লাউগাছের নিচে উঁকি দিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে আইনুদ্দিন

আগের সংবাদ

সাম্প্রদায়িক সম্প্রতির ঐতিহ্যে ‘বউ মেলা’

পরের সংবাদ

কাউন্সিলর পদ থেকে

বরখাস্ত হতে পারেন হাজী সেলিমের ছেলে

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৬, ২০২০ , ৮:৩৬ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ২৬, ২০২০ , ৮:৩৯ অপরাহ্ণ

অবৈধ অস্ত্র ও মাদক রাখার দায়ে ঢাকা-৭ আসনের সাংদস হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমকে দুই মামলায় ৬ মাস করে ১ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাবের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ।

ইরফানকে কাউন্সিলর পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হবে কি-না জানতে চাইলে স্থানীয় সরকার সচিব হেলালুদ্দিন আহমেদ বলেন, ইরফান সেলিম বা যে কোনো কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে আদালত কতৃক এমন সাজা প্রদানের অভিযোগ সিটি করপোরেশন কতৃক লিখিত আকারে মন্ত্রনালয় পেলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ইরফান ও তার সহযোগীদের হাতে নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তা মারধরের শিকার হওয়ার জের ধরে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সোয়ারিঘাটের দেবদাস লেনে হাজী সেলিমের বাড়ি ঘেরাও করে অভিযান শুরু করে র‌্যাব।

সাদা রঙের নয়তলা ওই ভবনের তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় ইরফান সেলিম থাকেন জানিয়ে বিকালে ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার বলেছিলেন, ওই দুই ফ্লোর থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি, একটি এয়ারগান, ৩৭টি ওয়াকিটকি, একটি হাতকড়া এবং বিদেশি মদ ও বিয়ার পাওয়া গেছে।

মদ্যপান ও ওয়াকিটকি ব্যবহার করার অপরাধে ইরফান ও তার দেহরক্ষীকে ছয় মাস করে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে আশিক বিল্লাহ জানান।

তাদের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে পথরোধ করে সরকারি কর্মকর্তাকে মারধর, জখম ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন মামলার বাদী নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট মো. ওয়াসিফ আহমেদ খান।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ ২৫ অক্টোবর রাতে রাত পৌনে ৮টার দিকে স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে কলাবাগানের দিকে যাচ্ছিলেন। ল্যাবএইড হাসপাতালের সামনে সংসদ সদস্যের স্টিকার লাগানো একটি কালো রঙের ল্যান্ড রোভার গাড়ি (ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-৫৭৩৬) পেছন থেকে তার মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়।

ওয়াসিফ ও তার স্ত্রী ধাক্কা সামলে মোটরসাইকেল থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে ওই গাড়ি থেকে জাহিদ, দিপু এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও দুই-তিনজন ‘অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ’ করতে করতে নেমে আসে এবং ‘মারধর’ শুরু করে। তারা লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ ও তার স্ত্রীকে ‘উঠিয়ে নেওয়ার এবং হত্যার’ হুমকি দেয় বলেও মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

ওই ঘটনার পরে একজন প্রত্যক্ষদর্শী মোবাইল ফোনে লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফের বক্তব্য ধারণ করেন, যা ইতোমধ্যে ফেইসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে নৌবাহিনীর এই কর্মকর্তাকে রক্তাক্ত মুখে বলতে শোনা যায়, তিনি পরিচয় দেওয়ার পরও তাকে মারধর করা হয়েছে, তার স্ত্রীর গায়েও ‘হাত দিয়েছে’।

এমএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়