাম, আমি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবো। আমি এক ভোট পেলেও অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। প্রমাণ করে দিতে চাই গণতন্ত্র কি জিনিস, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন কি জিনিস। আমি সাহস করে সত্য কথা বলব। সত্য কথা বললে অসুবিধা, কারও কারও গায়ে লাগে। আমি বলতে চাই, এই কোম্পানীগঞ্জের নির্বাচন অবাধ, সষ্ঠু, নিরপেক্ষ হবে। এ জন্য প্রশাসনকে আমি সব ধরনের সহযোগিতা করে যাব।

কাদের মির্জা অভিযোগ করেন, নির্বাচন বানচাল করতে অস্ত্র পাঠানো হয়েছে কোম্পানীগঞ্জে। আমি প্রশাসনকে বলেছি অস্ত্র উদ্ধার করার জন্য। অদৃশ্য কারণে কিছুই হচ্ছে না। কষ্ট লাগে নোয়াখালী কে চালাচ্ছে? এটা কি রাজনীতি? অস্ত্রের ঝনঝনানি কোম্পানীগঞ্জে চলবে না, চলতে দেওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, গত ১২ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী এখানে আসার কথা ছিল। আমি আশায় বুক বেঁধে ছিলাম, এই লোকটার কাছে মনের কথাগুলো বলবো। তিনি আসলেন না। কেন আসলেন না? তবে আমি স্পষ্ট ভাষায় বলে দিচ্ছি, আগামী পরশুর নির্বাচন যদি অবাধ, সষ্ঠু ও নিরপেক্ষ না হয়, যদি কোনো প্রার্থী বা কোনো কর্মীকে রাস্তায় বাধা দেওয়া হয়, এটার দায়িত্ব নোয়াখালীর ডিসি, এসপি ও নির্বাচন কর্মকর্তাকে নিতে হবে।

কাদের মির্জা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আপনাদের কাছে আমি আজকে হলফ করে বলছি, যদি পরশু দিনের নির্বাচনে কোনো কারচুপি হয়, যদি আমি কারচুপিতে সহযোগিতা করি, তাহলে সে দিনই যেন আমার মৃত্যু দিন হয়। আমি কোনো কারচুপির নির্বাচন করবো না। কিন্তু আপনাদের বলবো, আপনাদের তো স্বভাব ১২টার পর বর্জন করা, সিলেটেও আপনারা ১২টার সময় নির্বাচন বর্জন করেছিলেন। কোথাও কোনো কারচুপি হলে আমাকে জানাবেন, জনগণকে নিয়ে সেখানে ভোট বন্ধ করে দেব। প্রশাসন বন্ধ করবে না। তারা ম্যানেজ হয়ে গেছে। আমি ভোট বন্ধ করে এখানে এসে আন্দোলন শুরু করবো।

এমএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়