সম্ভাবনার রুপালি ইলিশ

আগের সংবাদ

নিষেধ অমান্য করে বাল্য বিয়ে, বর জেলে

পরের সংবাদ

 মা-ছেলের সম্পত্তির বিরোধে পেট্রলের আগুনে দগ্ধ ৬

প্রকাশিত: অক্টোবর ১৯, ২০২০ , ৯:৫১ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০২০ , ৯:৫১ অপরাহ্ণ

নোয়াখালী সদর উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নে মা-ছেলের সম্পত্তির বিরোধে পেট্রলের আগুনে মা-ছেলেসহ ৬ জন অগ্নিদগ্ধ হয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) উপজেলার রামহরিতালুক গ্রামের রড় মার্কেট সংলগ্ন প্রবাসী ইসমাইল হোসেন বাবুলের বাড়ি এ ঘটনা ঘটে।

অগ্নিদগ্ধরা হলেন, রামহরিতালুক গ্রামের প্রবাসী ইসমাইল হোসেন বাবুলের স্ত্রী আসমা বেগম (৩৫), ইসমাইল হোসেন বাবুলের ছেলে কামাল উদ্দিন (৩২), আবদুর শহীদের ছেলে মো. সুমন (৩০), নুরুল আমিনের ছেলে মান্না (২২), একই উপজেলার বাঁধেরহাট এলাকার আবদুল লতিফের ছেলে কবির হোসেন (৪৫) ও সালেহপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মো. তারেক (২২)।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, রামহরিতালুক গ্রামের প্রবাসী ইসমাইল হোসেন বাবুলের স্ত্রী সালেহা বেগম তিন ছেলে, এক মেয়ে রেখে মারা যায়। পরে বড় ছেলে কামাল তাদের সাজানো সংসার পরিপূর্ণ রাখতে বাবা বাবুলকে আসমা বেগম নামের এক নারীকে বিয়ে করান। বিয়ের পর থেকে বাবুলের দ্বিতীয় স্ত্রী আসমা বেগম আগের পক্ষের তিন ছেলে কামাল উদ্দিন, জাবেদ হোসেন, জামাল হোসেন ও মেয়ে পারভীন আক্তারকে তাদের বাবার বাড়ি থেকে বিতাড়িত করে দেয়।

সাম্প্রতিক সময়ে প্রবাসী ইসমাইল হোসেন বাবুলের প্রথম সংসারের ছেলে-মেয়েরা বাবার সম্পত্তির ভাগের জন্য তাদের সৎ মা আসমা বেগমকে চাপ প্রয়োগ করে। এতে আসমা বেগম আগের পক্ষের সন্তানদের সম্পত্তির ভাগ দিতে অস্বীকৃতি জানায়। সোমবার সকালে কামাল তার ভাগিনাকে নিয়ে বাবার বাড়িতে গিয়ে সৎ মা আসমা বেগমকে সম্পত্তির ভাগাভাগির বিষয়টি বলেন। এতে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। এসময় কামাল পেট্রল দিয়ে বাড়ির জমির কাগজ পোড়াতে গেলে তার সৎ মা বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। উভয়ের ধস্তাধস্তিতে পেট্রলে আগুন লেগে আসমা বেগম, কামাল উদ্দিনসহ ৬জন দগ্ধ হয়। তাদের আত্মচিৎকারে আশপাশের লোকজন দগ্ধদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। দগ্ধ আসমা বেগম ও কামাল উদ্দিনের অবস্থার অবনতি দেখে তাদেরকে ঢাকা পাঠানো হয়।

কামাল উদ্দিনের স্ত্রী কহিনুর আক্তার জানান, শাশুড়ি আসমা বেগমের কাছে তার স্বামী কামাল উদ্দিন সম্পত্তির ভাগ চাইতে গেলে তিনি পেট্রল দিয়ে জমির কাগজ পুড়িয়ে দিতে জমির কাগজে আগুন ধরিয়ে দেয়। এসময় কামাল বাঁধা দিলে তার গায়েও আগুন দেয় লাগিয়ে দেয়। এতে কামালের শরীরের ৭০ শতাংশ আগুনে পুড়ে গেছে।

সুধারাম মডেল থানার ওসি নবীর হোসেন আগুনে ৬জন দগ্ধ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় কোন পক্ষ এখনো থানায় অভিযোগ দায়ের করেনি। দগ্ধদের মধ্যে দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। চারজন নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ডিসি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়