হার্ট অ্যাটাক করে হাসপাতালে কপিল দেব

আগের সংবাদ

প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করায় ৬ মাস জেল!

পরের সংবাদ

স্প্যানিশ মিডিয়ার অত্যাচারে জর্জরিত মেসি-ফাতি

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৩, ২০২০ , ১০:২৪ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ২৩, ২০২০ , ১০:২৪ অপরাহ্ণ

বার্সেলোনার বিস্ময় বালক আনসু ফাতিকে নিয়ে বর্ণবাদী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এবিসি। এ জন্য পরে ক্ষমাও চেয়েছে এবিসি মিডিয়া। এবার আর্জেন্টাইন ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসির দাতব্য ফাউন্ডেশনের বিপক্ষে এক মামলায় হেরেছে তারা। মামলায় হারার পর আইনজীবী নির্দেশ দিয়েছেন মেসি ফাউন্ডেশনকে এবিসি কর্তৃপক্ষের ৭,১৪২ ইউরো ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৭ লাখ ১৬ হাজার টাকা। এই টাকা যাবে মেসির দাতব্য প্রতিষ্ঠান সেন্ট জো ডি হাসপাতালে।

প্রতিবেদনের বরাতে জানা যায়, মেসির দাতব্য ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে এবিসি মনগড়া প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। যেখানে মেসি কর ফাঁকি দিচ্ছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। ফলে বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলাও দায়ের হয়। যেখানে জিতেছেন লিওনেল মেসিই।  মেসির দাতব্য ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে পর্যায়ক্রমে এমন সংবাদ প্রকাশ করছিলেন জাবিয়ের চিকোটে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার সব প্রতিবেদন মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। এর দায়ও দিতে হচ্ছে বড় অঙ্কের টাকা জরিমানা দিয়ে। গত বছরও মেসি ফাউন্ডেশনের সাবেক কর্মী ফ্রেদরিকো রেতোরি এই সংস্থার বিপক্ষে কীভাবে জালিয়াতি ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ তুলেছিলেন তা প্রকাশ করেছিল ইএসপিএন। অভিযোগে রেতোরি বলেছিলেন, মেসি ফাউন্ডেশন সামাজিক কাজের চেয়ে লাভজনক ব্যক্তিগত কাজ নিয়েই বেশি সক্রিয়। তারা শুধু নিজেদের লাভ দেখে। কীভাবে মানুষের উপকার করা যায় তার প্রতি নজর নেই। যদিও এটি একটি এনজিও, এর কাজই হচ্ছে মানুষের উপকার করা। তবে প্রমাণ না থাকায় মেসি ফাইন্ডেশনের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ খারিজ করে দেয়া হয়।

এর আগে চলতি মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রথম ম্যাচে ফেরেঙ্কভারোসের বিপক্ষে জয়ে একটি গোল করেছিলেন বার্সা সেনসেশন আনসু ফাতি। বিষয়টিকে প্রকাশ করতে মাদ্রিদভিত্তিক পত্রিকা এবিসি ফাতিকে রাস্তার কালো হকার বলে এক জায়গায় উল্লেখ করে। যদিও ক্রীড়াঙ্গন বর্ণবাদী আচরণকে অত্যন্ত ঘৃণার চোখে দেখে। এমন ঘটনার পর এর প্রতিবাদ করেছিলেন বার্সেলোনার ফরাসি ফরোয়ার্ড অ্যান্থনি গ্রিজম্যানও। তিনিও এবিসিকে ফাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশ দেন। এ নিয়ে গ্রিজম্যান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখেন, আনসু একজন ব্যতিক্রমী ছেলে, যেসব মানুষের মতোই সম্মানের দাবি রাখে। বর্ণবাদকে না, অভদ্রতাকে না।

গ্রিজম্যানের এই টুইটের পর থেকে শুরু হয় তোলপাড়। বর্ণবাদের অভিযোগে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয় এবিসি পত্রিকা ও ওই প্রতিবেদন করা সাংবাদিক সালভাদরকে। পরে তাদের পক্ষ থেকে দুঃখপ্রকাশ করে ক্ষমা চাওয়া হয়। ক্ষমা চেয়ে সেই সাংবাদিক লেখেন, আমি ফাতির সুন্দর খেলার প্রশংসা করতে উপমার ব্যবহার করতে চেয়েছিলাম। যেকোনো প্রকার ভুল বোঝাবুঝির জন্য আমি দুঃখিত।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়
close