ইন্টারনেট সংযোগ না পেয়ে স্কুল ছাত্রের আত্মহত্যা

আগের সংবাদ

সংবাদ পর্যালোচনা

পরের সংবাদ

আইসিসির নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে বৃহস্পতিবার

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৮, ২০২০ , ৪:৩৩ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ২৮, ২০২০ , ৪:৩৩ অপরাহ্ণ

দেশের ক্রিকেটের প্রাণ বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ২০১৯ সালের এদিনে তার জীবনে বয়ে গেছে কালবৈশাখী ঝড়। তিনি জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করায় আইসিসি কর্তৃক ১ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন। যা শেষ হচ্ছে আগামীকাল। এরপর ব্যাট-বল হাতে মাঠে নামতে কোনো বাধা থাকবে না সাকিবের। তাইতো ভক্ত-সমর্থকরা জল্পনা-কল্পনায় ডুবে আছে, কখন আবার মাঠে দেখা মিলবে টাইগার অলরাউন্ডারের। জানা গেছে, ১৫ নভেম্বর যে ৫ দলকে নিয়ে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট শুরু হবে, সেটি দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে ফিরছেন সাকিব। গত ২৫ অক্টোবর প্রেসিডেন্টস কাপের ফাইনাল শেষে এ কথা জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

তবে যাইহোক সাকিবের ফেরার কারণে আসন্ন ৫ দলের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে এক ভিন্নমাত্রা যোগ হবে তা নতুন করে বলার কিছু নেই। কারণ বিশ্বের নামিদামি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টগুলোতে তাকে দলে ভেড়াতে মুখিয়ে থাকেন ফ্র্যাঞ্চাইজিরা। তেমনি ৫ দলের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে সাকিবকে পেতে আগ্রহী পাঁচ দল। বিসিবির কাছেও কয়েকটি করপোরেট হাউস এবং ব্যক্তিগতভাবে অনেকে এই টুর্নামেন্টে টিম স্পন্সর হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, যদি প্রেসিডেন্টস কাপের মতো বিসিবি দল সাজিয়ে দেয় তাহলে সাকিব কোন দলে খেলবেন? তাকে দলে নিতে সবাই মুখিয়ে আছেন। জানা গেছে, সব দলের স্পন্সর পেলে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট প্লেয়ার্স ড্রাফটের মাধ্যমেও হতে পারে। কারণ বেশির ভাগ স্পন্সরেরই লক্ষ্য সাকিব। ১ বছর পর মাঠে ফেরার অপেক্ষায় থাকা সাকিবকে রেখে দল গড়তে পারলে বাড়তি ‘মিডিয়া মাইলেজ’ পাওয়া যাবে সেদিকটাও মাথায় আছে আগ্রহীদের।

এ বিষয় গতকাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দীন চৌধুরী সুজন বলেন, বিসিবি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের জন্য স্পন্সর খুঁজছে। এ জন্য প্রচার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজ্ঞাপনও দেয়া হবে। আগ্রহীদের টিম স্পন্সর হওয়ার জন্য বলা হবে। কিন্তু এমন নয় যে শুধু প্রতিষ্ঠিত ও বড়সড় করপোরেট হাউসই হতে হবে। বিসিবির শর্তপূরণ করে যে কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানও যদি আগ্রহ দেখায়, তিনিও হতে পারবেন স্পন্সর।
তাহলে বলা যায়, সাকিবের মতো বিশ্বনন্দিত ক্রিকেটারের ৫ দলের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে ফেরা মানেই বেশ হইহই কান্ড।

এর আগে সন্তানসম্ভবা স্ত্রীর পাশে থাকতে গত মার্চে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন সাকিব। সেখানে দ্বিতীয় কন্যার বাবা হন তিনি। এছাড়া দূরে থাকলেও করোনাকালে হাত গুটিয়ে বসে ছিলেন না সাকিব। নিজ ফাউন্ডেশন থেকে অসহায় মানুষকে বিভিন্ন সহযোগিতা দিয়েছেন এই অলরাউন্ডার। এরপর গত ২ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরেছিলেন লঙ্কা সিরিজের জন্য। দেশে ফিরেই নিজেকে প্রস্তুত করার লক্ষ্যে চলে যান বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি)। কারণ নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে তিনি বিসিবির কোনো অবকাঠামো ব্যবহারের সুযোগ পাবেন না। যা হোক প্রায় ১ মাসেরও বেশি সময় অনুশীলন করেন। কিন্তু মার্কিন মুলুক থেকে যে উদ্দেশ্যে দেশে ফিরেছিলেন তা পূরণ হয়নি। ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন ইস্যুতে ভেস্তে গেছে শ্রীলঙ্কা সফর। তাই ফের ১ অক্টোবর পরিবারের সান্নিধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই ফিরে গেছেন দেশসেরা এই অলরাউন্ডার।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়