বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিলেন পু‌লিশ কর্মকর্তা মিশু বিশ্বাস

আগের সংবাদ

রেলের উন্নয়নে গতি বাড়াতে হবে

পরের সংবাদ

সৌদ-জিন্না-জিয়ার ভাস্কর্য মূর্তি-প্রতিমা হয় না, হয় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য!

প্রকাশিত: নভেম্বর ৩০, ২০২০ , ১০:১৪ অপরাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ৩০, ২০২০ , ১০:১৪ অপরাহ্ণ

সম্প্রতি খেলাফত আন্দোলন এবং হেফাজতের নবগঠিত অংশের নেতা মাওলানা মামুনুল হক এবং আরো কয়েকজন ধর্মভিত্তিক দলের নেতা নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে দেশে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত অবস্থা সৃষ্টির লক্ষ্যে বেশকিছু উত্তেজনাকর বক্তব্য দিয়েছেন। তারা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যকে বুড়িগঙ্গায় ফেলে দেয়ার মতো ঔদ্ধত্য প্রকাশ করেছেন। ভাস্কর্যকে তারা মূর্তি হিসেবে অভিহিত করে এটিকে ইসলামবিরোধী দাবি করেছেন। এই নিয়ে প্রথমদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনে তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা হয়নি, তবে সব সচেতন মহলেই করোনার এই দুঃসময়ে ধর্মীয় সম্প্রতির পরিবর্তে উগ্র হঠকারী মনোভাব প্রদর্শন করার বিষয়টিকে বেশ হতভাগ হয়ে পর্যবেক্ষণ করেছিল। মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চসহ কয়েকটি সামাজিক সংগঠন এর বিরুদ্ধে কিছু সভা, সমাবেশ ও বক্তব্য দিয়েছে। চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে মাওলানা মামুনুল হক একটি ওয়াজ মাহফিলে অংশ নেয়ার কথা ছিল। কিন্তু চট্টগ্রামের ছাত্রলীগ ও যুবলীগ সর্বত্র মাওলানা মামুনুল হকের আগমনকে প্রতিরোধ করার ঘোষণা দেয়। এর ফলে মামুনুল হক ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে আর যাননি। চট্টগ্রামে ছাত্রলীগ-যুবলীগের প্রতিরোধ গড়ার অবস্থানটি দেশব্যাপী সচেতন মহলকে ঘুরে দাঁড়ানোর একটি বার্তা দেয়। এর পরেই আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ এবং আরো কিছু পেশাজীবী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতাকারীদের বিরুদ্ধে বিবৃতি প্রদান ও শাহবাগ, টিএসসি, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ ইত্যাদিতে প্রতিবাদ সমাবেশ সংঘটিত করে। গণমাধ্যমেও এই নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা যাচ্ছে। বিষয়টি যে একটি মহলের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ঘোলাটে করার উদ্দেশ্য থেকে করা হচ্ছে সেটি অনেকের কাছেই পরিষ্কার হয়ে উঠেছে। যারা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যকে নিয়ে অবমাননাকর উক্তি এবং নানা রকম ধর্মীয় অপব্যাখ্যা দিচ্ছেন তাদের বক্তব্যও স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে। মাওলানা মামুনুল হক বিভিন্ন দিকের সমালোচনার উত্তর দিতে গিয়ে দাবি করেছেন যে, তিনি বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা করেন, একজন মুসলিম নেতা হিসেবে দেখেন, সে কারণে বঙ্গবন্ধুসহ কারোই ভাস্কর্য বা মূর্তি দেশে থাকা উচিত নয় বলে দাবি করেন। তার এই বক্তব্য শাক দিয়ে মাছ ঢাকার অপচেষ্টাই শুধু নয়, দেশে ভিন্ন ধর্ম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় বিশ্বাস ও আচার-আচরণেরও বিরুদ্ধাচরণ।
বাংলাদেশে জিয়াউর রহমানের ভাস্কর্য অনেক আগেই করা হয়েছে। তখন এ নিয়ে কোনো ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি কোনো মন্তব্য করেননি। জিয়াউর রহমানের একটি ভাস্কর্য এখনো বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে রয়েছে। কিন্তু সেটি নিয়েও কোনো মন্তব্য বা বক্তব্য নেই। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে একটি ভাস্কর্য নির্মিত হতে যাচ্ছে। এটি দেখেই ২০ দলীয় জোটের অন্তর্ভুক্ত ধর্মীয় পরিচয় নামদারি কয়েকটি দলের কয়েকজন নেতা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে এমন সব বক্তব্য দিয়েছেন, যা আমাদের রাষ্ট্র ও সংবিধানের মূল আদর্শের বিরুদ্ধাচরণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। যারা বিরুদ্ধাচরণ করছেন তারা সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য ভাস্কর্যকে মূর্তি ও প্রতিমার সঙ্গে গুলিয়ে প্রচার করছেন। ভাস্কর্য হচ্ছে ইতিহাস-ঐতিহ্যের স্বাক্ষর বহনকারী নিদর্শন, অপরদিকে মূর্তি বা প্রতিমা বিশেষ কিছু ধর্মের শ্রদ্ধার প্রতীক। ভাস্কর্য থেকে মানুষ ঐতিহাসিক নানা ঘটনা ও ব্যক্তিত্বের ভ‚মিকাকে তুলে ধরার নিদর্শন হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। এটি প্রাচীন যুগ থেকেই বিভিন্ন সভ্যতায় পরিলক্ষিত হয়েছে। মধ্যযুগে ইসলাম ধর্মের রাজনৈতিক বিকাশ ঘটার সময় বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর মধ্যে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও মুসলিম রাষ্ট্র প্রসারে ভ‚মিকা রাখার ঐতিহাসিক ব্যক্তিদের ভাস্কর্য সর্বত্র নির্মিত হয়েছে। স্পেনেও মুসলিম সাম্রাজ্য বিস্তারের পর সেখানে ভাস্কর্য স্থাপিত হয়েছে। হুমাইয়া ও আব্বাসীয় খেলাফত যুগে মধ্যপ্রাচ্য, ইরান, ইরাক, আফগানিস্তান, মধ্য এশিয়াসহ বিভিন্ন জায়গায় মুসলিম শাসক, কবি-সাহিত্যিক, দার্শনিক ও বিজ্ঞানীদের বহু নিদর্শন উপস্থাপিত হয়েছে ভাস্কর্যের মাধ্যমে। আমার সৌভাগ্য হয়েছিল তাসখন্দ, সমরখান বুখারা, তুর্কিস্তান সফর করার। সেখানে মধ্যযুগের অসংখ্য জ্ঞানী-গুণী মুসলিম ব্যক্তিত্বের ভাস্কর্য ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের ভ‚মিকাকে স্মরণ করার জন্য নতুন প্রজন্মের মানুষদের জন্য প্রদর্শনের ব্যবস্থা করে রাখা হয়েছে। বিশেষত শিক্ষার্থী ও পর্যটকদের বিষয় হিসেবে মধ্যযুগের মনীষীদের এসব ভাস্কর্য আকর্ষণ করে থাকে। ইরান, ইরাক, তুরস্ক অঞ্চলেও মনীষীদের ভাস্কর্য যথেষ্ট শ্রদ্ধার সঙ্গে সংরক্ষিত করা আছে। সৌদি আরবের জেদ্দা বিমানবন্দরের বাইরে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতা বাদশা ইবনে সৌদের একটি সুবিশাল মনোমেন্ট শোভা পাচ্ছে। সৌদি আরবে তলোয়ার, উট এবং ঐতিহাসিক নানা বস্তু সামগ্রীর ভাস্কর্য সর্বত্র দৃশ্যমান। এছাড়া প্রতীকী সরকারি বেসরকারি স্থাপনা এমনকি দোকানে বাদশা সৌদ, বর্তমান বাদশা ও যুবরাজের ছবি টাঙানো বাধ্যতামূলক। পাকিস্তানের করাচি নগরীতে মাজার-ই শরীফে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা ও জাতিরজনক কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নার একটি সুউচ্চ ও সুবিশাল ভাস্কর্য স্থাপিত হয়েছে। এটি আড়াই মিলিয়ন রুপি খরচ করে স্থাপন করা হয়। ভাস্কর মির্জা অসীম জিন্নার ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেন। ভারতে প্রায় ২০ কোটি মুসলমান বসবাস করেন। তাদের যেমন মসজিদ, মাদ্রাসা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে ঠিক একইভাবে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মন্দির, প্রতিমার বাইরেও জাতীয় নেতৃবৃন্দ এবং মনীষীদের বিশেষ কিছু ভাস্কর্য রয়েছে। ভাস্কর্যগুলো ভারতের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে। ভারতে কোনো মুসলিম সংগঠন ভাস্কর্য নিয়ে কোনো বিরূপ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে শোনা যায় না। মন্দিরে প্রতিমা ধর্মীয় শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য সংরক্ষিত থাকে। ভাস্কর্য মূলতই ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে উন্মুক্ত আকাশের নিচে অথবা বিশেষ স্থানে (জাদুঘর) সবার জন্য অবারিত থাকে। মূর্তি বা প্রতিমার ধর্মীয় বিশ্বাস ও শ্রদ্ধা নিদর্শন, ভাস্কর্য জাতীয় ইতিহাসের অতীত ঐতিহ্যের স্বাক্ষর বহনকারী নিদর্শন। দুটির ভ‚মিকাই আলাদা। কিন্তু আমাদের এখানে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে যারা উত্তেজনা ও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন তাদের উদ্দেশ্য যে একেবারেই রাজনৈতিক সেটি বুঝতে কারো বাকি থাকার কথা নয়। জিয়াউর রহমানের মাথায় ক্যাপ, গায়ে সাদা গেঞ্জি, পরনে প্যান্টবিশিষ্ট ভাস্কর্যটি অনেকেই এ দেশে দেখেছেন। সেটি নিয়ে এরা-ওরা কেউই কোনো বিরূপ মন্তব্য করেনি। এটিতে মূর্তির সঙ্গেও কেউ তুলনা করেনি। কিন্তু যেই বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হলো অমনিই ধর্মীয় আবেগ-উত্তেজনা ছড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েই ভাস্কর্যকে নানাভাবে চিত্রায়িত করার অপচেষ্টা শুরু হলো। বিষয়টি সচেতন মহলের কাছে আরো স্পষ্ট ধরা পড়েছে যে, বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় টকশোতে অংশ নেয়া বিএনপি ঘরানার আলোচকদের ইনিয়েবিনিয়ে কথা বলার মধ্যে এক ধরনের চাতুর্যের মনোভাব স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে। তারাও দেখি ধর্মীয় আবেগ, অনুভ‚তি ইত্যাদির ধুয়াই দিয়ে বুঝাতে চান যে সরকার তাদের ভাষায় শেখ মুজিবুর রহমানকে বিতর্কিত করার জন্যই জন্মশত বছর পালন উপলক্ষে ভাস্কর্যের নামে যা করছে তাতে নাকি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। বুঝা যাচ্ছে বিএনপি হেফাজতের নতুন নেতৃত্বের ভাস্কর্যবিরোধী আন্দোলনের গতিপ্রকৃতি দেখতে চাচ্ছে, তারা কোনোভাবে যদি আন্দোলনে মানুষকে রাস্তায় নামাতে সক্ষম হয় তাহলে বিএনপি, জামায়াতসহ ২০ দলীয় জোট রাস্তায় নামার বাকি আন্দোলন শুরু করতে পারবে বলে মনে করতে পারে। অন্যদিকে শহীদ মিনারে ভাসানীকে শ্রদ্ধা জানানোর নাম করে কয়েকটি বাম ও সাংস্কৃতিক সংগঠন সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের হুঙ্কার দিয়েছে। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী দাবি করেছেন যে, সরকার এখন গর্তের কিনারায় চলে গেছে, টেলা দিলেই পড়ে যাবে। বুঝা যাচ্ছে বিএনপি ও জামায়াত একদিকে ২০ দলীয় জোটের অংশীদার কয়েকটি ইসলামী দলের নেতাদের দিয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের ইস্যু নিয়ে মাঠ গরম করার সম্ভাব্যতা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, অন্যদিকে উগ্র হঠকারী, কিছুসংখ্যক পুরনো বাম যারা এখন চরিত্র ও আদর্শগতভাবে ডানের প্রতিচ্ছবি বহন করে তারাও সরকারকে একটু ঝাঁকুনি দেয়ার চেষ্টা করছে। এই উভয় শক্তি যদি রাস্তায় কিছু কর্মসূচি নিয়ে নামতে পারে তারপরেই পেছনের বড় শক্তিগুলো দৃশ্যমান হবে। এমন একটি ছক এঁকে ভাস্কর্যবিরোধী হুঙ্কার আন্দোলনের ঝঙ্কার ঘটাতে পারে কিনা তার প্রায় ট্রায়াল ও রিয়ার্সেল দিচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।
তবে সময়টি এখন বিশ্বব্যাপী করোনা সংক্রমণের দুঃসময়। পৃথিবী এখন এই মহামারিতে লণ্ডভণ্ড অবস্থায় আছে। আমরা মহামারির দ্বিতীয় পর্বে প্রবেশ করছি বলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন। সাধারণ মানুষ গত মার্চ থেকে করোনা সংক্রমণের সঙ্গে যুদ্ধ করে চলছে। একদিকে সংক্রমণের আতঙ্ক, মৃত্যুর মিছিল, চিকিৎসার অপ্রতুলতা, অন্যদিকে অর্থনৈতিক টানাপড়েন মানুষকে ব্যতিব্যস্ত করে রেখেছে। মানুষ এখন সম্মুখের দিনগুলো নিয়ে ভাবছেন। বিগত মানুষগুলো এক রকম কাটিয়েছে, আগামী দিনগুলো যেন নতুন করে বিপর্যয়ের মুখে না পড়ে সেই দুশ্চিন্তা থাকলেও মানুষ রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে কর্ণপাত করছে বলে মনে হয় না। বিশেষত শেখ হাসিনা সরকারপ্রধান হিসেবে করোনার এই সময় দেশটাকে যেভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাতে অনেক দেশের চেয়ে আমাদের দেশটা মোটেও অবনতিশীল অবস্থায় আছে এমনটি দাবি করা যাবে না। দেশের অর্থনীতি সচল এবং ঊর্ধ্বমুখী গতি ধরে রাখছে। এটি সচেতন মহলের কাছে অনুমিত হচ্ছে। সাধারণ মানুষও এখনো করোনা মহামারি এই অবস্থায় একেবারে বিপর্যস্ত হয়ে যাওয়ার অবস্থানে চলে যায়নি। সরকারের নানা প্রণোদনা এই পরিস্থিতিতেও মানুষকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দিচ্ছে। অন্যদিকে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি বেশ কঠোরভাবে অনুসরণ করছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। ফলে সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে ফেটে পড়ার মতো কোনো বাস্তবতা দেশে বিরাজ করছে না। তাছাড়া যারা সরকারকে ফেলে দেয়ার গোপন পরিকল্পনা নিয়ে এসব নন ইস্যুকে ইস্যু বানানোর চেষ্টা করছে তারা বাংলাদেশকে নৈরাজ্য, হানাহানি, মারামারি এবং অরাজকতা ছাড়া অন্যকিছু দিতে পারার মতো সক্ষমতা রাখে বলে মানুষের কাছে মনে হয় না। বাংলাদেশকে পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়ার মতো রক্তাক্ত বিপর্যয়ের দিকে টেলে দেয়ার মতো শক্তি প্রদর্শন করা হলেও এখানে বৃহত্তর জনগণ বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতেও বিদ্যমান ব্যবস্থা বজায় থাকার পক্ষেই অবস্থান করছে। ফলে গর্তের কিনারায় সরকার চলে গেছে, টেলা দিলেই পড়ে যাবে এমনটি ভেবে যারা রাস্তায় নামার চেষ্টা করছে তারা বোধহয় দিবাস্বপ্ন দেখছে। বাস্তবতা বলছে অন্য কথা। তবে সরকারকে থাকতে হবে আরো সচেতন, দল এবং সচেতন মহলকে সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে।

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী : অধ্যাপক (অবসরপ্রাপ্ত), ইতিহাসবিদ ও কলাম লেখক।
[email protected]

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়