বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে সালাউদ্দিনের পুষ্পস্তবক অর্পণ

আগের সংবাদ

রোহিঙ্গা নিয়ে ১০ বছরের চুক্তিতে একমত নয় সরকার

পরের সংবাদ

রাজা জিতলেন রাজার মতো

প্রকাশিত: অক্টোবর ১২, ২০২০ , ৮:৫৫ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ১২, ২০২০ , ৮:৫৫ অপরাহ্ণ

ফ্রেঞ্চ ওপেনের রাজা ডাকা হয় স্পেনের কিংবদন্তি টেনিসার রাফায়েল নাদালকে। শুধু শুধু তাকে কেউ তাকে রাজার খেতাব দেয়নি। ফ্রেঞ্চ ওপেনে এই ২০২০ সালের আগে ১২বার শিরোপা জয় করে তবেই এই খেতাব আদায় করে নিয়েছেন তিনি। এবার তিনি খেলতে নামেন ১৩তম শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে। এ ক্ষেত্রে অসফল হননি। ফাইনালে নাম্বার ওয়ান টেনিসার নোভাক জোকোভিচকে ৬-০, ৬-২, ৭-৫ সেটে হারিয়ে রাজার মতোই ফ্রেঞ্চ ওপেনে নিজের ১৩তম শিরোপা জিতলেন তিনি। জোকোভিচের বিপক্ষে তার জয় পেতে সময় লেগেছে ২ ঘণ্টা ৪১ মিনিট। ২০১৪ সালেও জোকোভিচের বিপক্ষে ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনালে খেলেছিলেন নাদাল। আর সেবারও তিনি জোকোভিচকে হারিয়ে শিরোপা জিতে নিয়েছিলেন।

এই শিরোপা জয়ের সঙ্গে সঙ্গে নাদালের নামের পাশে যুক্ত হয়েছে ২০তম গ্র্যান্ডস্লামের শিরোপা। আর ফলে যৌথভাবে ছেলেদের টেনিসে সর্বোচ্চ গ্র্যান্ডস্লামের শিরোপা জয়ের রেকর্ড গড়েছেন। তিনি ফ্রেঞ্চ ওপেনের এই শিরোপা জয়ের আগে সুইস কিংবদন্তি টেনিসার রজার ফেদেরার ২০টি শিরোপা জয় করে এককভাবে সর্বোচ্চ গ্র্যান্ডস্লামের শিরোপা জয়ের মালিক ছিলেন। এখন তার রেকর্ডে ভাগ বসালেন নাদাল।

জোকোভিচকে ফাইনাল ম্যাচটিতে হারানোর মাধ্যমে একটি সেঞ্চুরিও করে ফেলেছেন নাদাল। আর সেই সেঞ্চুরি হলো জয়ের সেঞ্চুরি। তিনি শুধুমাত্র ফ্রেঞ্চ ওপেনেই ১০০টি ম্যাচে জয়ের কীর্তি দেখিয়েছেন। শুধু একটি গ্র্যান্ডস্লামে ১০০টি ম্যাচে জয় পাওয়া চাট্টিখানি কথা নয়। কিন্তু এই কঠিন বিষয়টিকেই সহজ করে ১০০ ম্যাচ জয়ের কীর্তি গড়েছেন নাদাল।

এদিকে নাদালের বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচটিতে খুবই সাবধানতা অবলম্বন করে প্রথমে খেলা শুরু করেন জোকোভিচ। কারণ এই ম্যাচটিতে খেলতে নামার আগে কাঁধের ও গলায় ইনজুরি ছিল জোকোভিচের। আর ইনজুরি যেন না বেড়ে যায় সেজন্যই এই সাবধানতা অবলম্বন করেছিলেন তিনি। অপরদিকে নাদাল এমনভাবে খেলছিলেন যেন এটি তার জীবন-মৃত্যুর লড়াই। তিনি জোকোভিচকে কোনো প্রকার ছাড়ই দেননি।

বেশি সাবধানতা অবলম্বন করতে গিয়ে লজ্জায় পড়তে হয় জোকোভিচকে। তিনি নাদালের বিপক্ষে প্রথম সেটটিতে কোনো পয়েন্টই করতে পারেননি। এরপর দ্বিতীয় সেটে গিয়ে তিনি নাদালের বিপক্ষে হারেন ৬-২ ব্যবধানে। জোকোভিচ এক জায়গায় দাঁড়িয়ে খেলতে চাচ্ছিলেন। আর তার এক জায়গায় দাঁড়িয়ে খেলার সুবিধাই আদায় করে নেন নাদাল। জোকোভিচের শারীরিক ভঙ্গি ও নাদালের ক্ষিপ্রতা দেখে দ্বিতীয় সেটের পরই বোঝা গিয়েছিল নাদালের জন্য ১৩তম শিরোপা জয় সময়ের ব্যাপার মাত্র। তবে তৃতীয় সেটে গিয়ে একটু ফাইট দেয়ার চেষ্টা করেন জোকোভিচ। আর এতে করে কিছুটা সফলতাও পান তিনি। এই সেটটিতে তিনি জয়ের কিছু সম্ভাবনাও তৈরি করেন। কিন্তু বিধি বাম বেশিক্ষণ আর তিনি ফাইট দিতে পারেননি। ম্যাচের ২ ঘণ্টা ৪১ মিনিটের সময় তিনি ৭-৫ ব্যবধানে হেরে যান।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়