এই দুর্ভোগের শেষ কোথায়?

আগের সংবাদ

অনুশীলনে উচ্ছ্বসিত তপু বর্মণরা

পরের সংবাদ

মারার পর সারারাত মাদকে ডুবে ছিলেন ইরফান

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৮, ২০২০ , ৯:৩১ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ২৮, ২০২০ , ৯:৩৮ অপরাহ্ণ

নৌ-বাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহম্মেদ খানকে যখন মারধর করা হয় তখনো তিনি মাদক সেবন করেছিলেন। মদ খেয়ে মাতাল অবস্থাতেই মারধর করেন তিনি। র‌্যাব সূত্র জানায়, ঘটনার পর বাসায় ফিরে নিজের ভুল বুঝতে পারেন ইরফান। এই মারধরের পরিণাম ভালো হবে না ভেবে আবার দাদা বাড়ির চারতালায় নিজের বারে ঢুকে সারারাত মদ পান করেন ইরফান।

র‌্যাবের সূত্রটি আরও জানায়, দেহরক্ষীদের সঙ্গে নিয়মিত মদ পান করেন ইরফান। এছাড়াও ৭০ জনের বেশি সদস্যের এক শক্তিশালী গ্যাং আছে ইরফান সেলিমের। ওয়াকিটকি মাধ্যমে তাদের সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান যোগাযোগ রক্ষা করতেন ইরফান। নিজের চলাফেরার জন্য সব সময় পাশে রাখতেন ১২ জন দেহরক্ষী রাখতেন। জানাগেছে, শক্তিশালী ৭০ সদস্যের গ্যাং দিয়ে পুরান ঢাকা রাজত্ব চালাতেন।

র‌্যাব বলছে, অধিকাংশ দেহরক্ষীরই অবৈধ অস্ত্র আছে। ব্যবহারের চেয়ে ভয়-ভীতি দেখানোর কাজে ব্যবহার করা হতো এসব অস্ত্র। এই অস্ত্রগুলো অবৈধ পথে বিদেশ থেকে নিয়ে আসা। মঙ্গলবার তার দেহরক্ষী জাহিদুলের কাছ থেকে এমনই একটি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করেছে র‌্যাব। অভিযান শুরু হলে র‌্যাবকে সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন। নিজের মদ পানের কথাও স্বীকার করেন। অভিযান চলাকালে তার ডোপ টেস্ট করে র‌্যাব। সেটার রেজাল্টও পজিটিভ আসে।

উল্লেখ্য, গত ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় ধানমন্ডিতে নৌ-বাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর ও হত্যার হুমকির ঘটনায় ইরফান সেলিমসহ তার দেহরক্ষী জাহিদুল ইসলাম, গাড়িচালক মিজানুর রহমান, প্রটোকল অফিসার এবি সিদ্দিক দিপু ও অজ্ঞাতনামা তিন জনসহ মোট সাতজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী লেফট্যানেন্ট ওয়াসিম আহমদ খান।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়