পুঁজিবাদ অর্থনীতিতে আয় বৈষম্য বাড়বেই

আগের সংবাদ

ভাগ্যের সহায়তায় ফাইনালে বার্সেলোনা

পরের সংবাদ

কোটিপতি বাড়ছে সরকারের নানা সুবিধায়

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৪, ২০২১ , ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০২১ , ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ

করোনা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে থামবে, তা আমরা কেউই জানি না। ফলে সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। পাশাপাশি করোনার সময়ে দেশে বৈষম্য আরো বাড়ছে। বৈষম্য বাড়ার অন্যতম কারণ, অনেকেই কাজ হারিয়েছে। একবার তারা চাকরির বাজার থেকে ছিটকে পড়েছে। অর্থনীতি পুনরুদ্ধার হলেই যে তারা আবার চাকরি ফিরে পাবে তা কিন্তু না। কারণ আগামীতে নতুন স্কিল সেট দরকার হবে। নতুন নতুন দক্ষতাসম্পন্ন লোক দরকার হবে। তখন নতুন ধরনের প্রশিক্ষণের দরকার হবে।
অন্যদিকে দেশের অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্যের অগ্রগতির ধারাবাহিকতায় এখন কোটিপতির সংখ্যা বাড়ছে। সরকার কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দিয়েছে। প্রশ্ন ছাড়াই ব্যাংকে যে কোনো পরিমাণ অর্থ জমা রাখার বাজেটিয় বিধানের কারণেও কোটিপতির সংখ্যা বেশি বাড়ছে। নির্ধারিত পরিমাণ কর দিয়ে সম্পদের ঘোষণা দিয়েছেন যারা, তাদের টাকাও ব্যাংকে জমা হয়ে থাকতে পারে। এছাড়া করোনা চলার সময়ে সম্ভবত টাকা দেশের বাইরে নিতে পারছেন না। এজন্যই কোটিপতির সংখ্যা বাড়ছে। এ সুযোগ আগেও ছিল। বর্তমানে করোনা চলার সময়ে প্রশ্ন না করায় মানুষ আরো বেশি টাকা জমা করছে।
দেশে আয় বৈষম্য কমাতে হলে কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে। কর্মসংস্থান বাড়ানোর জন্য ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। শুধু বিনিয়োগ বাড়ালেই হবে না। এজন্য শিক্ষা ও ট্রেনিং দিয়ে একজন ব্যক্তিকে পারদর্শী করে গড়ে তুলতে হবে। কারণ আগামীতে টেকনোলজির ওপর ভিত্তি করেই চাকরির বাজার তৈরি হবে। এজন্য টেকনোলজির ওপর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। সবাইকে আবার চাকরির ব্যবস্থাও করা যাবে না। কারণ আমাদের চাকরির বাজার খুব বড় না। এজন্য উদ্যোক্তা সৃষ্টি করতে হবে। নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে যে মূলধন প্রয়োজন তারও ব্যবস্থা করতে হবে।

ডিসি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়