বরগুনা কারাগারে মিন্নি

আগের সংবাদ

সংসদের কোরাম সংকটে ক্ষতি ২২ কোটি টাকা

পরের সংবাদ

গো-খাদ্যের সংকট: খড় না পেয়ে কচুরিপানা

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২০ , ৫:৩৯ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২০ , ৮:১২ অপরাহ্ণ

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় চলতি বছরের ভারতীয় পাহাড়ি ঢলে দফায় দফায় বন্যা ও অতি বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে উপজেলার বিস্তীর্ণ গো-চারণ ভূমি, কৃষি জমির ফসল ও গবাদিপশুর আবাসস্থল। ফলে খাদ্য সংকটে পড়েছে প্রায় ৭০ হাজার গবাদিপশু। বুধবার(৩০ সেপ্টেম্বর) সকালের দিকে সরেজমিনে গিয়ে এসব তথ্য পাওয়া যায়।

জানা গেছে, জুলাই মাসের টানা ভারী বর্ষণে ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ব্রহ্মপুত্র নদে, সোনাভরী নদী, হলহলিয়া ও জিঞ্জিরাম নদীতে বন্যার পানিতে ৬টি ইউনিয়ন তলিয়ে গেছে। মাঠে দীর্ঘদিন জমে থাকে পানি। বর্তমানে প্রায়ই এলাকার জমির ফসল পানিতে ডুবে আছে। ফলে গো-চারণ ভূমিতে উৎপাদিত ঘাস ও ধানের খড় নষ্ট হয়ে যায়। ওই সব এলাকার গবাদি পশুকে মাঠে খাওয়াতে না পেরে সংরক্ষিত খড়ও শেষ। এতে বিপাকে পড়েছে খামারিরা। গরু বাঁচিয়ে রাখতে বাইর থেকে আসা ৫ শত টাকার খড় ১৫ শত টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে খামারিদের।

রৌমারী সদর গুচ্ছু গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এক বিঘা জমিতে ধান রোপণ করেছি বন্যায় নষ্ট হয়েছে। গরুর খাদ্য নিয়ে বিপদে আছি।

ইছাকুড়ি গ্রামের জাইদুল ইসরাম বলেন, বর্তমানে আমাদের কোনো খড় নেই। বিভিন্ন জায়গায় থেকে কচুরিপানা সংগ্রহ করে গরুকে খাওয়াচ্ছি। ধান খেত নষ্ট হয়ে গেছে।

উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ টি এম হাবিবুর রহমান জানান, বন্যায় কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। এখনো নিম্নাঞ্চলে পানি রয়েছে। যে কারণে গো খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। আমরা গো খাদ্য সংকট মোকাবিলায় কৃষক ও খামারিদের বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। অপরদিকে একটি তালিকা করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠিয়েছি।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়