পূজা আছে, উৎসব কি আছে?

আগের সংবাদ

নিউজ ফ্ল্যাশ

পরের সংবাদ

করোনার বিভীষিকা ও আমাদের দায়

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৪, ২০২০ , ৭:৫৩ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ২৪, ২০২০ , ৮:০৮ অপরাহ্ণ

বাঙালি জাতি করোনায় এবং করোনাকবলে এই যে তাদের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারাল, জাতির দুর্ভাগ্য, বাঙালি সংস্কৃতি অনুযায়ী তাদের জানাজা, শ্রাদ্ধ প্রভৃতিতে ঐতিহ্য অনুসারে হাজারে হাজারে আমরা সমবেত হতে পারিনি। পারা যায়নি তাদের শ্রাদ্ধের আয়োজন, সম্ভব হয়নি তাদের জন্য কোনো স্মরণ সমাবেশ আয়োজন করার। তবে কি এক বা দুই বছর পর ইতোমধ্যে আরো যাদের হারাব সেসব প্রিয়জনের গণহারে স্মরণ সভা করব- যদি তার মধ্যে করোনার ভাইরাস থেকে আমরা সবাই মুক্তি পেতে পারি।

করোনা সৃষ্ট বিভীষিকা তার ভয়ঙ্কর চেহারা নিয়ে দিনযাপন করছি। বাংলাদেশে করোনা মহামারিতে সংখ্যার দিক থেকে বহু দেশের চেয়ে কম হলেও বাংলাদেশ যাদের ইতোমধ্যেই হারাল তাদের নামের তালিকা দেখলে একাত্তরের মতোই আঁতকে উঠি। মনে পড়ে যায় ১৪ ডিসেম্বরের কথা। যে ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকেই আমরা শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে প্রতি বছর পালন করে আসছি।

একাত্তরের মার্চ থেকে ওই বর্বর হত্যালীলার শুরু হয়ে চলেছিল ডিসেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত। এবারে এই ২০২০ সালেও, নির্মমতার সাক্ষাৎ মেলে মার্চ থেকে। ডিসেম্বর এখনো আসেনি। কিন্তু এই সময়কালের মধ্যে যাদের আমরা হারিয়েছি তাদের তালিকার দিকে চোখ মেললে আঁতকে না উঠে পারা যায় না। ওইদিন যে কয়জন শীর্ষ বুদ্ধিজীবীর তালিকা সংবাদপত্রগুলো প্রতি বছর আজো তাদের প্রথম পৃষ্ঠায় প্রকাশ করে আসছে- এই অক্টোবর, ২০২০ পর্যন্ত করোনার নির্মমতায় হারানো শীর্ষ বুদ্ধিজীবীদের তালিকা তার চাইতে অনেক বড়। একাত্তরে বাড়ি থেকে বুদ্ধিজীবীদের মুখোশ পরে রাতের অন্ধকারে ধরে অন্যত্র নিয়ে হত্যা করা হয়েছিল- এবারো করোনা মুখোশ (মাস্ক) পরেই আসে যাকে হত্যা করবে তিনিও মাস্ক পরে বাড়িতে হাসপাতালে বা আইসোলেশনে মাস্ক বা মুখোশ পরে থাকা সত্তে¡ও ঠিকই চিনে নিচ্ছে তাদের। একাত্তরের মতোই তারা স্বজনদের থেকে ছোঁয়াচে চরিত্রের রোগের কারণে স্বজনদের থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায়ই তাদের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে।

আবার লোকান্তরিত ওই বিদগ্ধজনদের একাত্তরে ভয়ে যেমন তাদের শেষকৃত্য করতে পারেনি- এই ২০২০-এ এসে ঠিক তেমনই স্বজন শুভাকাক্সক্ষীরা পারছেন না তাদের শেষকৃত্যাদিতে শরিক হতে ঘটনা জানা সত্তে¡ও। এটি আমার মনে হয়, একাত্তরের চেয়েও ভয়াবহ কারণ সেদিনকার বুদ্ধিজীবীরা ঘরে বসে হলেও ওই অবরুদ্ধ বাংলাদেশে থেকে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে লেখালেখি করেছিলেন বা ক্ষেত্রবিশেষে নানাভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করছিলেন কিন্তু এবারে তো তা না। এবারে তো ওই অর্থে বাংলাদেশ অবরুদ্ধ না কেউ সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধও করছে না। তাই সে কাজে কাউকে সহায়তাও করছিলেন না। তবু ঘটল-ঘটছে-ঘটেই চলেছে নির্বিচারে।

১৯৭১-এ হত্যালীলার সমাপ্তি ঘটেছিল ডিসেম্বরে- এবার তার প্রায় অর্ধশতাব্দী পরে যে হত্যালীলা শুরু হয়েছে তা যে ডিসেম্বরে সমাপ্ত হবে তার কোনো সম্ভাবনাই দৃশ্যমান হচ্ছে না। বিশেষজ্ঞরাও তা বলছেন না বরং বলছেন, শীতে করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গ আরো অনেক ভয়াবহতা নিয়ে হাজির হওয়ার আশঙ্কা। ইউরোপে শীত চলছে সেখানে নতুন করে সৃষ্ট ভয়াবহতা বিশেষজ্ঞদের ওই আশঙ্কাকেই সত্য বলে প্রমাণ করছে। দ্বিতীয় ঢেউ আরো অনেক দেশকে ইতোমধ্যেই আঘাত করেছে। এবারে পেছন ফিরে তালিকাটা দেখি, বাঙালি জাতির আলোর দিশারি যাদের ইতোমধ্যেই হারিয়েছি তাদের তালিকাটা- তাদের নামগুলো।

১. অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, যিনি তার প্রজ্ঞা, তার লেখনী, তার দেশপ্রেম, তার সাহস দিয়ে বাঙালি জাতিকে সারা জীবন উজ্জীবিত অনুপ্রাণিত করেছেন, মুক্তিযুদ্ধে বিপুল ভ‚মিকা রেখেছেন, ভাষা আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন, সাহসের মৌলবাদের বিরোধিতা করেছেন, স্বয়ং আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে কুখ্যাত এক যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে সাহসের সঙ্গে সাক্ষ্য দিয়ে তার মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করেছেন এবং ফলে নিজেও তাদের টার্গেটে পরিণত হয়েছিলেন সেই অসাধারণ গুণসম্পন্ন হাজার হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকার শিক্ষক-জাতীয় অধ্যাপককে গ্রাস করল করোনা।

২. জিয়াউদ্দিন তারিক আলী। প্রচারবিমুখ বহুমুখী প্রতিভাসম্পন্ন এই মুক্তিযোদ্ধাকে গত ৭ সেপ্টেম্বর কেড়ে নিল করোনা তার প্রিয় স্বদেশ ও স্বজনদের কাছ থেকে। ১৯৬৬ সালে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী আটজনের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম। রাজধানী ঢাকার শেরে বাংলা নগরে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের নতুন বিশাল ভবন নির্মাণের বহুমুখী কাজে তিনি ছিলেন প্রধান সমন্বয়ক। এর অবকাঠামো ও কর্মধারার সব স্তরের জড়িয়ে আছে তার হাতের ছোঁয়া।

১৯৭০ সালে জিয়াউদ্দিন তারিক আলী গণসংগীতের দলে অন্তর্ভুক্ত হয়ে রাজপথে গান গেয়ে বেরিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই তিনি সীমান্ত পাড়ি দেন এবং মুক্তিসংগ্রামী শিল্পী দলের সদস্য হয়ে তিনি শরণার্থী শিবির, মুক্তিযোদ্ধাদের শিবির, মুক্ত এলাকাগুলোতে গানের মাধ্যমে উদ্দীপ্ত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। এই সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সভাপতি। অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ছিলেন ওই আন্দোলনের প্রধান উপদেষ্টা-প্রধান পৃষ্ঠপোষক।

করোনায় এবং করোনাকালীন আরো যাদের জাতির যে শ্রেণি সন্তানদের বাঙালি জাতি হারিয়েছে তাদের তালিকায় স্থান পেয়েছে। জাতীয় অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী- যিনি যমুনা বহুমুখী সেতু এবং নির্মীয়মান পদ্মা সেতু প্রকল্পের উপদেষ্টার ভূমিকায় থেকে প্রকৌশলী হিসেবে অসামান্য প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে গিয়েছেন; মহান মুক্তিযুদ্ধের দুই নায়ক সেক্টর কমান্ডার সি আর দত্ত ও সেক্টর কমান্ডার আবু ওসমান চৌধুরী, অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুব আলম, রাজনীতিক মোহাম্মদ নাসিম, নারীনেত্রী রাখি দাস পুরকায়স্থ, গীতিকার আলাউদ্দিন আলী, বিজ্ঞানী অধ্যাপক আলী আসগর, শিল্পী-ভাষাসৈনিক মুর্তজা বশির, কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোর, স্থপতি মৃণাল হক, অধ্যাপক রিয়াজুল ইসলাম এবং এই তালিকায় সর্বশেষ যুক্ত হলেন খ্যাতনামা কথাসাহিত্যিক রশীদ হায়দার এবং বিশিষ্ট কবি ও গবেষক অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন জাহেদী। এছাড়া যার নাম উল্লেখ না করলেই নয়- তিনি হলেন ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু প্রণব মুখার্জি। তালিকাটি যতই দিন যেতে থাকবে ততই আরো দীর্ঘ হতে থাকবে এবং এর শেষ কোথায় তা কেউই জানি না।

বাঙালি জাতি করোনায় এবং করোনাকবলে এই যে তাদের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারাল, জাতির দুর্ভাগ্য, বাঙালি সংস্কৃতি অনুযায়ী তাদের জানাজা, শ্রাদ্ধ প্রভৃতিতে ঐতিহ্য অনুসারে হাজারে হাজারে আমরা সমবেত হতে পারিনি। পারা যায়নি তাদের শ্রাদ্ধের আয়োজন, সম্ভব হয়নি তাদের জন্য কোনো স্মরণ সমাবেশ আয়োজন করার। তবে কি এক বা দুই বছর পর ইতোমধ্যে আরো যাদের হারাব সেসব প্রিয়জনের গণহারে স্মরণ সভা করব- যদি তার মধ্যে করোনার ভাইরাস থেকে আমরা সবাই মুক্তি পেতে পারি।

আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, আজ পর্যন্ত পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে করোনায় ও করোনাকালে এত বেশিসংখ্যক বিশিষ্টজনকে এখন পর্যন্ত হারায়নি। অতঃপর কি করা? আমরা কি কোনো অলৌকিক ক্ষমতার ভরসায় থাকব? ওই অদৃশ্য কোনো ক্ষমতা এসে করোনা প্রতিরোধ করবে মানুষ বাঁচাবে? এমন কোনো ধারণা যদি আমরা একজনও মনের কোণে পোষণ করি তবে মারাত্মক ভুল করব। আজ বাঙালি সংস্কৃতির যে বিপর্যয় করোনা সৃষ্টি করেছে- সেই বিপর্যয়ের হাত থেকে আমরা আমাদের, আমাদের সবাইকে না সম্ভব হলেও বেশিরভাগ লোককে বাঁচানো সম্ভব হয়। এ কাজটি করতে পারে একমাত্র বিজ্ঞান। বিজ্ঞান যেদিন নির্ভরযোগ্য প্রতিরোধ এবং প্রতিষেধক আবিষ্কার করবে এবং তা সহজলভ্য হবে তখনই একমাত্র আমরা রেহাই পাব। বৈজ্ঞানিকরা সে গবেষণা চালাচ্ছেন বহু দেশে। কোনো কোনো দেশ দাবি করছে তারা চূড়ান্তভাবে মানবদেহে প্রয়োগে সফল হলেই ব্যাপক পরিমাণে উৎপাদন করে দেশ-বিদেশের বাজারে পৌঁছাবেন। কিন্তু জানা যাচ্ছে না ঠিক কত দিনে ওই প্রতিরোধক-প্রতিষেধক ঠিক ঠিক কখন মানুষের দুয়ারে পৌঁছাবে। কেউ কেউ নিশ্চিত করতে চাইছেন আগামী ২০২১ সালের প্রথমদিকে তা সম্ভব হবে কিন্তু নিশ্চিত করে তা বলা যাচ্ছে না।

তাহলে যতক্ষণ পর্যন্ত বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার চূড়ান্ত না হয়, যতক্ষণ পর্যন্ত না ওই আবিষ্কার পৃথিবীর সব দেশের মানুষের ঘরে না পৌঁছায় ততক্ষণ তো বসে থাকা যাবে না। বাঁচার জন্য লড়াই চালিয়ে যেতেই হবে। আর সে দায়িত্ব ব্যক্তির, পরিবারের, সমাজের এবং সর্বোপরি রাষ্ট্রের। এই চার অংশের একটি অংশও যদি নিষ্ক্রিয়, নিস্পৃহ থাকেন তবে মানুষের বাঁচার নিশ্চয়তা খুবই কম যদি জোরদারভাবে শীতকালীন দ্বিতীয় ধাক্কা আশঙ্কা অনুযায়ী সত্যিই বাড়ে।

প্রথমত; ব্যক্তিগতভাবে সবাই মাস্ক পরিধান এবং মানুষে মানুষে দুই গজ দূরত্ব রক্ষা করে চলা, কোথাও ভিড় তৈরি না করা- করলে তা সযতনে এড়িয়ে চলা, ব্যবসায়ীদের পাড়া-মহল্লায় রিকশা ভ্যানে শাক-সবজি তরি-তরকারি মাছ তেল ডাল প্রভৃতি রোজ সকালে বিক্রিতে উৎসাহিত করা এবং যতটা সম্ভব পুষ্টিকর খাবার খাওয়া। সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে এগুলো নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করতে। রাষ্ট্রের দায়িত্ব সর্বাধিক। যত কথাই বলা হোক, এ যাবৎ এ ব্যাপারে রাষ্ট্র তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনে ব্যর্থ হয়েছে। তাই ওই ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তা দূর করতে যথেষ্ট সময় হাতে রেখে করোনা প্রতিরোধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।

আমার বিবেচনায় ব্যবস্থাগুলো হওয়া উচিত নিম্নরূপ :
এক. উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত প্রতিদিন ন্যূনতম নির্দিষ্ট সংখ্যক (প্রতি উপজেলায় এ সংখ্যা প্রতিদিন ২০০ হতে পারে) মানুষের করোনা টেস্ট করার কিটস সরবরাহ করা;
দুই. প্রতি জেলায় পিসিআর ল্যাব অবিলম্বে স্থাপন করা;
তিন. প্রতি জেলার সরকারি হাসপাতালে করোনা ওয়ার্ড স্থাপন করে অন্তত ২৫ বেড, উপযুক্ত সংখ্যায় চিকিৎসক, নার্স ও অপরাপর স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ব্যবস্থা;
চার. প্রতিটি সরকারি জেলা হাসপাতালে প্রয়োজনীয় পরিমাণ অক্সিজেন ও অন্তত আটটি করে আইসিইউ স্থাপন করা;
পাঁচ. করোনা পরীক্ষার জন্য যাবতীয় ফি প্রত্যাহার করে নেয়া;
ছয়. বাড়ির বাইরে মাস্ক ছাড়া বের হলে জনপ্রতি কমপক্ষে ১ হাজার টাকা করে জরিমানা আদায় করার জন্য সর্বত্র ভ্রাম্যমাণ আদালত স্থাপন করা;
সাত. জেলা-উপজেলা পর্যায়ে মাস্ক পরিমাণ ও সমাবেশ জটলা বন্ধে টহল পুলিশের ব্যবস্থা করা;

শেষে যে কথাটি বলতে একাত্তরে আমরা জানতাম বাঙালির শত্রæ কারা এবং সেই শত্রুরা যেমন পাকবাহিনীর সদস্যরা, রাজাকার-আলবদররা এবং শান্তি কমিটির লোকেরা ছিল দৃশ্যমান। তাই তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং বিজয়ী হতে পেরেছিলাম মাত্র ৯ মাসের মধ্যে।

কিন্তু এবারের শত্রু একটি ভাইরাস যা দৃশ্যমান নয়। তাই তাকে পরাস্ত করতে সময় লাগা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তাই কামনা করব, বিজ্ঞানীরা সত্বর সফল হবেন এবং মানুষ বাঁচাতে সর্বত্র মানুষের কাছে প্রতিরোধক প্রতিষেধক সহজলভ্যভাবে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করবেন। নিজে বাঁচতে হবে, পরিবারকে বাঁচাতে হবে, বন্ধু-বান্ধবসহ গোটা সমাজ ও দেশকেও বাঁচাতে হবে।

রণেশ মৈত্র : রাজনীতিক ও কলাম লেখক।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়