বাগেরহাটে রামকৃষ্ণ মিশনের উদ্যোগে বস্ত্র বিতরণ

আগের সংবাদ

নৌ পরিবহন ধর্মঘট চলছে

পরের সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

প্রকাশিত: অক্টোবর ২২, ২০২০ , ২:১২ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ২২, ২০২০ , ২:১২ অপরাহ্ণ

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে তিনজন গুরুতর আহত হয়। তাদেরকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুই গ্রুপের সদস্যরা সবাই চন্দ্রগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক কাজী মামুনুর রশিদ বাবলুর অনুসারী।

বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউপির পশ্চিম লতিফপুর গ্রামের ১নং ব্রিজ এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের লতিফপুর গ্রামের আবদুল আউয়ালের ছেলে মোহাম্মদ কামরুল (২০), মো: হারুনের ছেলে রাকিব (১৮) ও কামাল হোসেনের ছেলে রায়হান পারভেজ অন্তর (১৯)। আহতরা সবাই চন্দ্রগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক কাজী মামুনুর রশিদ বাবলুর অনুসারী ও ওমর ফারুক আরজু গ্রুপের সদস্য বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রাতে আফজাল রোডের ১নং ব্রিজের ওপর চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের লতিফপুর গ্রামে কাজী বাবলুর অনুসারী এম মাসুদ গ্রুপের সদস্য এম সজিব ও হৃদয় পাটওয়ারীসহ কয়েকজন অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে অবস্থান করতে দেখা যায়। কিছুক্ষণ পর বাবলুর আরেক অনুসারী ওমর ফারুক আরজু গ্রুপের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছলে সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কাজী বাবলুর অনুসারী এম মাসুদ ও ওমর ফারুক আরজু গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। এম মাসুদ কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি এবং ওমর ফারুক আরজু সাবেক সভাপতি। তারা একে অন্যের প্রতিদ্বন্দ্বী। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় চন্দ্রগঞ্জ নিউমার্কেট এলাকায় দুই গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে কাজী বাবলু নিজেই তাদের মধ্যে সমঝোতা করে দেন। কিন্তু এরপরেও এম সজিব গ্রুপের সদস্যরা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের লতিফপুর গ্রামের ১নং ব্রীজ এলাকায় অবস্থান নেয়। রাতে ঘটনাস্থলে আরজু গ্রুপের সদস্যদের সঙ্গে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

কাজী মামুনুর রশিদ বাবলু বলেন, তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ঘটনাটি মিমাংসা করার চেষ্টা করতেছি।

চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসীম উদ্দীন বলেন, কাজী বাবলুর অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাটি শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এমআই

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়