কক্সবাজারের ৩৪ পুলিশ পরিদর্শককে বদলি

আগের সংবাদ

বাঙালির মনোলোকের নবরূপকার

পরের সংবাদ

বিদ্যাসাগর : ব্যক্তি ও ব্যক্তিত্ব

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০ , ৫:২৪ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০ , ৫:২৫ অপরাহ্ণ

নিজের বাল্যকাল থেকেই তার লক্ষ্যের প্রতি তীব্র নিষ্ঠা নিয়ে কাজ করতেন, অর্জন করতেন। তাঁর পিতামহ কম বয়সে তাঁকে ‘এঁড়ে’ ডাকতেন এই কারণেই। নিজের মন নির্দ্বিধায় জানতেন। ভণিতা তাঁর ব্যক্তিত্বে ছিল না। তিনি যেমন করুণাসাগর ছিলেন, একই সাথে ছিলেন রাগীবৃষ। শিবনাথ শাস্ত্রীকে বিদ্যাসাগর বলেছিলেন, ‘ভারতবর্ষে এমন রাজা নাই, যাহার নাকে এই চটিজুতোসুদ্ধ পায়ে টক করিয়া লাথি না মারিতে পারি।’

বিদ্যাসাগরের জন্মের দুশো বছরের দ্বারপ্রান্তে আমরা। দুশো বছর পরেও আমরা যখন একজন মানুষকে মনে করতে যাই, তখন বিলক্ষণ সেই মানুষ আর ব্যক্তি মানুষ থাকেন না, সেই ব্যক্তি হয়ে যান বিশেষ ব্যক্তি- ব্যক্তিত্ব। বিনয় ঘোষ যেমন বলেন, ‘সমাজ জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাতের ভিতর দিয়ে ব্যক্তিসত্তার যে পূর্ণ বিকাশ হয় তাকেই আমরা বলি ‘ব্যক্তিত্ব’।’ বিদ্যাসাগর বাঙালি সমাজে এমন এক ব্যক্তিত্ব যাকে বারবার মনে করতে হয়। বিদ্যাসাগরের অবদানের ক্ষেত্র বহুল বিস্তৃত। তাঁর সবচেয়ে বেশি আশকারা পাওয়া বন্ধু, কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বিদ্যাসাগরের ব্যক্তিত্বকে কয়েকটি শব্দে অসাধারণ করে ধরতে সমর্থ হয়েছেন, ‘প্রাচীন ঋষিদের মতন জ্ঞান’ আর ‘ইংরেজদের মতন কর্ম শক্তি’। এর বাইরেও মাইকেল লিখেছিলেন, ‘বাঙ্গালী মায়েদের মতন আপনার অন্তঃকরণ’। কিন্তু এসব যে আর কারো ছিল না, তা তো নয়। তাহলে বিদ্যাসাগর কেন? এখন ‘বাংলার রেনেসাঁ’ একটি বিতর্কিত প্রপঞ্চ। আমরা সেই বিতর্কে না ঢুকে বাংলার সমাজ সংস্কারকেই রেনেসাঁ ধরে যদি আলাপ এগোই, তাহলেও দেখা যাবে, বিদ্যাসাগর এখানের প্রথমদিকের কেউ নন। ইয়ং বেঙ্গল কিংবা ব্রাহ্ম সমাজ ইতোমধ্যেই কাজ করছে। রামমোহন রায়ের মতো প্রভাবশালী সমাজ সংস্কারক সতীদাহের বিপক্ষে আইন করার জন্য কাজ করছেন এবং ইংরেজদের আনুক‚ল্যে সেটা সম্ভব করে তুলেছেন। রামমোহনদের হাতে বাংলা গদ্য, নয়া বাংলা লেখার সাফল্যজনক ট্রেন্ডও চালু হয়েছে। রামমোহনদের যদি বাংলার সংস্কারের প্রথম সূর্য ধরা হয়, সেখানে বিদ্যাসাগর মধ্যদুপুর। সবচেয়ে তেজি সূর্য, প্রখর ব্যক্তিত্ব। এখানে বলে নেয়া ভালো, আমার এই লেখায় জায়গা স্বল্পতায় রেফারেন্সের বোঝা কম চাপাবো।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিদ্যাসাগরকে নিয়ে কবিতা ও একাধিক প্রবন্ধ লিখেছেন। যার একটির শুরুতেই দীর্ঘ বাক্যে তাঁর ব্যক্তিত্বের স্বরূপটি ধরার চেষ্টা করেছেন, ‘বিদ্যাসাগরের চরিত্রে যাহা সর্বপ্রধান গুণ- যে গুণে তিনি পল্লী-আচারের ক্ষুদ্রতা, বাঙালি-জীবনের জড়ত্ব, সবলে ভেদ করিয়া একমাত্র নিজের গতিবেগ প্রাবাল্যে কঠিন প্রতিক‚লতার বক্ষ বিদীর্ণ করিয়া, হিন্দুত্বের দিকে নহে, সাম্প্রদায়িকতার দিকে নহে, করুণার অশ্রæজলপূর্ণ উন্মোক্ত অপার মনুষ্যত্বের অভিমুখে আপনার দৃঢ়নিষ্ঠ একাগ্র জীবনকে প্রবাহিত করিয়া লইয়া গিয়াছিলেন… বিদ্যাসাগরের জীবনবৃত্তান্ত আলোচনা করিয়া দেখিলে এই কথাটি বারংবার মনে উদয় হয় যে, তিনি যে বাঙালি বড়লোক ছিলেন তাহা নহে, তিনি যে রীতিমত হিন্দু ছিলেন তাহাও নহে- তিনি তাহা অপেক্ষা অনেক বেশি বড় ছিলেন, তিনি যথার্থ মানুষ ছিলেন।’

রবীন্দ্রনাথ কথিত এই যথার্থ মানুষকে খুঁজতে গেলে আমরা যে মানুষ পাই সেটা আধুনিক প্রপঞ্চ হিসেবে মানবতাবাদী মানুষ, হিউমেনিস্ট। হিউমেনিস্ট মাত্রই মানুষকে কেন্দ্রে রেখে তার চিন্তার জাল বিস্তার করেন। তার কেন্দ্র ঘুরে যায় মানুষের দিকে। মর্ত্য লোক নয়, ইহলোকের চিন্তাই তার কাছে প্রধান হয়ে উঠে। কিন্তু ভারতের মতো জাতপাতভেদগোনা স্থবির সমাজে সেটা কেমন করে হতে পারে, তার একটা রূপরেখা বিদ্যাসাগর টেনেছেন। সমাজ সংস্কারক হিসেবে তাকে বেছে নিতে হয়েছে ধর্মকেও। প্রাচীন ধর্ম গ্রন্থের প্রতিটি ভাঁজ ঘেঁটে তাকে বর্তমানের অন্ধকার দূর করতে হয়েছে। বিদ্যাসাগরের ক্ষেত্রে একটা শিক্ষা সম্ভবত তিনি পেয়েছিলেন ইয়ং বেঙ্গলদের কাছ থেকে। তারা সমাজ সংস্কার নিয়ে কাজ করলেও সেই সময়ে সামান্য মানুষের বাইরে গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছিল না। এর পেছনে অনেক কারণের কয়েকটি সরাসরি ইউরোপের অনুকরণে সমাজ বদলে ফেলার প্রকল্প, সেই লক্ষ্যে উগ্রভাবে কাজ করে যাওয়া। এটা যে ফলদায়ক নয়, বিদ্যাসাগর সেটা দ্রæত শিখে নিয়েছিলেন বলেই ধারণা করি। ইয়ং বেঙ্গলদের মধ্যে পোশাকী স্বাতন্ত্র্যও প্রকটভাবে ফুটে উঠত। অবশ্য এই ‘ইউনিক ইনডিভিজুয়াল’ হবার প্রচেষ্টা আধুনিক ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যবাদের গোড়ার দিকেরই একটা লক্ষণ। কিন্তু বিদ্যাসাগর পোশাকে ইউনিক ইনডিভিজুয়াল হতে চাননি, হননি। হলে সম্ভবত বাংলার হিন্দু সমাজে তার গ্রহণযোগ্যতা হ্রাসই পেতো। তাই তার পোশাক ছিল ভারতীয় চিরায়ত সমাজের পোশাক। চাদর ধুতি চটি- ব্যস। আধুনিক মননের বিদ্যাসাগরকে বাইরের আবরণে সাহেবি কেতার হতে হয়নি। এটা নিয়ে অবশ্য তাঁকে যে ঝক্কি সামলাতে হয়নি। একবার তিনি এশিয়াটিক সোসাইটির লাইব্রেরি দেখতে গিয়েছিলেন। ভেতরে মিউজিয়ামও ছিল। সেখানের দারোয়ান তাঁকে চটি নিয়ে ভেতরে ঢুকতে দিতে চায়নি। বলা হয়- জুতা হাতে নেন, বা খুলে ঢুকেন। তিনি সেখানে না ঢুকেই ফিরে আসেন এবং মিউজিয়াম ট্রাস্টি ব্লানফোর্ডের কাছে চিঠি লিখেন- ‘সেদিন সোসাইটি প্রাঙ্গণে ঢুকে দেখলাম, এদেশী লোক যাঁরা দেশী জুতো পরে গেছেন, তাঁদের জুতো খুলিয়া হাতে করে নিয়ে যেতে বাধ্য করা হয়েছে- আর যারা চোগাচাপকান আর বিলেতি জুতো পরে গেছেন তারা জুতা পায়ে দিয়েই ভিতরে ঢুকছেন। জুতোর ব্যাপারে এই অধিকারের পার্থক্য কেন বুঝতে পারলাম না।’ (বিনয় ঘোষের নবযুগের বিদ্যাসাগর প্রবন্ধ থেকে উদ্ধৃত)

পরবর্তীতে চটির জুতার মর্যাদা নিয়ে সোসাইটিতে আলোচনাও হয়। তাছাড়া ইংলিশম্যান ও হিন্দু প্যাট্রিয়টে তার জুতা বিষয়ক লেখালেখিও হয়। বর্তমানে নিতান্ত মজার কাহিনী বলে মনে হলেও এটা ছিল তাঁর তীব্র আত্মসম্মানবোধ ও জাত্যবোধের এক উদাহরণ। এখানে বলা ভালো, কর্মজীবনে প্রবেশের পর থেকে তাঁর অন্তত আর্থিক অনটন ছিল না। এক্ষেত্রে তিনি তাঁর এই পোশাক তাঁর রাজনৈতিক চয়েজ হিসেবেই নিয়েছিলেন।

বিদ্যাসাগরের ছাত্র থাকা অবস্থাতেই ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি পান। তিনি তাঁর নিজ তাগিদেই ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছেন। কিন্তু তাঁর একাডেমিক শিক্ষার বুনিয়াদ চিরায়ত ভারতীয় শিক্ষারই। তিনি পশ্চিমী পরিবেশে বড় হননি। ইংরেজি ও পশ্চিমা বিদ্যার আগে তিনি দেশীয় চিরায়ত বিদ্যায় পণ্ডিত হয়েছেন। ফলে এদেশীয় বিদ্যাকে অস্ত্র করেই তিনি এদেশী অন্ধকার দূর করতে কাজ করেছেন। নিন্দুকরা অবশ্য এটাও বলতো, বিদ্যাসাগরকে ইংরেজরা সমীহ করে বলেই বাঙালিরাও করে। এই নিন্দার একটা উল্টোপিঠও দেখা যায়, ‘ইংরেজরাও তাঁকে সমীহ করতো’। বনিবনা না হলে অনায়াসে তিনি সব কিছু ছাড়তে পারতেন। সেটার উদাহরণ তো ঢের আছে। বিনয় ঘোষ তাঁর ব্যক্তিত্বের এই গোঁয়ার স্বাতন্ত্র্য নিয়ে একটা সিন্থিসিস টানেন, ‘…উগ্র স্বাতন্ত্র্যবোধের জন্যেই তিনি বড় বড় সামাজিক আন্দোলনের নেতা হয়েও, কোনোদিন কোনো দল বা সমাজভুক্ত হতে পারেননি। ইয়ং বেঙ্গল ও ব্রাহ্ম সমাজের সঙ্গে সংস্কার-আন্দোলনের ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত থেকেও, তিনি কোনো দিন তাদের দলভুক্ত একজন হননি।’

উনিশ শতকে আন্দোলনে তিনটি প্রধান অঞ্চল আবিষ্কার করা যায়- ধর্মীয়, সামাজিক ও রাজনৈতিক। উনিশ শতকের প্রভাবশালী সংস্কারকরা কেউই প্রায় নিজের মধ্যে এই তিনটিকে একসাথে ধারণ করেতে পারেননি। বিদ্যাসাগরের ব্যাপারেও কথাটি সত্য। তাঁর আমলে হয়ে যাওয়া রাজনৈতিক বিদ্রোহের ক্ষেত্রে তিনি আশ্চর্য নীরব ছিলেন। সিপাহি বিদ্রোহ, নীল বিদ্রোহ বা মুসলিমদের ওয়াহাবি আন্দোলন- কোনো বিষয়েই তাঁকে ভোকাল হতে দেখা যায়নি। একই সঙ্গে এখানে বলা ভালো, আঠারো বা উনিশ শতকে ভারতীয় সমাজে রাজনৈতিক দিশা দেবার মতো কোনো বইও লেখা হয়নি যেটা রিপাবলিক, পলিটিক্স মতো কোনো রাষ্ট্রকল্প দেয়।
বিদ্যাসাগর সামাজিক সংস্কারের প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে দেখানো বিধবা বিবাহ প্রচলনকে, বহুবিবাহ, বাল্যবিবাহ বন্ধেও তিনি সারাজীবন কাজ করেছেন, লিখেছেন। তাছাড়া তাঁর শিক্ষা সংস্কার, প্রসার ইত্যাদি তো রয়েছেই। এখানে আমরা যে আধুনিকতা উত্তর সমাজে বাস করি, সেখানে পশ্চিমা আধুনিকতার সমালোচনা করেই উত্তর আধুনিকতা প্রপঞ্চ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। কলোনিয়াল ‘চিহ্ন’ মোছার জন্য আগের সমাজের কিছু দিয়ে রিপ্লেস করা নিয়ে এখানে আলোচনা আছে। সেই আলোচনা বিস্তারিত করার জায়গা এখানে নেই। শুধু ইঙ্গিত দিয়ে রাখার জন্য বলা, বিদ্যাসাগর যা কিছু করেছেন তার একটা বড় অংশই তিনি দেশীয় প্রাচীন শাস্ত্র ঘেঁটে করেছেন, পশ্চিমা কিছু চাপিয়ে দেননি।

বিদ্যাসাগরের ব্যক্তিত্বে আর একটা দিকের কথা বিনয় ঘোষ বলেন, সেটা হলো গতিশীলতা। আজ আমরা যখন আন্তর্জালের আদান-প্রদানের জায়গায় বসে লিখছি, তখনের দিনে তো রাস্তাই ছিল না। ফলে কাজেও গতি কম ছিল। তাঁর ব্যক্তিত্বের গতিশীলতার সাথে তখন ভারতবর্ষে রেলপথ তৈরির ভেতর দিয়ে গতিশীলতা অর্জনকে একটা সামন্তরিক জায়গা থেকে দেখেছেন বিনয়। ১৮৫৩ সালে ডালহৌসি তার রেলপথ প্রস্তাবের খসড়া দেন, ১৮৫৬ সালের মধ্যে কয়েক হাজার মাইল রেলপথ তৈরি হয়। এদিকে এই সময়েই বিদ্যাসাগর গ্রামে গ্রামে ঘুরে স্কুল স্থাপন করেন। বিধবা বিবাহের পক্ষে কাজ করেন। ১৮৫৬ সালেই বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়, ডিসেম্বরে তিনি প্রথম বিধবা বিবাহ দেন। ১৮৫৭ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়। যা বলছিলাম, এই যে উন্নয়নের সাথে গতিশীলতার সম্পর্ক, এটার ব্যক্তিক উদাহরণ হলেন বিদ্যাসাগর। তিনি ছিলেন তার সময়ের সবচেয়ে গতিশীল ব্যক্তিত্ব।

বিদ্যাসাগর তার জীবনের সমস্তটাই মানুষের জন্য ঢেলে দিয়েছেন হিউমেনিস্ট চিন্তার জায়গা থেকে। ব্যক্তি হিসেবে নানা কষ্টও পেয়েছেন। তিনি তাঁর সময়ের এক একা চলা মানুষ ছিলেন, সম্ভবত প্রখর ব্যক্তিত্বও এর জন্য কম দায়ী না। নইলে কি আর সাঁওতাল এলাকায় গিয়ে থাকা লাগে শেষবেলা! রবীন্দ্রনাথের কথাটার একটা আক্ষরিক মূল্যও দেয়া যায়, ‘বিদ্যাসাগর বঙ্গদেশে একক ছিলেন। এখানে যেন স্বজাতি সদূর কেহ ছিল না। এদেশে তিনি তাঁহার সমযোগ্য সহযোগীর অভাবে আমৃত্যুকাল নির্বাসন ভোগ করিয়াছেন।’

নিজের বাল্যকাল থেকেই তার লক্ষ্যের প্রতি তীব্র নিষ্ঠা নিয়ে কাজ করতেন, অর্জন করতেন। তাঁর পিতামহ কম বয়সে তাঁকে ‘এঁড়ে’ ডাকতেন এই কারণেই। নিজের মন নির্দ্বিধায় জানাতেন। ভণিতা তাঁর ব্যক্তিত্বে ছিল না। তিনি যেমন করুণাসাগর ছিলেন, একই সাথে ছিলেন রাগীবৃষ। শিবনাথ শাস্ত্রীকে বিদ্যাসাগর বলেছিলেন, ‘ভারতবর্ষে এমন রাজা নাই, যাহার নাকে এই চটিজুতোসুদ্ধ পায়ে টক করিয়া লাথি না মারিতে পারি।’ শাস্ত্রী মশাই সাক্ষী দিয়ে তাঁর পিঠেই লিখলেন, ‘… তিনি যাহা বলিয়াছেন তাহা সত্য। তাঁহার চরিত্রের তেজ এমনই ছিল যে, তাঁহার নিকট ক্ষমতাশালী রাজারাও নগণ্যের মধ্যে।’

এসআর

মন্তব্য করুন

যে মন্তব্যগুলো খবরের বিষয়বস্তুর সাথে মিল আছে এবং আপত্তিজনক হবে না সেই মন্তব্যগুলোই দেখানো হবে। প্রকাশিত মন্তগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত। পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য ভোরের কাগজ লাইভ কোন দায়ভার গ্রহণ করবে না।

জনপ্রিয়