পড়ে রইল ‘গ্যালিলিও’র ইতিহাস

আগের সংবাদ

পরিণীতির পরিণতি

পরের সংবাদ

ফুটবল ঈশ্বরকে নিয়ে যত সিনেমা

প্রকাশিত: নভেম্বর ২৮, ২০২০ , ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০২০ , ১২:৪২ অপরাহ্ণ

ফুটবল ঈশ্বর দিয়াগো ম্যারাডোনা। পায়ের নৈপুণ্যে তিনি জয় করে নিয়েছিলেন গোটা বিশ্ব। গত ২৫ নভেম্বর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হন এ মহাতারকা। নান্দনিক ফুটবলের মতোই দুর্দান্ত ছিল যার ব্যক্তিজীবন। মানুষ জীবনের আলো-অন্ধকার, দুটোই স্পর্শ করেছে তাকে। খেলার জন্য যেমন পেয়েছেন সেরা স্বীকৃতি, তেমনি কখনো মাদক, কখনো বামপন্থি রাজনীতির জন্য পেয়েছেন হৃদয়-ভাঙা সমালোচনা। এ সবকিছু মিলিয়েই তিনি ছিলেন ন্যাপোলির রাজা, এমনকি তাকে ‘ফুটবলের রাজা’ বলতেও দ্বিধা নেই অনেকের। ম্যারাডোনার জীবদ্দশাতেই তাকে নিয়ে নির্মিত হয়েছে বেশকিছু অসাধারণ সিনেমা ও ডকুমেন্টারি। যেগুলোতে উঠে এসেছে তার বর্ণাঢ্য জীবনের গল্প।

ম্যারাডোনা, দ্য গোল্ডেন কিড
আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তিকে নিয়ে নির্মিত হয়েছে ‘ম্যারাডোনা, দ্য গোল্ডেন কিড’ নামের একটি ডকুমেন্টারি। ১ ঘণ্টা ৩৩ মিনিট ব্যাপ্তির এ তথ্যচিত্রে উঠে এসেছে না জানা ম্যারাডোনার অনেক কিছু। এটি মুক্তি পেয়েছিল ২০০৬ সালে। ডকুমেন্টারিটি পরিচালনা করেন জিন-ক্রিস্টোফ রোজ।

ম্যারাডোনা বাই কুস্তুরিকা
‘হ্যান্ড অব দ্য গড’-এর মালিক ম্যারাডোনাকে নিয়ে যত ছবি নির্মাণ রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে প্রশংসিত ‘ম্যারাডোনা বাই কুস্তুরিকা’। এই ডকুমেন্টারিটি দুবার কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের সর্বোচ্চ পদক পাম ডি’অরজয়ী সার্বিয়ান চলচ্চিত্রকার এমির কুস্তুরিকা নির্মাণ করেছেন। ১ ঘণ্টা ৩৬ মিনিটের তথ্যচিত্রটি প্রিমিয়ার হয়েছিল ২০০৮ সালের কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে। ব্যক্তিজীবনের বিতর্ককে পেরিয়ে ম্যারাডোনাকে একজন দার্শনিক ও চিন্তাবিদ হিসেবে হাজির করেছেন পরিচালক। তার বৈপ্লবিক ভাবনাগুলোও এখানে ফুটে উঠেছে যা খুব সহজেই দর্শকের মনে দাগ কেটে যায়। ম্যারাডোনা ভক্তদের উচিত হবে না দেখে থাকলে এই ডকুমেন্টারিটি আজই দেখে ফেলা।

আমান্ডো আ ম্যারাডোনা
আর্জেন্টাইন চলচ্চিত্রকার হাভিয়ের ভাসকেস পরিচালিত ‘লাভিং ম্যারাডোনা’ নামে একটি সিনেমা ২০০৭ সালে মুক্তি পায়। ১ ঘণ্টা ৪ মিনিটের এ সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন জাভিয়ের মার্টিন ওয়াজকেজ। এতে উঠে এসেছে আর্জেন্টিনার ফুটবলার ম্যারাডোনা কীভাবে বিপ্লবের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিলেন। কীভাবে কিউবায় তিনি দারুণ এক প্রেরণার নাম হয়ে উঠলেন, সে চিত্র।

দিয়াগো ম্যারাডোনা
১৯৮৪ সালে স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনা থেকে ইতালিয়ান ক্লাব নাপোলিতে নাম লেখান ম্যারাডোনা। পরের গল্পটা সবার জানা। নাপোলির ইতিহাস বদলে দেয়া সুপারস্টার ম্যারাডোনা। আজো তার সম্মানে দলটি ১০ নম্বর জার্সি তুলে রেখেছে। সেই নাপোলিতে নাম লেখানো এবং অখ্যাত এক ক্লাবকে সিরি-এ ও উয়েফা কাপ (বর্তমানে চ্যাম্পিয়নস লিগ) জেতানোর দুর্দান্ত গল্পকে ঘিরে তৈরি ডকুমেন্টারি ‘দিয়াগো ম্যারাডোনা’। এটি নির্মাণ করেছেন ব্রিটিশ চলচ্চিত্রকার আসিফ কাপাডিয়া। ২০১৯ সালে মুক্তি পাওয়া এই তথ্যচিত্রটির দৈর্ঘ্য ১৩০ মিনিট। এখানে দেখা যাবে ম্যারাডোনার কিছু বিরল ফুটেজ। এটিও কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রিমিয়ার হয়েছে।

ম্যারাডোনা, দ্য হ্যান্ড অব গড
এটি ম্যারাডোনার বায়োপিক। কিংবদন্তির জীবনের নানা গল্প নিয়ে এই সিনেমাটি তৈরি করেছেন ইতালিয়ান চলচ্চিত্রকার মার্কো রিসি। ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া এ সিনেমায় আর্জেন্টাইন ফুটবলারের পুরো জীবন উঠে এসেছে ক্যামেরার শক্তিতে। ১ ঘণ্টা ৫০ মিনিটের এই সিনেমায় শিশু ম্যারাডোনা চরিত্রে গঞ্জালো আলার্কন, কৈশোর চরিত্রে আবেল আয়ালা ও যুবক রূপে মার্কো লিওনার্দি অভিনয় করেছেন। ম্যারাডোনার স্ত্রী ক্লাওদিয়ার চরিত্রে অভিনয় করেছেন আর্জেন্টাইন অভিনেত্রী জুলিয়েতা দিয়াজ। ছবিটি খুবই প্রশংসিত ফুটবল বিশ্বে।

এমএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়