ভ্যাকসিন নিয়ে দুর্নীতি!

আগের সংবাদ

নাগরিক স্বার্থে সেবা সংস্থাগুলোর সমন্বয় জরুরি

পরের সংবাদ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে কখন?

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৩, ২০২১ , ৮:৩১ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২১ , ৮:৩১ অপরাহ্ণ

মহামারি করোনার কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রয়েছে। যদিও সম্প্রতি কওমি মাদ্রাসাগুলো খুলে দেয়া হয়েছে। কিছু দিন আগে পর্যটন কেন্দ্রগুলোও ভ্রমণপিয়াসীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক মিছিল-সমাবেশও চলছে দেদার। দেশের বিভিন্ন স্থানে চলছে পৌর নির্বাচন। চলছে মিছিল, মিটিং, ক্যাম্পিং ইত্যাদি। এদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিশুরা দাদা-নানার বাড়িতে বেড়াচ্ছে মজা করে। বাজার কিংবা রাস্তা-ঘাটে বের হলেই কোমলমতি শিশুদের চোখে পড়ছে। আশঙ্কার বিষয় হলো সামাজিক দূরত্ব মানা হচ্ছে না কোথাও। শতকরা ১০ জনের মুখে মাস্ক আছে কিনা সন্দেহ রয়েছে।
শিশুদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়া যায় না বলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রাখা হলেও শিশুরা আজ আর ঘরে নেই। প্রতিষ্ঠান খোলা থাকলেই বরং এরা নির্দিষ্ট এলাকায় দিনের সিংহভাগ সময় কাটাতে বাধ্য হতো, যেখানে-সেখানে ঘোরাঘুরি করত না, বিশেষ বিশেষ দিবস বা উৎসবের ছুটি ব্যতীত কোথাও বেড়াতেও যেতে পারত না। যেসব মা-বাবার কর্মস্থলে থাকতে হয়, তাদের ছেলেমেয়েরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। তারা তো আর ঘরে থাকছে না, খেলার মাঠে ঠিকই জটলা করছে, থাকছে না মুখে মাস্ক। প্রথম প্রথম মানুষের মাঝে সচেতনতা বেশি পরিলক্ষিত হলেও দিন দিন সবার মধ্যে উদাসীনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এখন তো অনেকের ঘরে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা করোনানাশক কিছুই নেই, নেই অতি জরুরি মাস্কও। এক সময় পুলিশ কিংবা সাংবাদিক দেখলে পথচারীরা পকেট থেকে মাস্ক বের করত, ইদানীং মুখে তো নয়ই, পকেটেও মাস্ক থাকে না। বাঙালি মানেই নিয়ম ভাঙায় ওস্তাদ। সরকারের সময়োচিত পদক্ষেপের ফলে আমাদের দেশে করোনা মহামারি আকার ধারণ করতে পারেনি। সবকিছু চলছে চলুক, মাদ্রাসা খুলে দেয়ার পর যেহেতু শিক্ষার্থীরা এখনো নিরাপদে আছে, স্কুল-কলেজও খুলে দেয়া হোক। বন্ধ করে নয়, সার্বিক সচেতনতাই পারে দেশ থেকে করোনাকে বিতাড়িত করতে।

শ্রীপুর, গাজীপুর।
[email protected]

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়