প্রাণ বাঁচাতে বায়ুদূষণ রোধ

আগের সংবাদ

হেসে খেলে জিতল চেন্নাই

পরের সংবাদ

এবার আশুলিয়ায় ক্যাসিনোর সন্ধান গ্রেপ্তার ২১

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৫, ২০২০ , ৮:২২ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০২০ , ৮:২৬ অপরাহ্ণ

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের এক বছরের বেশি সময়ের পর আবারো আশুলিয়ায় ক্যাসিনোর সন্ধান পেয়েছে র‌্যাব। তবে এখানকার খেলোয়ররা কেউ ধন্যাঢ্য শ্রেণীর নয়। সবাই নিম্ন আয়ের মানুষ। অধিকাংশই পোষাক কারখানায় কাজ করেন, বাকিরা রিকশা চালনাসহ অন্যান্য পেশায়। মাসের শুরুতেই জমজমাট থাকে খেলা বেশী। যা খুব উদ্বেগের। এখানকার ক্যাসিনো ব্যবসার মূলহোতা ওমর ফারুক, প্লাবন ও হোসাইন। এ তিনজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

রবিবার (২৫ অক্টোবর) আশুলিয়া থানাধীন কাইচাবাড়ি এলাকার মিনি ক্যাসিনো জুয়ার আসর থেকে ২১ জনকে গ্রেপ্তারের এসব তথ্য জানান র‌্যাব-৪ এর সিনিয়র এএসপি সাজেদুল ইসলাম সজল।

আশুলিয়ায় ক্যাসিনোর সন্ধান গ্রেপ্তার ২১

অভিযানের নেতৃত্ব দানকারী র‌্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, আশুলিয়া থানাধীন কাইচাবাড়ি এলাকার কিছু অসাধু লোকজন ক্যারাম খেলার আড়ালে ক্যাসিনোসহ মাদক দ্রব্য সেবন করে এমন গোয়েন্দা তথ্যে ছিল আমাদের এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত শনিবার রাতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিছুর রহমানের উপস্থিতিতে সেখানে অভিযান চালিয়ে ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন- বিল্লাল হোসেন (৩৮), জুয়েল (২৮), মইদুল ইসলাম (৩২), সবুজ মিয়া (২৮), শরিফ (২৮), লিটন (৩২), রবিউল মোল্ল্যা, (২৪),আবু তালেব (২০), দিয়াজুল ইসলাম (২০), শিপন (২০), আব্দুল আলিম (৩৫), আজাদুল ইসলাম (৫০), সোহেল মোল্ল্যা (৩২),আসাদুল ইসলাম (৩০), এখলাছ (৩৫), মঈন মিয়া (২৮), মাসুদ রানা (২০), হাবিবুর রহমান (৪৭), রুবেল মিয়া (৩৩), ফজলে রাব্বী (২২) ও রনি ভুঁইয়া (২৫)। সে সময় তাদের কাছ থেকে ক্যাসিনো খেলার সরঞ্জামদি ১০০ পিস ইয়াবা, ১২ টি বিদেশী বিয়ার, ২২ টি মোবাইল ফোন, নগদ ৩৮ হাজার টাকা ও একটি ইলেকট্রনিক্স ক্যাসিনো বোর্ড জব্দ করা হয়। আটককৃতদের বাড়ি দেশের বিভিন্ন জেলায়।

তিনি আরো বলেন, সবাইকে ম্যানেজ করে বোর্ড চালাতেন ওমর ফারুক, প্লাবন ও হোসাইন। ১০০ টাকার নিচে খেলা যায়না এখানে। কম করে প্রতিদিন ১ লাখ টাকার ক্যাসিনো খেলা হয় এখানে। যা ৪-৫ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকাও হয়। এখানে আসা অধিকাংশই নিম্নবিত্ত। এ এলাকা ছাড়াও আশপাশ ও মিরপুরে এখনো এমর ক্যাসিনো চলছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। আমাদের অনুসন্ধান চলছে।

আশুলিয়ায় ক্যাসিনোর সন্ধান

এএসপি সাজেদুল বলেন, ক্যারাম খেলার আড়ালে ক্যাসিনো বোর্ড বসিয়ে খেলছিল তারা। এ ইলেকট্রিক বোর্ডটি মালেয়শিয়া থেকে আনা হয় বলে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। তবে সম্প্রতি নয় অনেক আগেই আনা হয়েছে এটি। কে বা কারা কিভাবে বোর্ডটি এনেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মূলহোতা ওই ৩ জনকে গ্রেপ্তার করতে পারলে আরো অনেক বিষয় উদঘাটন সম্ভব হবে। তাদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। ভবিষ্যতেও র‌্যাব-৪ ক্যাসিনো বিরোধী নজরদারি ও সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়