বাবা বললেন আর বোধহয় বাঁচিয়ে রাখবে না

আগের সংবাদ

প্রযোজক নাসিরউদ্দিন দিলু আর নেই

পরের সংবাদ

সাক্ষী হওয়ায় মেম্বারের বিরুদ্ধে গরু চুরি মামলা

প্রকাশিত: নভেম্বর ৩, ২০২০ , ১:০৯ অপরাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ৩, ২০২০ , ১:০৯ অপরাহ্ণ

একটি হত্যা মামলার সাক্ষী হওয়ায় এক মেম্বারের বিরুদ্ধে গরু চুরির মামলা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আদাঐর ইউনিয়নের গোয়ালনগর গ্রামে।

মামলার সুত্রে জানা যায়, উপজেলার আদাঐর ইউনিয়নের গোয়ালনগর গ্রামের নিরু সরকার নামে এক ব্যক্তি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নুর মিয়া হয়ে গোয়ালনগর গ্রামের মো: হাসিনা বেগমকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তাদের মধ্যে কলহের সৃষ্টি হয়। গত ৪ অক্টোবর নুর মিয়া বিষপান করে মৃত্যুবরণ করে।

নুর মিয়ার মৃত্যু নিয়ে এলাকার লোকজনদের মধে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। তার মৃত্যুর ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি তাকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয়েছে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা – সমালোচনার সৃষ্টি হয়। গোয়ালনগর গ্রামের মৃত চান বাদশার ছেলে আবুল কালাম এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কগ-৬ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আবুল কালামের মামলার ৩ নং সাক্ষী গোয়ালনগর গ্রামের বাসিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রইছ উদ্দিন শুক্কুর। এই ঘটনাটি কিছুদিন যেতে না যেতেই নিরু সরকার ওরফে নুর মিয়ার স্ত্রী মো: হাসিনা বেগম তার বাড়ি থেকে গরু ও ভেড়া চুরির অভিযোগ এনে আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলার বাদি মৃত চাঁন বাদশার ছেলে আবুল কালাম ও ওই মামলার ৩ নং সাক্ষী রইছ উদ্দিন শুক্কুরকে আসামি করে মাধবপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। লিখিত অভিযোগে হাসিনা আক্তার উল্লেখ করেন, তার স্বামী গত ৪ অক্টোবর বিষপান করে আত্মহত্যা করে। এ ব্যাপারে মাধবপুর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়।

ইউপি সদস্য রইছ উদ্দিন শুক্কুর জানান, নিরু সরকার একজন হিন্দু লোক ছিলেন। পরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে হাসিনা বেগমকে বিয়ে করেন। কিন্তু হাসিনা আক্তারের সঙ্গে নুর মিয়ার পারিবারিক কলহ সৃষ্টি হয়। হাসিনা আক্তার ও তার লোকজন নুর মিয়া কে নানা রকম নোংরা কথাবার্তা বলত। তাদের অশুভনীয় আচরণে নুর মিয়ার জীবন অতিষ্ট হয়ে উঠে। তারা নুর মিয়াকে আত্মহত্যার জন্য প্ররোচিত করে। পরে নুর মিয়া বিষ পান করে ছটফট করতে থাকলে হাসিনা ও তার লোকজন চিকিৎসায় গাফিলতি করতে থাকলে লোকজনদের তাগিদে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে নুর মিয়ার মৃত্যু হলে লাশ দ্রুত কবর দিতে চেষ্টা করে।

বিষয়টি নিয়ে গায়ালনগর গ্রামের মৃত চান বাদশার ছেলে আবুল কালাম এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কগ-৬ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় আমাকে স্বাক্ষী করা হয়। যার ফলে হাসিনা বেগম বাদি হয়ে গরু চুরির একটি অভিযোগ করেছে। এ ব্যাপারে মাধবপুর থানার এসআই জহিরুল ইসলাম জানান, হাসিনা বেগম নামে একজন মহিলা অভিযোগ করেছেন। অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে। গরু চুরির অভিযোগে কয়েকজন নারীর নাম ও একজন ইউপি সদস্যের নাম রয়েছে। তাই বিষয়টি কতটুকু সত্য তা এখনি বলা যাচ্ছে না।

এমআই

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।