হাজী সেলিমের দখল সাম্রাজ্য রাজধানীর বাইরেও বিস্তৃত

আগের সংবাদ

ট্রাম্প-বাইডেনের সামনে যে সমীকরণ

পরের সংবাদ

স্বপ্ন ঘরে তুলছেন কৃষক

প্রকাশিত: নভেম্বর ৬, ২০২০ , ৫:১৩ অপরাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ৬, ২০২০ , ৫:২০ অপরাহ্ণ

মাঠ জুড়ে কৃষকের সবুজ ধান ক্ষেত এখন রঙিন হয়ে উঠেছে। বাতাসে দুলছে আমন চাষিদের সোনালী স্বপ্ন। চারপাশে পাকা ধানের মৌ মৌ ঘ্রাণ। ধানের আগমনী বার্তায় কৃষক পরিবারে দেখা দিয়েছে আনন্দের ঢেউ। সেই আনন্দ ঘরে তুলতে শুরু করেছেন বগুড়ার ধুনট উপজেলার আমন ধানের চাষিরা।

ধুনট উপজেলা কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় প্রায় ৪৫ হাজার কৃষক ১৫ হাজার ৭৯০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ করেছেন কৃষক। এর মধ্যে কয়েক দফা বন্যা ও অতিবৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চলের ধান ক্ষেত পানিতে নিমজ্জিত হয়। ফলে ৯০ হেক্টর জমির আমন ধান নষ্ট হয়ে যায়। এরপরও কৃষক অতিবৃষ্টি এবং অতিগরমে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যদিয়ে আমন ধান চাষ করেছেন। এ বছর ধানের ভালো ফলন হয়েছে। অগ্রহায়ণ মাসে পুরোদমে আমন ধান কাটা মাড়াই শুরু হয়। এ উপজেলায় কৃষক কার্তিক মাসের মাঝামাঝি থেকে আমন ধান কাটা শুরু করেছেন।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ধুনট উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে কৃষান-কৃষানীদের আমন ধানের কাটা মাড়াই নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা গেছে। কৃষক ধান কেটে আঁটি বেঁধে ভাড়ে করে অথবা ভ্যানের মাধ্যমে বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন। বাড়ির আঙ্গিনায় চলছে আমন ধান মাড়াইয়ের কাজ। নতুন ধান নিয়ে কৃষকের যেমন ব্যস্ততা রয়েছে, তেমনি আনন্দে রয়েছে কৃষক পরিবার।

আমন ধান কে‌টে বা‌ড়ি ফির‌ছেন কৃষক।

কালেরপাড়া গ্রামের কৃষক স্বপন মিয়া বলেন, নির্ধারিত সময়ের আগেই ধানের চারা রোপন করেছিলাম। এ বছর আবহাওয়া খুব একটা অনূকুলে ছিল না। তারপরও ফলন ভালো হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে স্বপন মিয়া জানান, ধান কাটার পর ওই জমিতে তিনি সবজি চাষ শুরু করবেন।

মাদারভিটা গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম জানান, এখনো পুরোদমে ধান কাটা মাড়াই শুরু হয়নি। যার কারণে শ্রমিকের মূল্য কম রয়েছে। ৪০০ টাকায় চুক্তি ভিত্তিক শ্রমিক দিয়ে ধান কেটে ঘরে তোলা যাচ্ছে।

প্রান্তিক কৃষক আল আমিন বলেন, অল্প পরিমাণে জমিতে আগাম জাতের ধান ছিলো। ধানগুলো পেকে গেলে প্রতিদিন কিছু কিছু করে কেটে নিজেই বাড়ি নিয়ে যাচ্ছি। যার কারণে তাকে শ্রমিক নিতে হয়নি।

ধুনট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মশিদুল হক বলেন, চলতি মৌসুমে ধুনট উপজেলায় প্রায় ৫২ হাজার মেট্রিক টন আমন ধান উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। ইতোমধ্যে কৃষক ধান কাটতে শুরু করেছেন। নানা প্রতিকুলতার মধ্যে কৃষক আমন ধান চাষ করেছেন। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছেন। কৃষক ভাল ফলন পেয়ে খুশি হয়েছেন।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়