এবার আলুতে অশনি সংকেত

আগের সংবাদ

মাফিয়া গ্যাং আমাকে মেরে ফেলবে, মোদীকে পায়েলের ট্যাগ

পরের সংবাদ

সেই নারীর ঘর থেকে আলামত সংগ্রহ

প্রকাশিত: অক্টোবর ১২, ২০২০ , ৯:৪২ পূর্বাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ১২, ২০২০ , ৯:৫০ পূর্বাহ্ণ

আদালতে বাদল-সাজুর স্বীকারোক্তি

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার এখলাশপুর ইউনিয়নে নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা দুই মামলা তদন্তে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এদিকে এই মামলার দুই আসামি বাদল ও সাজু এ দিন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

রবিবার (১১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইর ইন্সপেক্টর মামুনুর রশিদ পাটোয়ারির নেতৃত্বে পিবিআইর একটি দল এখলাশপুর ইউনিয়নের জয়কৃষ্ণপুর গ্রামে নির্যাতনের শিকার সেই নারীর বাড়িতে যান। এ সময় তারা ভুক্তভোগীর ঘর থেকে তার ব্যবহৃত জামা-কাপড়, বালিশ, বিছনার চাদর এবং কয়েকটি কার্টনসহ মামলার বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন। এ সময় বাড়ির পাশের খালে এবং পুকুরে আরো কিছু আলামত উদ্ধারের জন্য জাল ফেলে ও ডুবুরি নামিয়ে খোঁজাখুজি করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজনকে স্বাক্ষী করে আলামতগুলোর জব্দ তালিকা প্রস্তুতের পর জেলা পিবিআই কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

এর আগে শুক্রবার সকালে পিবিআই নোয়াখালীর ইন্সপেক্টর সুভাষ চন্দ্র পালের নেতৃত্বে একটি দল ওই নারীকে নিয়ে তার বাড়ি পরিদর্শনে যান। পরদিন শনিবার মামলার ১ নম্বর আসামি নুর হোসেন ওরফে বাদল, ৩ নম্বর আসামি আবুল কালাম ও ৫ নম্বর আসামি মাঈন উদ্দিন ওরফে সাজুকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পিবিআই কর্মকর্তারা।

এদিকে রিমান্ড শেষে গতকাল দুপুরে মামলার প্রধান আসামি নুর হোসেন বাদল, মাইনুদ্দিন সাজু ও রহমত উল্যাহকে মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এরপর বিকালে ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় বাদল ও সাজু। জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) গুলজার আহমেদ জুয়েল জানান, প্রধান আসামি বাদল সিনিয়র চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাশফিকুল হকের খাস কামরায় এবং ৫ নম্বর আসামি সাজু চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নবনীতা গুহের খাস কামরায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এর আগে মামলার আরো ৫ আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, গত ২ সেপ্টেম্বর ঘরে ঢুকে ওই নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের একটি ভিডিও ৪ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই দিন রাতে পুলিশ নির্যাতনের শিকার ওই নারীকে খুঁজে বের করে নিরাপত্তা হেফাজতে নেয়। ওই রাতেই ভুক্তভোগী বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে ২টি মামলা দায়ের করেন। দুই মামলার এজাহারে ৯ জনের নাম উল্লেখসহ

অজ্ঞাত আরো ৭/৮ জনকে আসামি করা হয়। এরপর মঙ্গলবার রাতে ওই নারী ঘটনার মূলহোতা দেলোয়ার এবং তার সহযোগী কালামের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এই তিন মামলায় এ পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর মধ্যে এজাহারভুক্ত ৯ জন এবং তদন্তে যুক্ত করা হয়েছে ২ জনকে।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়