বড়লেখায় পুকুর পাড় থেকে ইউপি সদস্যের লাশ উদ্ধার

আগের সংবাদ

অছাত্র ও বিবাহিতদের দিয়ে চলছে চৌগাছা ছাত্রলীগ, কেন্দ্রে অভিযোগ

পরের সংবাদ

এমসি কলেজে গণধর্ষণ মামলার চার্জশিট গ্রহণ

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১২, ২০২১ , ৫:০২ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ১২, ২০২১ , ৫:০৪ অপরাহ্ণ

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণের মামলায় অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আদালত। বাদী পক্ষের আইনজীবীর কোনো আপত্তি না থাকায় আদালত শুনানি শেষে অভিযোগপত্রটি আমলে নেন। মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় অভিযোগপত্রের উপর শুনানি শেষে সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোহিতুল হক চৌধুরী এ আদেশ দেন।

এর আগে গত রবিবার একই আদালতে বাদী পক্ষের আইনজীবী অভিযোগপত্র পর্যালোচনার জন্য সময় চাইলে আদালত দু’দিনের সময় দেন। এর আগে ৩ জানুয়ারি মামলার অভিযোগ গঠনের প্রথম শুনানি শেষে এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। ওই তারিখেও বাদীপক্ষের আইনজীবী অভিযোগপত্র পর্যালোচনায় সময় প্রার্থনা করেছিলেন। কিন্তু এ সময়ের মধ্যে মামলার নথিপত্র বাদীপক্ষ না পাওয়ায় দ্বিতীয় দফায় আবার আবেদন করেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বলেন, এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনা একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা। আমরা আদালত থেকে অভিযোগপত্র পর্যালোচনা করার জন্য দু’দিনর সময় নিয়ে তা পর্যালোচনা করে দেখেছি সকল আসামিকে অভিযোগপত্রে অভিযুক্ত করা হয়েছে। যার জন্য আমরা আপত্তি জানাইনি। অভিযোগপত্রের ব্যাপারে আমরা বাদী পক্ষের আইনজীবী সন্তুষ্ট পোষণ করলে আদালত তা আমলে নেন।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক তরুণীকে (২০) দল বেধে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় তার স্বামী বাদী হয়ে মহানগর পুলিশের শাহপরান থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং দু’জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন। ঘটনার পর আসামিরা পালিয়ে গেলেও তিন দিনের মধ্যে ছয় আসামি ও সন্দেহভাজন দু’জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ ও র‌্যাব। গ্রেফতারের পর তাদের পাঁচ দিন করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ।

গত ৩ ডিসেম্বর ছাত্রলীগের আট নেতা-কর্মীকে অভিযুক্ত করে মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা ও মহানগর পুলিশের শাহপরান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য। অভিযোগপত্রে সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল ও মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজনকে দল বেধে ধর্ষণের জন্য অভিযুক্ত করা হয়। আসামি রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান ওরফে মাসুমকে ধর্ষণে সহায়তা করার জন্য অভিযুক্ত করা হয়। আট আসামিই বর্তমানে কারাগারে আছেন।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়