ভ্যানটিলিটর দিয়ে দেখে মৃত অবস্থায় পরে আছে

আগের সংবাদ

শুটিংয়ে ফিরলেন তাহসান-স্পর্শিয়া

পরের সংবাদ

তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে অনেকেই এখন সাংবাদিক

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৫, ২০২০ , ১০:৩৮ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০২০ , ১০:৩৯ অপরাহ্ণ

মুখে দাঁড়ি, কাধে ব্যাগ ও গলায় ঝুলানো সাংবাদিক আইডি কার্ড সঙ্গে ক্যামেরা। একাধিক পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও প্রকাশক তিনি। সবসময় ৩ হাজার সম্পাদক তার পকেটেই থাকে। এদেরকে ফোন দিলে যে কাউকে সাংবাদিক বানানো কোন ব্যাপারই না। এমন সব কথা বলে বেড়ান গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার মুনশুরপুর গ্রামের কথিত সাংবাদিক মোহাম্মদ আল-আমিন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, কথিত সাংবাদিক মোহাম্মদ আল-আমিনের সংসার চলতো অনেক কষ্টে। সংসারের খরচ যোগাতে কয়েকদিন আগেও সে রাজ যোগালীর কাজ করতো। প্রাইমারীর গণ্ডিও পার করতে পারেনি। কিন্তু সে কি এমন আলাদিনের চেরাগ পেলেন, যে রাতারাতি এত বড় মাপের সাংবাদিক হয়ে গেলেন? এমন প্রশ্ন অনেকের। ৫ শত টাকায় বিক্রি করেন সাংবাদিকতার আইডি কার্ড। কথিত ওই সাংবাদিকের ডাকে সাড়া দিয়ে স্থানীয় অনেকেই এখন সাংবাদিক।

কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম মিজানুল হক জানান, ফেসবুকের ওই স্ট্যাটাসটি ভাইরাল হওয়ার সুবাদে দেখার সুযোগ হয়েছে। এতে করে অন্য একটি জেলায় নিজের জেলা ও উপজেলাকে খুব বাজেভাবে উপস্থাপন করা হলো। এই ধরনের হলুদ সাংবাদিকদের কারণে অনেক জায়গায় মূলধারার সাংবাদিকরা আজ কোনঠাসা।

এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শিবলী সাদিক বলেন, স্ট্যাটাসটি আমি দেখেছি। সাংবাদিকতাকে বলা হয় রাষ্ট্রের ৪র্থ স্তম্ভ, যাকে বাদ দিয়ে রাষ্ট্রের উন্নয়ন কল্পনা করা যায় না। কিন্তু আজকে কিছু নামধারী সাংবাদিক মহান পেশাটিকে কুলষিত করছে। তবে এ নিয়ে আমাদের স্ব-স্ব অবস্থান থেকে এগিয়ে আসা উচিত।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়