বিমানবন্দরে ফের ২৫০ কেজির বোমা উদ্ধার

আগের সংবাদ

কসবা রেলস্টেশন অপারেশনে শহীদ হন মুক্তিযোদ্ধা আবেদ

পরের সংবাদ

জলাবদ্ধতায় সরিষা চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকেরা

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৯, ২০২০ , ৫:৩২ অপরাহ্ণ আপডেট: ডিসেম্বর ১৯, ২০২০ , ৫:৩৩ অপরাহ্ণ

শ্রীনগরে এ বছর সরিষা চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকেরা। নানা প্রতিকূলতার কারণে গেল বছরের তুলনায় উপজেলায় এবছর সরিষার আবাদের জমির পরিমাণ অনেকাংশে কমেছে। কারণ হিসেবে জানা গেছে, বিভিন্ন খাল ভরাট ও দখলের কারণে পানি নিস্কাশনে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে করে বিভিন্ন কৃষি জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে।

এছাড়াও অসময় বৃষ্টির কারণে জমিতে সরিষার বীজ বপনে অপেক্ষা করতে হয়েছে কৃষকের। এতে করে কিছু কিছু টান জমিতে সরিষার লক্ষ্য করা গেলেও, প্রায় জমিতেই সরিষার বীজ মাত্র ফুঁটে চারাগাছে পরিণত হয়েছে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরিষার চাষ কম বেশী হলেও বীরতারা এলাকায় সরিষার চাষ বেশি হয়। এখানেও এবছর বিভিন্ন কারণে অনেক কৃষক সরিষা চাষে আগ্রহ হাড়াচ্ছেন। সূত্র মতে জানা যায়, শ্রীনগরে গেল বছর ৩৫০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন প্রকার সরিষার চাষ করা হয়েছে। সেই হিসাব অনুযায়ী, এ বছর এখানে এই চাষাবাদে জমির পরিমাণ একেবারেই কম।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বীরতারা ইউনিয়নের ছয়গাঁও ও সাতগাঁও বিলে বেশ কিছু জমিতে সরিষার চাষ করা হচ্ছে। লক্ষ্য করা গেছে, বেশীর ভাগ জমিতে সরিষার বীজ কেবলমাত্র ফুঁটতে শুরু করেছে। যা কিনা অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন!

এসময় সাতগাঁও গ্রামের প্রভাত মন্ডলের পুত্র কৃষক গণেশ মন্ডল (৫০), গোদাই বাড়ৈর পুত্র নরেতন বাড়ৈ (৫১), হাকিম আলীর পুত্র মো. বাবুল, ছয়গাঁও গ্রামের সার্থক আলীর পুত্র মো. হালিমসহ অনেকেই জানান, এবছর সরিষা চাষে বিলম্ব হয়েছে। এখনও অনেক জমিতে বীজ মাত্র ফুটে উঠেছে। তারা বলেন, এই বিলের অনেক জমির পানি নিস্কাশন হচ্ছে না। এতে করে সরিষার চাষাবাদ করা সম্ভব হচ্ছে না। খালগুলের বিভিন্ন স্থানে ভরাট ও দখলের কারণে পানি নিস্কাশনে বাঁধাগ্রস্ত হয়ে পরেছে।

অপরদিকে অসময়ে বৃষ্টিতো আছেই। এই অঞ্চলে গেল বছর আলু চাষ করে কৃষকরা লাভবান হওয়ায় এখানকার অনেকে সরিষার জমিতে এবছর আলু চাষ করেছে।

খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, প্রতি বিঘা (৩৪ শতাংশ) জমিতে সরিষা চাষাবাদে ইউরিয়া, পটাস ও টিএসপি সারের প্রয়োজন পরে ১২৫ থেকে ১৩০ কেজি। নানা প্রতিকূলতা কাটিয়ে সরিষার চাষাবাদে সব খরচ বাদে এখানকার কৃষকের শূন্য হাতে ঘরে ফিরতে হবে এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে। অন্যান্য বছর সরিষার জমিতে

মৌ-চাষীরা মধু সংগ্রহ করতে আসলেও, এ বছর সরিষার জমির পরিমাণ অনেকাংশে কম হওয়ায় এখানে কোনও মধু চাষীকে আসতে দেখা যায়নি।

এ ব্যাপরে শ্রীনগর উপজেলা কৃষি অফিসার শান্তনা রানী বলেন, জমির পানি নিস্কাশন না হওয়ার পাশাপাশি অসময়ে বৃষ্টির কারণে সরিষা চাষাবাদে কৃষকদের বিলম্ব হচ্ছে। উপজেলায় মোট ২৭০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ করা হচ্ছে। এর মধ্যে প্রর্দশনী রয়েছে ৫০টি।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়