১৭ ডিসেম্বর থেকে জয়ন্তিকা-উপবনে নতুন কোচ

আগের সংবাদ

নিউজ ফ্ল্যাশ

পরের সংবাদ

কেমিক্যালে পাকাচ্ছে অপরিপক্ক টমেটো, নেই সংশ্লিষ্টদের তদারকি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৭, ২০২০ , ১০:০১ পূর্বাহ্ণ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০২০ , ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ

রাজশাহীর গোদাগাড়ীর অপরিপক্ক টমেটো কেমিক্যালে পাকাচ্ছে এক শ্রেনীর অসাধু ব্যবসায়ীরা। রাইপেন নামের ঔষধ স্প্রে করে সবুজ টমেটো লাল রংঙে পরিণত করা হচ্ছে। ক্যামিকেল ব্যবহারকৃত কাঁচা টমেটো পাকিয়ে বাজারজাত করছে ব্যবসায়ীরা। অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সঠিক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি ভোক্তাদের। প্রতি বছর ১ শত ৫০ কোটি টাকার টমোটো বিক্রয় হয়।

প্রক্রিয়া শেষে ওই টমেটোগুলো লাল রং ধারণ করে। আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে বাজারজাতকরণ করা হবে। গোদাগাড়ীর টমেটোগুলোই পাইকারী বিক্রয় করা হয় ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। গোদাগাড়ী উপজেলায় প্রায় ৩০টি স্থানে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার ব্যবসায়ীরা টমেটো কিনে নেন।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, চলামান মৌসুমের টমেটো বেচাকেনা শুরু হয়েছে গোদাগাড়ীতে। গোদাগাড়ী টমেটোর চারণভূমি হিসেবে খ্যাত। গোদাগাড়ীতে কাঁচা টমেটো বেচা-কেনা হচ্ছে ১৩-১৫ শত টাকা মণ (৪৫ কেজিতে এক মণ ধরা হয়) দরে। এরপর তিন ধাপে রোদে শুকিয়ে লাল রং ধারণ করতে সময় লাগে প্রায় ১০দিন। প্রক্রিয়াটি এখন শুরু হয়েছে, টমেটোর রং লাল হলে আগামী ২-৩ দিনের মধ্যেই দেশের বাজারে নামতে শুরু করবে গোদাগাড়ীর টমেটো।

ঢাকার ব্যবসায়ী জানান, তারা ছয়জন মিলে এ বছর টমেটো ব্যবসা করছেন। গেল ৭-৮ দিনে ১৭-১৮শত টাকা মণ ধরে কাচাঁ টমেটো কিনেছে। স্প্রেসহ অন্যান্য খরচ মিলে মণপ্রতি অন্তত দেড়শ টাকা খরচ হয়। তবে ক্রয় মূল্যে ও খরচ যোগ করে অন্তত ২ হাজার টাকা মণ দরে বিক্রয় করতে হবে। তাবে আগামী ২-৩ দিন পরে বাজারে সেই টমেটো কি দাম হবে তা নিয়ে সংশয়ে আছে তারা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের এক ব্যবসায়ী বলেন, এ বছর ৪ জন মিলে টমেটো ব্যবসা শুরু করেছন। গেল বছর ব্যবসা করে তাদের ছয়জনের কিছু লাভ হয়েছিল। এবার একটু বেশি লাভের আশায় পুনরাই টমেটো ব্যবসা করছেন।

টমেটো চাষিরা বলেন, এক বিঘা জমিতে টমেটো চাষ করতে প্রায় ২৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বর্তমান বাজার দর নিয়ে আশাবাদী স্থানীয় চাষীরা। কিন্তু ভারত টমেটো এদেশে ক্রমাগত আসতে থাকলে স্থানীয় টমেটো চাষিরা লোকসানের মুখে পড়বে।

সোমবার সকালে গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম ভোরের কাগজকে বলেন, এই উপজেলায় ২ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে টমেটো চাষ হয়েছে। যা ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকার টমেটো কেনা-বেচা হবে বলেও আশা করা যাচ্ছে। টমেটোতে একবার ‘ইথিফন’ ও ‘ডায়থিন এম ৪৫’ জাতীয় ঔষধ স্প্রে করা হয়। অপরিপক্ক টমেটো লাল রং করতে কিছু ব্যবসায়ীরা রাইপেন নামক ক্যামিকেল ব্যবহার করে। উপজেলা কৃষি দপ্তর থেকে সব ধরনের তদারকি আছে বলে জানান কৃষিবিদ শফিকুল ইসলাম।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়