করোনার দ্বিতীয় ঢেউ প্রতিরোধ ভাবনা

আগের সংবাদ

ধর্ষণ বন্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা দরকার

পরের সংবাদ

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য জাতীয় ঐক্যের প্রতীক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৩, ২০২০ , ৭:৪২ অপরাহ্ণ আপডেট: ডিসেম্বর ৩, ২০২০ , ৭:৪২ অপরাহ্ণ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যের বিরোধিতা করে সম্প্রতি একে মূর্তি আখ্যা দিয়ে ইসলামী আদর্শের পরিপন্থি বলে প্রচার শুরু করেছেন- ‘বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও খেলাফত যুব মজলিশের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা মামুনুল হক প্রথম বঙ্গবন্ধুর নামে ভাস্কর্যের বিরোধিতা করেন। তিনি রাজধানীর ধোলাইরপাড়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতা করে সে কাজ অবিলম্বে বন্ধের দাবিও জানান।’ (জনকণ্ঠ, ২২.১১.২০) হেফাজতে ইসলামের আমির জুনায়েদ বাবুনাগরী বলেছেন, ‘যে কোনো দল ভাস্কর্য বানালে তা টেনেহিঁচড়ে ভেঙে দেয়া হবে।’ (জনকণ্ঠ, ২৮.১১.২০) খাগড়াছড়ি শহরের দ্বারপ্রান্তে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত জেনারেল জিয়াউর রহমানের একটি বড় ভাস্কর্য রয়েছে। তথাকথিত ইসলাম দরদিরা জিয়ার ভাস্কর্যের বিরোধিতা করছেন না। তাহলে কি এটা বুঝতে হবে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ইসলামবিরোধী, আর জিয়ার ভাস্কর্য ইসলাম অনুমোদন করে? এটা এক ধরনের মিথ্যাচারিতা, ভণ্ডামি এবং মোনাফেকি। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, ‘মুনফেক ও সত্য অস্বীকারকারী নর-নারীদের জন্য আল্লাহ নির্দিষ্ট করে রেখেছেন জাহান্নামের অগ্নিকুণ্ড, যেখানে ওরা থাকবে চিরকাল। জাহান্নামই ওদের প্রাপ্য।’ (সুরা : তওবা, আয়াত: ৬৮)।

ধর্মব্যবসায়ীরা মনে করেন, জিয়ার ভাস্কর্য ইসলামসম্মত। তাই তার বিরোধিতা করা যাবে না। জিয়ার প্রতি স্বাধীনতাবিরোধীদের এই মনোভাব প্রমাণ করে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিষয়ে জিয়া এবং স্বাধীনতার শত্রুরা একই মতাদর্শের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ ছিল। বর্তমানেও দেশের রাজনীতির ব্যাপারে জিয়ার দল এবং স্বাধীনতাবিরোধীদের দলের অবস্থানও একই মেরুতে রয়েছে। পার্থক্য এই, একদল মুখোশ পরে আছে, অপর দলের সুযোগ নেই।
বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু এক এবং অভিন্ন। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতা করা সমগ্র বাঙালি জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করার শামিল। জাতির বিরুদ্ধে, রাষ্ট্রের বিরোধিতাকে বলা হয় জাতিদ্রোহ বা রাষ্ট্রদ্রোহ। বিশ্বের সব দেশে রাষ্ট্রদ্রোহীর শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড। আমাদের দেশের আইনে এ অপরাধের শাস্তির বিধান মৃত্যুদণ্ড লেখা থাকলেও আজ পর্যন্ত কোনো রাষ্ট্রদ্রোহীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়নি। তারা এ দেশে লালিত, পালিত ও বর্ধিত হয়। তাদের সঙ্গে আপস করে চলতে হয়। এদের মোকাবিলা করতে হলে প্রয়োজন জনগণের মধ্যে প্রজ্বলিত দেশপ্রেমের আগুন। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জনগণ ঐক্যবদ্ধ হলেই এরা দেশত্যাগী হতে বাধ্য। পুতুল মূর্তি আর ভাস্কর্য সমাধি শব্দ নয়। খেলনার জন্য তৈরি প্রতিকৃতিকে বলা হয় পুতুল। পূজার উদ্দেশ্যে নির্মিত প্রতিকৃতিকে বলা হয় মূর্তি বা প্রতিমা। শিল্পকর্ম হিসেবে প্রস্তুত প্রতিকৃতিকে বলা হয় ভাস্কর্য। ইসলাম ধর্মে মূর্তি পূজা নিষিদ্ধ। পুতুল বা ভাস্কর্য নিষিদ্ধ নয়। হজরত আয়েশা (রা.) ছোট বেলায় পুতুল নিয়ে খেলা করতেন। তাঁর ঘরে ঘোড়ার ছোট মূর্তি ছিল (বুখারী শরীফ- কিতাবুল আদব) কিন্তু তাঁর স্বামী মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) সেসব পুতুল ফেলে দিতে বলেননি। অনেক ইসলামী দেশ, যেমন- ইরান, ইরাক, সিরিয়া, মিসর, তুরস্ক ও ইন্দোনেশিয়ায় এখনো অনেক ভাস্কর্য শোভা পাচ্ছে। সৌদি আরবে জেদ্দার মূল কেন্দ্রে ‘দি ফিস্ট’ নামে একটি ভাস্কর্য আছে। এটি একটি মুষ্টিবদ্ধ হাতের ভাস্কর্য। এছাড়া আছে ঘোড়া ও মাছের ভাস্কর্য। এমনকি স্বাধীনতাবিরোধীদের মাতৃভূমি নামে পরিচিত পাকিস্তানে তাদের জাতির পিতাসহ অনেক ভাস্কর্য রয়েছে। পাকিস্তান আমলে ঢাকার মোহাম্মদপুরে আইয়ুব গেটে (বর্তমানে আসাদ গেট) তৎকালীন লৌহ মানব নামে কুখ্যাত আইয়ুব খানের প্রতিকৃতি ছিল। আমাদের দেশের তথাকথিত ইসলাম দরদিরা কখনো তার বিরোধিতা করেননি। এ প্রসঙ্গে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী সাহেবের একটি বক্তৃতা মনে পড়ছে। তিনি বলেছিলেন, ‘ওরা বলে ইসলাম গেল, গেল। আমি বলি ইসলাম কোথায় গেল?’ পুতুল, মূর্তি আর ভাস্কর্য যে এক নয় ধর্মব্যবসায়ীরা তা ভালো করেই জানে। হয় তারা মূর্খ, নয় ওরা হুঁশের পাগল। যারা মূর্খ তারা মূর্তি ও ভাস্কর্যকে সমার্থক মনে করে। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, ‘তুমি মূর্খদের অন্তর্ভুক্ত হইয়ো না। (সুরা : আনআম, আয়াত : ৩৫) প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা জিয়উল হাসান বলেছেন, ধর্মের নাম নিয়ে সরল মানুষকে বিভ্রান্ত করা এবং গুজব রটিয়ে তাদের রাজপথে নামিয়ে অরাজকতা সৃষ্টি করা ধার্মিকতার লক্ষণ নয়’ (জনকণ্ঠ, ২৩.১১.২০)।

ধর্মের অপব্যাখ্যা করে এই অপশক্তি ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগী শক্তি হিসেবে তারা দেশের ৩০ লাখ মানুষকে হত্যা করে, আমাদের মা-বোনদের ‘গনিমতের মাল’ আখ্যা দিয়ে তাদের পাকিস্তানি পশুদের হাতে তুলে দিয়েছে, অসংখ্যা বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দিয়েছে, সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। এই অপশক্তি পাকিস্তান আমলে পাকিস্তানি জাতীয় সংগীত ‘পাক সারজামিন’ গেয়েছিল। কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা’ গায় না, তাদের পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলিত হয় না, ‘জয় বাংলা’ বলা হয় না। হাদিসে বলা হয়েছে, ‘দেশপ্রেম ইমানের অঙ্গ’। যার দেশপ্রেম নেই সে মুসলমান নয়। এসব ধর্মদ্রোহী, রাষ্ট্রদ্রোহীদের ধারণা, ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার মতিঝিলে ‘শাপলা’ চত্বরে তাদের আন্দোলন দমন করতে বর্তমান সরকার কোনো জোরজবরদস্তি না করে যে সহনশীলতার পরিচয় দিয়েছিল ভবিষ্যতেও তাদের ‘বেয়াদবির’ ব্যাপারে সরকার অনুরূপ ব্যবহার করবে। হাইকোর্টের সামনে থেকে ভাস্কর্যের অপসারণ, স্কুলের পাঠ্যসূচিতে পরিবর্তন আনা এবং মাদ্রাসা শিক্ষার মর্যাদাসহ তাদের কয়েকটি দাবি সরকার মেনে নেয়ায় তাদের সাহস বেড়ে গেছে। সরকারের উদারতাকে তারা সরকারের দুর্বলতা ভেবেছে। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতা তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য নয়- ধর্মের নামে অপধর্মের প্রচার করে ধর্মপ্রাণ মানুষকে ধর্মান্ধ করে দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাওয়া- যা তারা করার চেষ্টা করেছিল আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময়। পরাজিত শক্তি সব সময় প্রতিশোধপরায়ণ হয়। উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য তারা সুযোগ খুঁজে বেড়ায়। এরা রক্তবীজের ঝাড়। এরা বারবার জন্ম নেবে। সমূলে ধ্বংস না করলে এদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় নেই। এই পরাজিত শক্তি কখনো একাত্তরের পরাজয় মেনে নিতে পারেনি, পারবেও না, তাদের অনুসারী ও ভবিষ্যৎ বংশধররা তাদের পূর্বপুরুষের পতাকা বহন করে বেড়াবে। এদের প্রতি কোনো সহানুভ‚তি জানানো যাবে না। শেয়ালকে ভাঙা বেড়া দেখাতে হয় না। কুকুরকে কেবল মুগুর দিয়েই শায়েস্তা করতে হয়।

ধর্মব্যবসায়ীদের আসল উদ্দেশ্য ও চরিত্র দেশবাসীর সামনে তুলে ধরা দরকার। প্রবীণদের জানা থাকলেও নতুন প্রজন্মের অনেকে তা জানে না। মুক্তিযুদ্ধের সময়ের তাদের কুকর্ম, বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর দুই স্বৈরশাসনের আমলে তারা কীভাবে লালিত, পালিত ও বর্ধিত হয়েছিল তা নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে। যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে দুই স্বৈরসরকার দেশবাসীর মন থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছিল তার পুনরুদ্ধার করতে হবে। স্বৈরশাসনের ২০ বছর ছিল এ দেশের অন্ধকার যুগ। অন্ধকারেই শয়তান বেড়ে ওঠার সুযোগ পায়।

আত্মঘাতী বাঙালির স্মৃতিদ্রষ্ট জাতি হিসেবে দুর্নাম রয়েছে। তারা বাঙালি চরিত্রের এই দুর্বলতার সুযোগ গ্রহণ করে লাখো প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। ধর্মপ্রাণ সহজ-সরল মানুষের মনে হিংসার বীজ বপন করে তাদের ধর্মদ্রোহ, রাষ্ট্রদ্রোহের কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করছে। ধর্ম মানে আলো বা জ্ঞান। অন্ধ মানে অন্ধকার। যে লোকের জ্ঞান নেই, সে মানুষ হয় না, সে পশু হয়। পশুর হিতাহিত জ্ঞান থাকে না। এরা পশুর মতোই হিংস্র হয়। তাই ‘ধর্মান্ধ মানুষ’ সব দেশে ব্যক্তির জন্য, সমাজের জন্য, রাষ্ট্রের জন্য বিপজ্জনক, ক্ষতিকর। ধর্মের অপব্যাখ্যা করে যারা ধর্মপ্রাণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে তাদের ধর্মদ্রোহী বলা হয়। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, ‘যারা আল্লাহর বাণীকে প্রত্যাখ্যান করে বা নিজেদের মনগড়া কথাকে আল্লাহর কথা বলে প্রচার করে, তাদের চেয়ে বড় সীমা লঙ্ঘনকারী আর কে হতে পারে।’ (সুরা : আরাক, আয়াত : ৩৭)। পবিত্র কুরআনে আরো বলা হয়েছে, ‘যারা নিজেদের মনগড়া কথা আল্লাহর কথা হিসেবে চালানোর চেষ্টা করবে, তারাই দূরাচারী।’ (সুরা : আল ইমরান, আয়াত : ৯৪)। পবিত্র কুরআনে আরো বলা হয়েছে, ‘দেখ, ওরা নিজেদের কথাগুলো কীভাবে আল্লাহর কথা বলে চালিয়ে দিচ্ছে। প্রকাশ্য পাপ হিসেবে এটাই যথেষ্ট।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৫০)। পবিত্র কুরআনে আরো বলা হয়েছে, ‘ওদের মধ্যে এমন কিছু নিরক্ষর লোক রয়েছে, আল্লাহর কিতাব সম্পর্কে যাদের কোনো জ্ঞান নেই। প্রচলিত সংস্কার, অমূলক প্রত্যাশা ও ভ্রান্ত বিশ্বাসই ওদের সম্বল।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ৭৮)। জ্ঞান মানুষকে ঊর্ধ্বগামী করে, মূর্খতা মানুষকে করে নিম্নগামী।

স্বাধীনতাবিরোধীদের কবল থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে হলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা এবং মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করা। বিশ্বের সব দেশে জনগণকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে জাতির জনক জাতীয় স্লোগান এবং জাতীয় সংগীতের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাকিস্তানের সব সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠান শেষে ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’, ভারতে ‘জয় হিন্দ’ বলার রেয়াজ রয়েছে। বাংলাদেশে শুধু সরকারি প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠান শেষে ‘জয় বাংলা’ বলা হয়। আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো রাজনৈতিক দল, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো এমনকি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুষ্ঠান শেষে ‘জয় বাংলা’ এবং ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ বলা হয় না। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধারা ‘জয় বাংলা’ বলে মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছিলেন। স্বাধীনতাবিরোধীদের ‘জয় বাংলা’ না বলার কারণ খুঁজে পাই, কিন্তু স্বাধীনতার পক্ষ শক্তি যারা একদিন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ‘জয় বাংলা’ বলেছিল তাদের জয় বাংলাবিমুখ হওয়ার কারণ খুঁজে পাই না। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য এবং ‘জয় বাংলা’ জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। জাতীয় ঐক্যের জন্য এ দুয়ের বিকল্প নেই।

দেশকে স্বাধীনতাবিরোধীদের হাত থেকে রক্ষা করতে হলে স্বাধীনতার পক্ষ শক্তিকে দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। একটি ঐক্যবদ্ধ জাতিই কেবল দেশকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে এবং সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে পারে। যেমন আমরা পেরেছিলাম ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে। জয় বাংলা।

শাহ্জাহান কিবরিয়া : শিশু সাহিত্যিক, প্রাক্তন পরিচালক, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়