খাসোগিকে হত্যার নতুন রহস্য

আগের সংবাদ

মেহেদির নৈপূণ্যে বঙ্গবন্ধু টি২০ কাপে রাজশাহীর জয়

পরের সংবাদ

তাজরিন হত্যাকান্ড: সর্বোচ্চ শাস্তি ও শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণের দাবি

প্রকাশিত: নভেম্বর ২৪, ২০২০ , ৭:০২ অপরাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ২৪, ২০২০ , ৭:০২ অপরাহ্ণ

তাজরিন হত্যাকান্ডের জন্য দায়িদের সর্বোচ্চ শাস্তি, কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, শ্রম আইন সংশোধন করে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরনকারী শ্রমিকের পরিবার কে আজীবন আয়ের মানদন্ডে ক্ষতিপুরণ দেবার দাবি জানিয়েছে গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট।

মঙ্গলবার (২৪ নভ্ম্বের) সকাল ৯ টায় জুরাইন কবরস্থানে ও সকাল সাড়ে ৭টায় আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরে পুস্পার্ঘ্য অর্পন এবং সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্টের পক্ষ থেকে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়।

সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাজেকুজ্জামান রতন এর নেতৃত্বে জুরাইন কবরস্থানে নিহত শ্রমিকদের কবরে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পনে অংশগ্রহণ করেন সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব বুলবুল, কোষাধ্যক্ষ জুলফিকার আলী, জী-স্কপের সমন্বয়ক অব্দুল ওয়াহেদ, রিকশা-ব্যাটারী চালিত রিকশা চালক সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক খালেকুজ্জামান লিপন, রি-রোলিং স্টীল মিলস শ্রমিক ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম খান বিপ্লব, গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক সেলিম মাহমুদ, গার্মেন্টস ও সোয়েটার শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, আব্দুল কাদির, সাইফুল ইসলাম শরিফ, রুহুল আমিন সোহাগ প্রমুখ।

পুস্প্যর্ঘ্য অর্পন পরবর্তী প্রতিক্রিয়া এবং জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনে নেতৃবৃন্দ বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক যে ৮ বছর অতিক্রান্ত হলেও আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরে তাজরিন গার্মেন্টসে অগ্নিকান্ডে ১১৪ জন শ্রমিকের মৃত্যুর জন্য দায়িদের শাস্তি হয়নি। অগ্নিকান্ডে আহত ৩ শতাধিক শ্রমিক পর্যাপ্ত চিকিৎসা-ক্ষতিপূরণ পায়নি। তাজরিনের আহত শ্রমিকদের বেশ কয়েকজন শ্রমিক ক্ষতিপূরণের দাবিতে দুই মাসের বেশি সময় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান করছে। কিন্তু সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর তাদের দায়িত্ব নিচ্ছেনা।

শ্রমিক পক্ষ থেকে শ্রম আইন সংশোধন করে আই.এল.ও কনভেনশন অনুযায়ী কর্মক্ষেত্রে মালিকের অবহেলাজনিত কারণে শ্রমিকের মৃত্যুতে আজীবন আয়ের সমান ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিধান করার দাবি উচ্চারিত হলেও সরকার কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার পরিবর্তে মালিকের স্বার্থ রক্ষা নিশ্চিত করতে চেয়েছে বলে শ্রম আইনের ক্ষতিপূরণ সংশ্লিষ্ট ধারা পরিবর্তন করে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ মাত্র ২ লক্ষ টাকা নির্ধারণ করেছে। নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, শ্রম আইনের সংশোধনীতে যেমন শ্রমিকদের মতের প্রতিফলন হয়নি তেমনি শ্রমিকের মৃত্যুর জন্য এপর্যন্ত কাউকে সাজা পেতে হয়নি বলেই আজও কর্মক্ষেত্র বা কর্ম পরিবেশ শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ হয়ে ওঠেনি। কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকের মৃত্যুর মিছিল এখনও থামেনি। নেতৃবৃন্দ, করোনাকালে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার ও আহবান জানান।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়