রোগীর কিডনি গায়েব: ৪ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

আগের সংবাদ

তামিম ঝলকে জিতল বরিশাল

পরের সংবাদ

আখাউড়ায় শীতের তীব্রতায় বাড়ছে ডায়রিয়া

প্রকাশিত: নভেম্বর ২৮, ২০২০ , ১০:০৮ অপরাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০২০ , ১০:০৮ অপরাহ্ণ

শীতের তীব্রতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যেন বাড়ছে ডায়রিয়া । ইতোমধ্যেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া উপজেলায় ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে । দিন দিন রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় সেবা দিতে গিয়ে যেন হিমশিম খাচ্ছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা। তারাা বলেছেন হঠাৎ আবহাওয়া পরিবর্তন ও শীতের তীব্রতার কারণেই ডায়রিয়া আক্রান্ত এবং শীতজনিত রোগীর সংখ্যা এখন বাড়ছে।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টার্ফ নার্স ও ওয়ার্ড ইনচার্জ সানজিদা মাহমুদ জানান, নভেম্বর মাসের ২১ তারিখ হতে ২৮ তারিখ পর্যন্ত ৪০ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। আক্রান্ত রোগীর মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি। গড়ে প্রতিদিন ৪/৫ জন করে ডায়রিয়া রোগী এখানে ভর্তি হচ্ছে।
সরেজমিনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, নুসরাত , রাহাদ, জয়ন্ত্রিকা মল্লিকসহ আরো ৭/৮টি শিশুর সাথে ভর্তি করা হয়েছে নুসরাত নামের এক শিশুকে। তার মা জানায় রাতে বমির সাথে পাতলা পায়খানা শুরু হলে নুসরাত খুবই দূর্বল হয়ে পড়ে। সকালে তাকে এখানে এনে ভর্তি করানো হয়। চিকিৎসা ও স্যালাইন পেয়ে এখন সে সুস্থ হওয়ার পথে। রাহাতের মা জানায়, পাতলা পায়খানা ও একাধিকবার বমি করলে আমার চিন্তিত হয়ে পড়ি। পরে এক পল্লী চিকিৎসকের পরামর্শে হাসপাতালে এনে ভর্তি করি। এখন আমার ছেলে অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার শ্যামল চন্দ্র ভৌমিক বলেন, আবহাওয়া পরিবর্তন ও শীতের কারণে মানুষ জ্বর , সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়া রোগে এখন বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। এর মধ্যে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাই বেশি। এখানে গড়ে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০ জন রোগীকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, চিকিৎসা সেবা দেওয়ার ব্যাপারে এখানে কোনো গাফলতি নেই।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ রাশেদুর রহমান বলেন, এই মৌসুমে শিশুরা ডায়রিয়াসহ অন্যান্য শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয় বেশি। রোটা ভাইরাসও বেশ সক্রিয় থাকে। এটা মুখের মধ্য দিয়েই শিশুদেও পাকস্থলিতে যায়। আতঙ্ক না হয়ে রোগীকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। তিনি আরো বলেন, বিশুদ্ধ পানি পানের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। বাসা ও পরিবেশ পরিস্কার – পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। তাছাড়া শিশুরা যেন ময়লা আবর্জনা মুখে না দেয় সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।

ডিসি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়