ডিআরইউ’র সভাপতি নোমানী, সম্পাদক মসিউর

আগের সংবাদ

গাজীপুরের কালিয়াকৈর বাজারে আগুন

পরের সংবাদ

রূপপুর প্রকল্পে “নিউক্লিয়ার ডে” উদযাপন

প্রকাশিত: নভেম্বর ৩০, ২০২০ , ৯:১৩ অপরাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ৩০, ২০২০ , ৯:২১ অপরাহ্ণ

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে ‘নিউক্লিয়ার ডে’ উদযাপন করা হয়েছে। সোমবার (৩০ নভেম্বর) করোনা মহামারীর কারণে এবার সীমিত পরিসরে নির্মাণ প্রকল্পের ভেতরে এ দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে।

নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড বাংলাদেশ পরমাণুশক্তি কমিশন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের যৌথ আয়োজনে বেলুন উড্ডয়ন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়ানোর মধ্য দিয়ে দিবসের শুভ সূচনা করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান।

বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের স্বপ্ন পূরণ হবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ নির্মাণ প্রকল্প শেষ হলে। তখন আমরা গর্ব করে বলতে পারবো বাংলাদেশ বিশ্বের ৩৩তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশ। নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদনের স্বপ্ন পূরণের পাশাপাশি দেশকে উন্নয়নের সোপানে নিয়ে যাবে পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প।

এসময় উপস্থিত ছিলেন এএসই’র ভাইস প্রেসিডেন্ট সের্গেই লাসতোচকিন, প্রকল্প পরিচালক ড. সৌকত আকবর,পরমাণু শক্তি কমিশনের তথ্য কর্মকর্তা সৈকত আহমেদ, সদস্য প্রকৌশল আব্দুস সালাম, পরিচালক প্রকৌশলী নাসির আহমেদ প্রমুখ।

প্রকল্প পরিচালক ড. শৌকত আকবর সাংবাদিকদের বলেন, রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের মধ্য দিয়ে মধ্যম আয়ের দেশ থেকে উন্নত দেশ হবে বাংলাদেশ। শুধু তাই নয়, বিজ্ঞান চর্চা ভিত্তিক দেশ হিসেবে পরিগণিত হবে। স্বাধীনতা যুদ্ধে সহযোগিতাকারী বন্ধুপ্রতিম রাশিয়ার কারিগরি সহযোগিতায় এই প্রকল্পে কর্মরত সকলের আন্তরিক কর্মউদ্যমে দ্রুতগতিতে কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।

রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় ঈশ্বরদীর রূপপুরে প্রতিটি ১২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিট বর্তমানে নির্মাণাধীন রয়েছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি কর্পোরেশন প্রকল্পের কারিগরি পরামর্শ এবং মূল যন্ত্রপাতি সরবরাহ করছে। প্রকল্পের জেনারেল কন্ট্রাকটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে রসাটমের প্রকৌশল শাখা এটমস্ত্রয়এক্সপোর্ট (এএসই)। আগামী ২০২৩ সালে প্রথম ইউনিট ও পরের বছর দ্বিতীয় ইউনিটের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের রিয়েক্টর ভবনের প্রথম কংক্রিট ঢালাইয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্ব নিউক্লিয়ার ক্লাবের গৌরবান্বিত সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। এ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছিলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ডিসি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়