ঢাকা-৫ উপনির্বাচনের প্রতীক পেলেন পাঁচ প্রার্থী

আগের সংবাদ

বৃষ্টি বাড়লেও সুদিন ফেরেনি ছাতার কারিগরদের

পরের সংবাদ

ঢাকায় ৭৬ শতাংশ মানুষ চাকরি হারিয়েছে: ওয়ার্ল্ড ব্যাংক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০ , ৪:৫৮ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০ , ৫:০২ অপরাহ্ণ

‘লুজিং লাইভলিহুড: দ্য লেবার মার্কেট ইমপ্যাক্টস অব কোভিড-১৯ ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, যারা চাকরি হারিয়েছেন, তাদের মধ্যে ঢাকায় চাকরি হারিয়েছেন ৭৬ শতাংশ এবং চট্টগ্রামে ৫৯ শতাংশ। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বেশি চাকরি হারিয়েছেন বিভিন্ন বস্তিতে বসবাসরত মানুষ। সেখানে চাকরি হারিয়েছেন ৭১ শতাংশ। আর অন্য এলাকায় হারিয়েছেন ৬১ শতাংশ। আরও কিছু মানুষ কাজে ফিরে যাওয়ার আশায় আছেন এবং হয়তো তারাও সেটি ফিরে পেতে নাও পারেন। সুতরাং চাকরি হারানোর মানুষের সংখ্যা বাস্তবে আরও বেশি হতে পারে।

ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের কর্মজীবীদের ওপর র‌্যাপিড প্যানেল ফোন সার্ভের মাধ্যমে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। সার্ভেটি দুইটি ধাপে করা হয়েছে। একটি মহামারি শুরুর পরে। আরেকটি ১০ জুন থেকে ১০ জুলাইর মধ্যে। ঢাকা থেকে সার্ভেটিতে অংশ নেওয়া প্রতি চার জনের একজন সাক্ষাৎকারটি দেওয়ার আগের সপ্তাহে সক্রিয়ভাবে কোনো কাজ করেননি। কিন্তু, ২৫ মার্চের আগে তারা কাজ করতেন। এই সংখ্যাটি চট্টগ্রামে ২২ শতাংশ।

সবচেয়ে আগে অর্থনৈতিক লকডাউন দেওয়া হয়েছিল কক্সবাজারে। এই জেলায় বসবাসরত ৯০ শতাংশ বাংলাদেশিই জানিয়েছেন, করোনাভাইরাসের কারণে দেওয়া লকডাউন চলাকালীন তারা চাকরিতে নিযুক্ত ছিলেন। ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই তিন এলাকার মানুষের মধ্যে আয় কমে যাওয়া বেশি পরিলক্ষিত হয়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রামের বেতনভোগী কর্মীদের ৮০ শতাংশ এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে ৯৪ শতাংশ জানিয়েছেন, তাদের আয় স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কমে গেছে।

মজুরিভিত্তিক শ্রমিকদের মধ্যে, যারা দৈনিক ও সাপ্তাহিক মজুরির ভিত্তিতে কাজ করেন, তাদের আয় বেতনভোগীদের চেয়ে অনেক বেশি (৪৯ শতাংশ) কমেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, নারী শ্রমিকরাও এই মহামারিতে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং তুলনামূলকভাবে বেশি চাকরি হারিয়েছেন। আয় কমে যাওয়ায় ৬৯ শতাংশ পরিবারই তাদের স্বাভাবিক খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ কমিয়েছেন। একই সংখ্যক মানুষ তাদের বন্ধুদের কাছ থেকে সহায়তা নিয়েছেন।

ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সার্ভেতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৩৮ শতাংশের পরিবার সরকারি সহায়তা পেয়েছেন এবং ৪২ শতাংশের পরিবার তাদের জমানো অর্থ ব্যবহার করেছেন। যারা চাকরি হারিয়েছেন, তাদের মধ্যে ৫৪ শতাংশই পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। এরপর রয়েছেন গার্মেন্টসকর্মীরা। তাদের মধ্যে চাকরি হারিয়েছেন ১৯ শতাংশ।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়