ফ্রান্সের ওয়েবসাইটে বাংলাদেশিদের ‘সাইবার ৭১’ হামলা

আগের সংবাদ

বিরল ব্যক্তিত্ব ব্যারিস্টার রফিক-উল হক

পরের সংবাদ

বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের শিরোপা মাহমুদউল্লাহদের

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৫, ২০২০ , ৯:০৭ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০২০ , ১০:৪০ অপরাহ্ণ

বিসিবির প্রেসিডেন্টস কাপের ফাইনালে আজ শান্ত একাদশকে ৭ উইকেটে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে মাহমুদউল্লাহ একাদশ। সুমন খানের বোলিং তোপে কোমর সোজা করে দাঁড়াতে পারেনি শান্ত একাদশের ব্যাটসম্যানরা। ৪৭.১ ওভারে প্রতিপক্ষকে গুটিয়ে দিয়ে ব্যাট করতে নেমে ২৯.৪ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে নোঙর করে মাহমুদউল্লাহ একাদশ। ব্যাট হাতে সময় মতো জ্বলে উঠেন লিটন দাস।

এই টুর্নামেন্টে ফাইনালের আগ পর্যন্ত রান খরায় ভোগা এ ব্যাটসম্যান আজ ৬৯ বলে ৬৮ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন। মুমিনুল হক এবং মাহমুদুল হাসান জয় ফাইনালে ব্যাট হাতে সফল না হলেও ইমরুল কায়েস ৫৫ বলে ৫৩ রানের ইনিংস খেলে দলের জয়ে অগ্রণী ভ‚মিকা রাখেন। বল হাতে ৫ উইেেকট পাওয়ায় ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন সুমন খান। অন্যদিকে টুর্নামেন্ট সেরা নির্বাচিত হন মুশফিকুর রহিম।

সুমন ছাড়াও এদিন গোটা টুর্নামেন্টজুড়ে দুর্দান্ত বোলিং করা অভিজ্ঞ টাইগার পেসার রুবেল হোসেনও জ্বলে ওঠেন। প্রথম স্পেলের ৫ ওভারে ২টি মেডেনের সঙ্গে ৯ রান দিয়ে তুলে নিয়েছিলেন একটি উইকেট। আর শেষ দিকে এসে নিজের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত করে দারুণ ব্যাটিং করা ইরফান শুক্কুরের উইকেটটি। আর এর মাধ্যমেই মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের সঙ্গে যৌথভাবে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বনে যান।

এদিন হোম অব ক্রিকেট মিরপুরে টস জিতে নাজমুল হোসেন শান্ত একাদশকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। টস জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়াটা যে সঠিক ছিল তা প্রমাণ করছেন রিয়াদের দলের ২ পেসার রুবেল হোসেন এবং সুমন খান। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই রুবেল হোসেনের তান্ডবের সামনে পড়ে শান্ত একাদশ। ইনিংসের প্রথম ওভারেই রুবেল হোসেনের বলে মাত্র ৪ রান করে ফিরতে হয় ওপেনার সাইফ হাসানকে। এরপর উইকেটে আসেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে তিনি উইকেটে আসার পরেই রিটায়ার হার্ট হয়ে ড্রেসিংরুমে ফেরেন সৌম্য সরকার। তিনি রিটায়ার হার্ট হয়ে ফিরলে উইকেটে আসেন মুশফিকুর রহিম।

তবে খুব বেশি সময় উইকেটে থাকতে পারেননি মুশফিক। সুমন খানের প্রথম শিকারে পরিণত হওয়ার আগে ৩৭ বলে মাত্র ১২ রান করেন মুশফিক। দলীয় ৩৫ রানেই ২ উইকেট হারায় শান্ত একাদশ। এরপর আবারো মাঠে ফেরেন সৌম্য, তবে ১৫তম ওভারে দলীয় ৪৩ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৫ রানে সুমন খানের দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফেরেন তিনি। ৪৩ রানে ৩ উইকেটে হারিয়ে চাপে পড়া শান্তদের চেপে ধরেন সুমন। উইকেটে নতুন আসা আফিফ হোসেন ধ্রæবকে কোনো রান তোলার আগেই নিজের তৃতীয় শিকারে পরিণত করেন সুমন খান।

এরপর তৌহিদ হৃদয়ের সঙ্গে ১৯ রানের জুটি গড়ে দলীয় ৬৪ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৩২ রানে মেহেদি হাসান মিরাজের শিকার হয়ে ফেরেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। মাত্র ৬৪ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে যখন ধুঁকছিল ঠিক সে সময়ই ক্রিজে আসেন ইরফান শুক্কুর। হৃদয়কে সঙ্গে নিয়ে দলের বিপর্যয় সামাল দিয়ে গড়েন ৭০ রানের জুটি। ইনিংসের ৩৬তম ওভারে মাহমুদউল্লাহ হৃদয়কে ২৬ রানে তুলে নিলে ভাঙে এই জুটি। এরপরও নিজের দৃঢ় ব্যাটিং ধরে রাখেন শুক্কুর। সেই সঙ্গে তুলে নেন অর্ধশতক। উইকেটের সামনে অফ ও অনসাইডে বেশ কিছু সাহসী ইনিংস খেলেছেন এইচপি ও মোহামেডানের হয়ে গত ২ মৌসুম খেলা চট্টগ্রামের এ উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান শুক্কুর। তিনি ৭৬ বলে ৭৫ রান করে আউট হন। মাহমুদউল্লাহ একাদশের হয়ে বল হাতে ১০ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৩৮ রানের বিনিময়ে সর্বোচ্চ ৫টি উইকেট নেন পেসার সুমন খান। আর নিয়েছেন ২টি উইকেট।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়
close