কালীগঞ্জ ইউপি উপ-নির্বাচনে অলির বিজয়

আগের সংবাদ

ডু প্লেসিসের স্ত্রীর অভিলাষ

পরের সংবাদ

ফুটবলারদের নামে যত ধর্ষণ মামলা

প্রকাশিত: অক্টোবর ২০, ২০২০ , ৯:৪৭ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ২০, ২০২০ , ১০:১২ অপরাহ্ণ

পৃথিবীতে যত জঘন্য কাজ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ধর্ষণ। সমাজের ও আইনের চোখে ধর্ষকদের ধরা হয় নিকৃষ্ট ব্যক্তি হিসেবে। সমাজের যে কোনো শ্রেণির মানুষই এমন হীন কাজ করতে পারে। ধনী হোক, গরিব হোক বা সমাজের চোখে সম্মানিত ব্যক্তি হোক তাদেরও এমন জঘন্য কাজ করতে দেখা গেছে। এমন হীন কাজে ফুটবলের সর্বোচ্চ স্তরের তারকাদেরও জড়িত থাকতে দেখা গেছে। এমনকি তাদের নামেও হয়েছে মামলা। যদিও হাইপ্রোফাইল যেসব ফুটবলারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে তাদের সবাই তা অস্বীকার করেছেন।

পর্তুগিজ ফুটবল তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ছিল বহুল আলোচিত। ২০১০ সালে ক্যাথরিন মায়োগ্রা নামক এক আমেরিকান নারী অভিযোগ করেন তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছেন রোনালদো। যদিও ওই নারী ২০১০ সালে মুখ খোলেন। কিন্তু তিনি জানান, আরো আগেই রোনালদো তাকে ধর্ষণ করেছিল। এমনকি ওই নারী আরো দাবি করেছিলেন এই ধর্ষণের কথা যেন কেউ জানতে না পারে এজন্য রোনালদো তাকে অনেক টাকা দিয়েছিল। তবে তিনি কিছুদিন চুপ থাকলেও পরবর্তী সময় রোনালদোর বিরুদ্ধে মুখ খুলেন। তবে রোনালদো তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন মায়োগ্রার সম্মতিতেই তার সঙ্গে তিনি শারীরিকভাবে মিলিত হয়েছিলেন।

২০১৯ সালে ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমারের বিরুদ্ধে এক ব্রাজিলিয়ান নারী ধর্ষণের অভিযোগ করেন। ওই নারী তার অভিযোগে বলেন নেইমারের সঙ্গে অনলাইনে তার সখ্যতা তৈরি হয়। এরপর তিনি নেইমারের সঙ্গে দেখা করতে ফ্রান্সের প্যারিসে আসেন। সেখানে তাকে নেশাগ্রস্ত নেইমার জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। রোনালদোর মতো নেইমারও এই অভিযোগ অস্বীকার করেন। নেইমার ওই নারীর সঙ্গে হওয়া বেশ কিছু কথোপকথন ও ছবি প্রকাশ করেন। যেখানে দেখা যায় ওই নারী নেইমারকে তার বেশ কিছু অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি পাঠিয়েছেন।

২০১৪ সালে দুই ফরাসি কিংবদন্তি ফুটবলার ফ্রাঙ্ক রিবেরি ও করিম বেনজেমা যৌন ক্যালেঙ্কারিতে ফেঁসে যান। যদিও তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের কোনো মামলা হয়নি। তবে ১৮ বছরের চেয়ে কম যৌনকর্মীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করার কারণে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। ২০১৪ সালে জাহিয়া দেহার নামক ফরাসি-আলজেরিয়ান কিশোরী যৌনকর্মীর সঙ্গে তারা দুজন শারীরিক সম্পর্ক করেন। তখন জাহিয়া দেহারের বয়স ছিল ১৭। আর এ কারণে ফেঁসে যান বেনজেমা ও রিবেরি। যদিও তারা দুজন তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তারা দাবি করেন, তারা জানতেন না জাহিয়ার বয়স তখন ১৮-এর কম ছিল। অবশ্য প্যারিসের একটি আদালতও পরবর্তী সময় জানায় বেনজেমা ও রিবেরি দুজনের কেউই জাহিয়ার বয়স নিয়ে জানতেন না।

আর্জেন্টিনাইন ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার বিরুদ্ধেও রয়েছে ধর্ষণের অভিযোগ। ২০১৭ সালে তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগটি করেন রাশিয়ান নারী সাংবাদিক একাতেরিনা নাদোলস্কা। তিনি জানান, কনফেডারেশন্স কাপের ফাইনালের আগে তিনি ম্যারাডোনার হোটেল রুমে গিয়ে তার একটি সাক্ষাৎকার আনতে যান। কিন্তু তিনি ম্যারাডোনার হোটেলে যাওয়ার পর ম্যারাডোনা জোর করে তার কাপড় খুলে ফেলেন ও তাকে ধর্ষণ করেন। পরের দিন ওই নারী সাংবাদিক ম্যারাডোনার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।

ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন আরেক ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার রবিনহো। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে ইতালিতে থাকা সময় এক নারীকে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণ করেন তিনি। তবে রবিনও তার বিরুদ্ধে ওঠা সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন ওই নারীর সম্মতি নিয়েই তার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করেছিলেন তিনি।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়