৬ রুটে বিমানের ফ্লাইট বাতিল

আগের সংবাদ

অপু-সাকিবের জয়ের জন্মদিন

পরের সংবাদ

এমসি কলেজে গণধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২০ , ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২০ , ২:৪৩ অপরাহ্ণ

সিলেটের এমসি কলেজে স্বামীর কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় প্রধান আসামি সাইফুর রহমানকে (২৮) সুনামগঞ্জ থেকে ও ৪ নম্বর আসামি অর্জুন লস্করকে হবিগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা নোয়ারাই খেয়াঘাট থেকে সাইফুরকে গ্রেফতার করা হয়। এদিকে সকাল ৬টার দিকে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার মনতলা এলাকা থেকে অর্জুন লস্করকে গ্রেফতার করে সিলেট জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মিজানুর রহমান জানান, প্রযক্তির সহায়তায় সীমান্ত এলাকার দিকে আসামি সাইফুর রহমানের অবস্থান নিশ্চিতের পরই একটি দল পুলিশ নোয়ারাই খেয়াঘাট থেকে তাকে গ্রেফতার করে।  এদিকে ধর্ষণের ঘটনার পর আরেক আসামি অর্জুন পালিয়ে যায় হবিগঞ্জের মাধবপুরে। সেখানে মনতলা এলাকায় তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে অবস্থান করছিল সে। প্রযুক্তির মাধ্যমে অর্জুনের অবস্থান শনাক্ত করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (উত্তর) ওসি সাইফুল আলমের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি দল রোববার সকালে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। পরে দুপুর ১২টার দিকে তাকে সিলেট নগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা পুলিশের একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।

সাইফুর রহমানের বাড়ি সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার সোনাপুরের চান্দাইপাড়ায়। তার বাবার নাম মো. তাহিদ মিয়া।  আরেক আসামি অর্জুন জকিগঞ্জ উপজেলার আটগ্রামের কানু লস্করের ছেলে।

সাইফুর অস্ত্র মামলারও আসামি। ঘটনার দিন রাত ৩টার দিকে এমসি কলেজের হোস্টেলে অভিযান চালিয়ে সাইফুর রহমানের কক্ষ থেকে একটি পাইপগান, চারটি রামদা ও একটি চাকু, দুটি লোহার পাইপ, প্লাসসহ বিভিন্ন জিনিস জব্দ করে। ছাত্রলীগের এই নেতার বিরুদ্ধে হোস্টেল সুপারের বাংলো দখলের অভিযোগও রয়েছে।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন এক গৃহবধূ। রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বামীর কাছ থেকে ওই গৃহবধূকে জোর করে তুলে নিয়ে ছাত্রাবাসে ধর্ষণ করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় কলেজের সামনে তার স্বামীকে আটকে রাখে দুজন।

এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদি হয়ে শাহপরান থানায় মামলা করেছেন। মামলা ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাত আরও ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এমআই

মন্তব্য করুন

যে মন্তব্যগুলো খবরের বিষয়বস্তুর সাথে মিল আছে এবং আপত্তিজনক হবে না সেই মন্তব্যগুলোই দেখানো হবে। প্রকাশিত মন্তগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত। পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য ভোরের কাগজ লাইভ কোন দায়ভার গ্রহণ করবে না।

জনপ্রিয়