বাইডেনকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা!

আগের সংবাদ

নারী নির্যাতন প্রতিরোধ টিমের মোটরসাইকেল শোডাউন

পরের সংবাদ

নদীরক্ষায় টাস্কফোর্স গঠণের প্রস্তাব

প্রকাশিত: নভেম্বর ৭, ২০২০ , ৫:৩৩ অপরাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ৭, ২০২০ , ৫:৩৩ অপরাহ্ণ

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রপরিচালনার দায়িত্ব পালনকারী সরকারগুলো নদী ও নৌপথ রক্ষাকে গুরুত্ব না দিয়ে সড়কপথের উন্নয়নের দিকে গুরুত্ব দেওয়ায় দেশের নদীপথগুলো ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে গিয়েছিল। কিন্তু বর্তমান নৌপথের উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রকল্প বা¯Íবায়ন করছে। ফলে নৌপথে চলাচল ও সাশ্রয়ী পরিবহন ব্যবস্থা চালু করার সম্ভব হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে নৌসহ যোগাযোগ খাতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন শিপিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন রিপোর্টার্স ফোরাম (এসসিআরএফ) আয়োজিত ‘নদী, নৌপথ ও পর্যটন খাতের বিকাশ’ শীর্ষক সেমিনাওে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
এসসিআরএফ সভাপতি আশীষ কুমার দে’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মহসীনুল করিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাবেক সভাপতি আনিসুর রহমান খান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডবিøউটিএ) চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক। আলোচনায় আরো অংশ নেন নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট-এর সাবেক মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ নদী বাঁচাও আন্দোলনের নির্বাহী সদস্য প্রকৌশলী লুৎফর রহমান, নদী গবেষক ও উন্নয়ন ধারা ট্রাস্ট সদস্য সচিব আমিনুর রসুল বাবুল, এসসিআরএফ সহ-সভাপতি অমরেশ রায়, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সবুজ, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) কর্মচারি ইউনিয়ন সভাপতি আবুল হোসেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধুর সরকারের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে বেশকিছু প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। যা একদিকে নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনবে, অন্যদিকে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে সহায়ক হবে।
নদী দখলমুক্ত করতে বর্তমান সরকারের তৎপরতার কথা উল্লেখ করে নদী, নৌপথ ও পর্যটন খাতের বিকাশে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে তিনি নদীরক্ষায় প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়নের উদ্যোগসহ উন্নয়নের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

প্রকৌশলী লুৎফর রহমান নৌপথ রক্ষা আন্দোলনকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়া ও নৌপথ রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সমন্ব^য়ে একটি টাস্কফোর্স গঠণের প্রস্তাব দেন। মূল প্রবন্ধে আনিসুর রহমান খান বলেন, কোভিড-১৯ দেশের পর্যটন শিল্পকে স্থবির করে দিলেও নদী, নৌ পরিবহন ব্যবস্থা ও নদীকেন্দ্রিক সভ্যতার বদৌলতে আবারো পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠছে আমাদের পর্যটন স্পটগুলো। দেশে নদীর সংখ্যা ৮ শতাধিক। সারা দেশে ২৩০টি নদীর ওপর দিয়ে প্রায় ২৪ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি নৌপথ ছিল; যার সিংহভাগ ইতোমধ্যে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বিলুপ্ত নদী ও নৌপথ পুনরুদ্ধার, নৌ পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও পর্যটন শিল্পের বিকাশে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিচ্ছে। এ সংক্রান্ত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে দেশীয় পর্যটকের পাশাপাশি অধিক মাত্রায় বিদেশি পর্যটক আকৃষ্ট করা সম্ভব হবে। এর ফলে পর্যটন খাতে নবদিগন্ত উন্মোচিত হবে জানান তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান গোলাম সাদেক নদীপথে পর্যটনের বিকাশে পর্যটন সংশিøষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নৌপথ রক্ষা কর্তৃপক্ষগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়