রুমায় ইকো ট্যুরিজমের উপর প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

আগের সংবাদ

ই-পাসপোর্ট অফিসের অনিয়ম

পরের সংবাদ

রেমিট্যান্স আরোহণে এজেন্ট ব্যাংকিং

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২, ২০২০ , ১১:০১ অপরাহ্ণ আপডেট: ডিসেম্বর ২, ২০২০ , ১১:০১ অপরাহ্ণ

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের চলমান সংকটের মধ্যেও প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধারা দেশের রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধিতে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। তারা চলতি অর্থবছরের প্রথম ৪ মাসেই আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৩ শতাংশ বেশি রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন। রেমিট্যান্স প্রবাহের এমন জোয়ারে বড় ভ‚মিকা রাখছে এজেন্ট ব্যাংকিং। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর এই ৩ মাসেই দেশে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ১১ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকার রেমিট্যান্স এসেছে। দেশে করোনা ভাইরাস ভয়াবহ মাত্রায় ছড়িয়ে পড়ার পর এজেন্টদের মাধ্যমে রেমিট্যান্স প্রবাহ দ্বিগুণ হয়েছে। এপ্রিল থেকে জুন এই ৩ মাসে এজেন্টদের মাধ্যমে ৭ হাজার ১১৫ কোটি টাকার রেমিট্যান্স আসে। রেমিট্যান্সের বিদ্যমান ধারা অব্যাহত থাকায় অক্টোবর ২০২০ মাসের শেষে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪০.৮২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে এবং ২৬ নভেম্বর ৪১.৩০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ১৫ হাজার ৫৩৪ কোটি টাকা। আর চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসেই এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ২২ হাজার ৮০১ কোটি টাকার রেমিট্যান্স এসেছে। এক বছরের ব্যবধানে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবায় রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২২১ শতাংশ।
দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীকে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্য নিয়ে ২০১৪ সালে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের যাত্রা। কার্যক্রম শুরুর ছয় বছরের মধ্যেই গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে পড়েছে সেবাটি। এজেন্টদের মাধ্যমে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ স্বজনদের কাছে পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করছে ২৪টি ব্যাংক। তবে এ চেষ্টায় সবচেয়ে বেশি সফলতা পেয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড। দেশে এখন পর্যন্ত এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে যে রেমিট্যান্স এসেছে তার ৪৫ শতাংশই এসেছে ব্যাংকটির মাধ্যমে। এক্ষেত্রে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ডাচ-বাংলা ব্যাংক।
এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের বিস্তার অবৈধ হুন্ডি তৎপরতা বন্ধে কার্যকর অগ্রণী ভ‚মিকা রাখছে। দেশের প্রতিটি থানা, বড় বন্দর বা বাজারে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে গেছে। এজেন্টরা খুব সহজে ও দ্রæত প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ তাদের স্বজনদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। এতে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে হুন্ডি তৎপরতা কমে এসেছে। এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা যত বেশি বিস্তৃত ও সমৃদ্ধ হবে, হুন্ডির তৎপরতা তত বেশি কমবে।

গেণ্ডারিয়া, ঢাকা।
[email protected]

ডিসি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়