তামিম ঝলকে জিতল বরিশাল

আগের সংবাদ

মাস্ক ব্যবহারে মনোযোগী হন

পরের সংবাদ

ম্যারাডোনার প্রিয়তমার সঙ্গে এ কেমন আচরণ?

প্রকাশিত: নভেম্বর ২৮, ২০২০ , ১০:২৩ অপরাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০২০ , ১০:২৪ অপরাহ্ণ

ম্যারাডোনা তার জীবনে সম্পর্কে জড়িয়েছেন বহু নারীর সঙ্গে। নারীর প্রতি একটু বেশি আসক্ত থাকার কারণে বেশ কয়েকবার সমালোচিতও হয়েছিলেন তিনি। তবে এসব সমালোচনাকে কখনোই পাত্তা দেননি আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি। তিনি তার কাজ করে গেছেন। ম্যারাডোনা তার জীবনের শেষের দিকে এসে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন তার চেয়ে ৩০ বছর কম বয়সি রোসিও অলিভা নামক এক রমণীর সঙ্গে। অলিভার সঙ্গে ম্যারাডোনা ৬ বছর চুটিয়ে প্রেম করেছেন। তবে ২০১৮ সালে নানা সমস্যার কারণে তাদের দুজনের মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। এরপর আর তাদের মধ্যে দেখা সাক্ষাৎ হয়নি।

গত ২৫ নভেম্বর হঠাৎ করে ভক্ত অনুরাগীদের কাঁদিয়ে পরপারে চলে যান সবার প্রিয় দিয়াগো ম্যারাডোনা। তাকে এক নজর দেখার জন্য আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট প্যালেসের সামনে জড় হন হাজার হাজার মানুষ। প্রিয় ম্যারাডোনাকে এক নজর দেখার জন্য পুলিশের সঙ্গে তাদের রীতিমতো যুদ্ধও করতে হয়। তেমনই অন্যদের মতো ম্যারাডোনাকে শেষবারের মতো দেখতে চেয়েছিলেন তার ৬ বছরের বান্ধবী রোসিও অলিভা। তিনি এজন্য প্রেসিডেন্ট প্যালেসে যানও। কিন্তু শেষবারের মতো ম্যারাডোনাকে দেখতে পারেননি তিনি। তাকে ম্যারাডোনাকে শেষবারের মতো দেখতে বাধা দেয়া হয়। এমনকি তিনি জানান তাকে বলা হয়েছিল সাধারণ মানুষদের কাতারে দাঁড়িয়ে ম্যারাডোনাকে শেষবারের মতো দেখতে। আর তার মনে হয়েছে এটি তার জন্য বিশাল বড় এক অপমান। কারণ তাদের মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়ে গেলেও এক কালে তিনি ম্যারাডোনার সবচেয়ে কাছের মানুষ ছিলেন। একসঙ্গে তারা একই ছাদের নিচে বসবাস করেছেন। আর ম্যারাডোনাকে দেখতে দেয়া হয়নি বলে সবার সামনেই কেঁদে দেন তিনি।

ম্যারাডোনার সাবেক স্ত্রী ক্লদিয়া ভিয়াফানের ইচ্ছায় তাকে ঢুকতে দেয়া হয়নি এমন অভিযোগ তুলে কেঁদে ফেলেন অলিভা। এই তালিকা থেকে অলিভার নাম ভিয়াফানের কথায় তুলে নেয়া হয় বলে তার অভিযোগ। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘কে ঢুকবে তা ভিয়াফানের ওপর নির্ভর করে। জানি না ওরা আমার সঙ্গে কেন এমন করছে। শুধু শেষ বিদায় জানাতে চেয়েছিলাম। আমি ছিলাম তার শেষ সঙ্গী। বাকিদের তার ওপর যতটা অধিকার, আমারও তা-ই। তাদের দিয়াগোকে নিয়ে একটু ভাবা উচিত, যে এখন মৃত। সৃষ্টিকর্তা সব দেখছেন, একদিন এর মূল্য দিতে হবে।’

ম্যারাডোনার সঙ্গে সম্পর্কের শেষ দিকে অলিভিয়ার তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়। শোনা যায় তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। তবে অলিভিয়া জানিয়েছেন তিনি ম্যারাডোনার সঙ্গে কাটানো ভালো মুহূর্তগুলোর কথাই চিরজীবন মনে রাখবেন এবং তাকে একজন ইতিবাচক মানুষ হিসেবেই দেখবেন।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়