পরকীয়া প্রেমের জেরেই খুন হন দিনমজুর আলমগীর

আগের সংবাদ

পরীক্ষা দিয়েই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি

পরের সংবাদ

জিয়া পরিষদের দুই নেতাকে বহিষ্কার

প্রকাশিত: অক্টোবর ১৭, ২০২০ , ৯:০৯ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ১৭, ২০২০ , ৯:০৯ অপরাহ্ণ

সংগঠনের নীতি ও আদর্শ বিরোধী কাজ এবং সংগঠনের সামগ্রিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার দায়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) জিয়া পরিষদের দুই নেতাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে সংগঠনটি। সেই সঙ্গে জিয়া পরিষদ ইবি শাখা থেকে প্রাথমিক সদস্য পদ বাতিলও করেছে সংগঠনটি। ঐ শিক্ষকদ্বয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ও সংগঠনের সহ-সভাপতি ড. এ এস এম সরফরাজ নেওয়াজ এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ও কার্যনির্বাহী সদস্য ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইদ্রিস আলী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সংগঠন সূত্রে, গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর শিক্ষক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে জাতীয়তাবাদ ও ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী বিএনপি জামায়াত পন্থি শিক্ষকদের যৌথ প্যানেলের বাইরে স্বতন্ত্র প্যানেল নিয়ে নির্বাচন দাঁড়ায় ঐ দুই শিক্ষক। ওই সময় দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে তারা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন বলে সংগঠন থেকে অভিযোগ তোলা হয়।

বিজ্ঞপ্তি সূত্রে, ২৮ সেপ্টেম্বর সংগঠনটির ভার্চুয়াল সাধারণ সভায় তাদের এহেন কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক ৩০ সেপ্টেম্বর উভয়ের বরাবর কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়। নোটিশ প্রাপ্তির ১৫ দিনের মধ্যে তাদের জবাব দিতে বলা হয়। তবে ১৫ দিন পার হলেও কোন জবাব না দেওয়ায় গঠনতন্ত্রের ২৬ ধারা অনুযায়ী, তাদেরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করে সংগঠন। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে কার্যনির্বাহী কমিটির ভার্চুয়াল সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। শনিবার থেকে এ বহিষ্কারাদেশ কার্যকর হবে বলে ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এ বিষয়ে জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হুসাইন বলেন, করোনার কারণে ও কিছু প্রসিডিউর মেইনটেইন করতে গিয়ে আমরা তাদের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব করে ফেলেছি। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে এহেন কর্মকাণ্ড করায় ও দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করায় তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের কারণ দর্শানোর নোটিস দেয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা কোন জবাব দেয়নি।

উল্লেখ্য, ৬ সেপ্টেম্বর জিয়া পরিষদ নেতা অধ্যাপক এ কে এম মতিনুর রহমানকে আহবায়ক ও অধ্যাপক এ এস এম শরফরাজ নেওয়াজকে সদস্য সচিব করে সাদা দলের আত্মপ্রকাশ ঘটে বিশ্ববিদ্যালয়ে। এ দলে মোট সদস্য ২৬ জন।

সর্বশেষ সোমবার (১২ অক্টোবর) জিয়া পরিষদ ইবি শাখার প্রতি চরম অনাস্থা জানিয়ে ও কিছু কারণ দেখিয়ে এক প্রেস রিলিজের মাধ্যমে জিয়া পরিষদ থেকে ১৭ জন শিক্ষকের পদত্যাগ দেখানো হয়। সেখানে ঐ দুই শিক্ষকের নামও দেখা যায়। কিন্তু তাদের সবার নামের পাশে কারো কোন স্বাক্ষর ছিল না, ছিল না সবার পক্ষে কোন সদস্যের স্বাক্ষর।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়