নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে

আগের সংবাদ

নিউমোনিয়া প্রতিরোধে সচেতনতা

পরের সংবাদ

পারিবারিক বিরোধের জেরে রক্তাক্ত শিশু

প্রকাশিত: নভেম্বর ১২, ২০২০ , ৮:২৫ অপরাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ১২, ২০২০ , ৮:২৫ অপরাহ্ণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় পারিবারিক বিরোধের জের ধরে বাবা-মায়ের সঙ্গে দেড় বছরের এক শিশুও আহত হয়েছে। ওই তিনজনই ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার কুমারশীল মোড়ের দি ল্যাব অ্যাইড হাসপাতালে ভর্তি আছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ঘটনার পর পরই রক্তাক্ত শিশুসহ থানায় গেলে তাড়িয়ে দেয় পুলিশ। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন থানাতেই বসা ছিল। মামলা না করতে পুলিশকে তারা বলে রেখেছে বলেও ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করে।
বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে ল্যাব অ্যাইড হাসপাতালে কথা হলে আখাউড়ার কৌড়াতলী ঋষিপাড়া এলাকার আহত ডালিম মিয়া জানান, টাকা লেনদেনসহ পারিবারিক বিষয়ে নিয়ে ভাইদের মধ্যে ঝামেলা রয়েছে। বছর তিনেক আগে তিনি প্রবাস থেকে এলে ভাইদের কাছ থেকে নেয়া টাকা দিয়ে দেন। কিন্তু এরপরও এ নিয়ে ঝামেলা থেকে যায়। এরই জের ধরে বুধবার দুপুরে সৈয়দ, টুটুল ও জুয়েল না তার উপর হালা চালায়। হামলায় তার দেড় বছরের শিশুটিও আহত হয়। এ অবস্থায় সাথে সাথেই তিনি থানায় গেলে পুলিশ তাড়িয়ে দেয়। এ সময় বড় ভাই আবুলসহ কয়েকজন থানায় উপস্থিত ছিল। তারা পুলিশকে জানায় আমরা নিজেরাই নাকি মাথা ফাটিয়ে এসেছি।

মাথায় দু’টি সেলাই ও চোখে আঘাত থাকা হাফসার কান্না কোনোভাবেই থামতে পারছিলেন না মা ফুলি আক্তার। এরই ফাঁকে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘তারা আমার দুধের বাচ্চাটাকে মেরে ফেলতে ছিল। ছুরির আঘাতে তার মাথায় সেলাই লাগে। আর লাঠি দিয়ে আঘাত করলে চোখ ফুলে যায়।’

তবে সৈয়দ মিয়া এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘বাড়ি বন্টন নিয়ে ভাইদের মধ্যে ঝামেলা হয়। মাকে গালিগালাজ করে ডালিম। ডালিম নিজেই ছুরি নিয়ে এলে ঝগড়া শুরু হয়। এ সময় শিশুটি আঘাতপ্রাপ্ত হয়। আমরা পুলিশকে মামলা না নেয়ার জন্য বলিনি।’

আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রসুল আহমেদ নিজামী জানান, পারিবারিক বিরোধে তারা আহত হয়েছে। ভ’ক্তভোগীরা অভিযোগ দিলে নেওয়া হবে।

ডিসি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়