আইসিএসডির ভাইস প্রেসিডেন্ট হলেন ড.মোস্তাফিজ

আগের সংবাদ

গৃহকর্মী নিয়ে তুলকালাম, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া

পরের সংবাদ

ধর্ষণ মামলায় মেডিক্যাল রিপোর্ট মুখ্য নয়

প্রকাশিত: অক্টোবর ১৪, ২০২০ , ১০:৩৯ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০২০ , ১০:৪২ অপরাহ্ণ

ধর্ষণ মামলায় মেডিক্যাল রিপোর্ট মুখ্য নয়, ভুক্তভোগীর মৌখিক ও পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্য দ্বারা আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হলেও তার ভিত্তিতে আসামিকে সাজা প্রদান করা যেতে পারে মর্মে রায় ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। খুলনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ধর্ষণের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ইবরাহিম গাজীর সাজা বহাল রেখে বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এ রায় প্রকাশিত হয়।

আদালত তার রায়ে বলেছেন, শুধুমাত্র মেডিক্যাল রিপোর্ট না থাকার কারণে ধর্ষণের মামলা অপ্রমাণিত বলে গণ্য হবে না। ভুক্তভোগীর মৌখিক ও পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্য দ্বারা আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হলেও তার ভিত্তিতে আসামিকে সাজা প্রদান করা যেতে পারে। তাই মেডিক্যাল রিপোর্ট না থাকার কারণে যে আসামি ধর্ষণ করেনি মর্মে খালাস পেয়ে যাবে, এই অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয়। ভুক্তভোগী দেরিতে মামলা করলেও তা মিথ্যা নয় বলেও রায়ে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এর আগে খুলনার দাকোপে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অপরাধে ২০১৯ সালের ১৩ মার্চ খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আসামি মো. ইবরাহিম গাজীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ, সঙ্গে ২০ হাজার টাকা অনাদায়ে আরও ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। এরপর সেই রায়ের বিরুদ্ধে আসামি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল দায়ের করে। হাইকোর্টে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জান্নাতুল ফেরদৌসি (রুপা)। আর আসামির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. আমিনুল হক হেলাল।

শুনানিতে আসামির আইনজীবী আদালতকে জানান, মামলার অভিযোগে ঘটনার সময় দেখানো হয়েছে ২০০৬ সালের ১৫ এপ্রিল সকাল ৫টা ৪৫ মিনিটে। কিন্তু বাদী নালিশি মামলা করেছে ঘটনার ৮দিন পর, অর্থাৎ ২০০৬ সালের ২৩ এপ্রিল। এই বিলম্বের কারণে আসামিকে মিথ্যাভাবে জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এরপর উভয়পক্ষের শুনানি শেষে হাইকোর্ট আসামির সাজা বহাল রেখে তার আবেদনটি খারিজ করে রায় ঘোষণা করেন। আদালত তার রায়ে উল্লেখ করেন, ধর্ষণ মামলায় মেডিক্যাল রিপোর্ট মুখ্য নয়, ভুক্তভোগীর মৌখিক ও পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্য দ্বারা আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হলেও তার ভিত্তিতে আসামিকে সাজা প্রদান করা যেতে পারে।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়