বাংলাদেশ আনসার চ্যাম্পিয়ন

আগের সংবাদ

চাটমোহরে কনেসহ বিয়ের বাস পুকুরে, আহত ১৫

পরের সংবাদ

ডমিঙ্গোর মন জয় করেছেন যারা

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৩, ২০২০ , ৯:২৯ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ২৩, ২০২০ , ৯:৩১ অপরাহ্ণ

বিসিবির উদ্যোগে ৩ দল নিয়ে আয়োজন করা বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের গ্রæপ পর্বের খেলা শেষ হয়ে গেছে। শুক্রবার ফাইনাল ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের কারণে বিসিবি তা ২ দিন পিছিয়ে রবিবারে নিয়ে গেছে। এখন শুধু অপেক্ষা ফাইনালের।

প্রেসিডেন্টস কাপের গ্রæপ পর্বের খেলাগুলো উপভোগ করেছেন জাতীয় দলের প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। গ্রুপ পর্বের খেলা শেষে তিনি বোলারদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন। বোলারদের পারফরমেন্স তার মন কেড়েছে। বিশেষ করে তাসকিন আহমেদ, রুবেল হোসেন ও শরিফুল ইসলামের কথা বলেছেন তিনি। এ ব্যাপারে ডমিঙ্গো বলেন, ‘আমি যা দেখলাম তাতে ভীষণ উচ্ছ্বাসিত। আপনারা দেখেছেন তাসকিন কিভাবে বল করেছে। প্রতিটি আন্তর্জাতিক দলেরই সাদা বলের ক্রিকেটে একজন ফাস্ট বোলার থাকে।

যখন উইকেটের দরকার হয় তাকে ডাকা হয়। ইংল্যান্ড ডাকে জোফরা আর্চারকে, দক্ষিণ আফ্রিকা রাবাদাকে, অস্ট্রেলিয়া স্টার্ককে আর ভারত ডাকে বুমরাহকে। দেখে ভালো লাগছে যে আমাদের হাতেও কিছু অপশন আছে এখন, ম্যাচ টাইট হলে যাদের দ্রুতগতিতে বল করার জন্য ডাকা যাবে। তাসকিন কিংবা খালেদের মতো বোলাররা বাউন্সের মাধ্যমে এক-দুজনকে আউট করে দিতে পারবে।’

ডোমিঙ্গো আলাদা করে প্রশংসা করেছেন তরুণ পেসার শরিফুল ইসলামের। যুব বিশ^কাপজয়ী বাঁ-হাতি এই পেসারকে নিয়ে কোচ বলেন, ‘তাকে আরো কিছু কাজ করতে হবে। বাঁ-হাতিদের বিপক্ষে বল সুইং করানোর ব্যাপারটা বলা হয়েছে। তার বলে ভালো পেস এবং বাউন্স আছে। সে আসলে হৃদয়গ্রাহী। সব সময়ই হাসতে থাকে, শিখতে চায়। তরুণ ফাস্ট বোলারের যেটা বেশ ভালো একটা গুণ।’

অন্যদিকে প্রেসিডেন্টস কাপে টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা বলতে গেলে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন। তামিম, লিটন, সৌম্যর মতো টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা রান পাননি। তবে এ ব্যাপারটি নিয়ে চিন্তিত নন জাতীয় দলের কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। কারণ করোনার কারণে খেলোয়াড়রা দীর্ঘদিন খেলার বাইরে ছিল। তার বিশ্বাস ধীরে ধীরে রান পাবেন তারা।

সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার প্রসঙ্গ উঠলে ডমিঙ্গো বলেন, ‘আমি খুব খুশি। আমি মনে করি এই টুর্নামেন্টটি দারুণ মনোযোগ দিয়ে খেলেছে সবাই। আপনি দেখেছেন মাঠে ছেলেরা কতটা চেষ্টা করেছে, বোলাররা নিংড়ে দিয়ে বোলিং করেছে। অবশ্যই আমরা আরো কিছু রান পেলে দারুণ হতো। তবে আপনাকে এটাও বুঝতে হবে যে ছেলেরা প্রায় ৭ মাস ধরে কোনো প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলেনি। কয়েকজন ব্যাটসম্যান অনুশীলনে যোগ দিয়েছিল টুর্নামেন্ট শুরুর এক বা দুই সপ্তাহ আগে।’

দীর্ঘ বিরতির পর ক্রিকেটাররা বেশ কয়েকটা প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলতে পারছেন এটাকেই প্রাপ্তি বলছেন হেড কোচ, ‘কোচ হিসেবে আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে খেলেরা কিছু ম্যাচ খেলছে। ম্যাচ খেলার চেয়ে বড় অনুশীলন আর নেই। তাছাড়া প্রতিটি ম্যাচই প্রতিযোগিতামূলক হয়েছে। উইকেটগুলো সহজ ছিল না। আমি মনে করি সেই কারণেই ব্যাটসম্যানদের সংগ্রাম করতে দেখেছেন।’

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়
close